বঙ্গবিভূষণ পাওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র ট্রোলের শিকার হন গায়িকা ইমন চক্রবর্তী। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে সমর্থন জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া না ছাড়ার পরামর্শ দিলে, ইমন পাল্টা এফএমে বাংলা গান ফেরানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বিশেষ আর্জি জানান।

‘আনসোশ্যাল লোকেদের জন্য তুমি সোশ্যাল মিডিয়া কেন ছাড়বে? বেশি করে ধর?’ সদ্য গায়িকা ইমন চক্রবর্তীকে এই পরামর্শ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সদ্য, ইমন চক্রবর্তী পেয়েছেন বঙ্গবিভূষণ। তারপর তাঁকে নিয়ে শুরু হয় ট্রোল। সেই ট্রোল চলতেই থাকে। কদিন আগে মায়ে মৃত্য়ুবার্ষিকীতে একটি পোস্ট করেন ইমন। তা নিয়েও তাঁকে করা হয় ট্রোল। এরপর লাইভে এসে ইমন জানান যে, ব্যক্তিগত জীবন আর সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরবেন নাতিনি। তাঁর মাকে আপমান করা হয়েছে, তাও তাঁর মৃত্যু দিনে। মন চক্রবর্তী কেন রাজ্য সরকারের উন্নয়েনর পাঁচালি গেয়েছিলেন, ত নিয়ে কটাক্ষ শুনতে হয় তাঁকে। বিদ্রুপ করা হয়েছিল তাঁকে। সঙ্গে তাঁর ছাড় পাননি তাঁর প্রয়াত মাও। এদিন লাইভে এসে ইমন জানান, এই মন্তব্য দেখে তিনি গোটা রাত ঘুমাতে পারেননি। অসুস্থবোধ করেছেন।

সদ্য এক অনুষ্ঠানে এই নিয়ে মন্তব্য করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সেদিন ওঁর মায়ের মৃত্যুদিন ছিল। আমরা তো শিবাজী চট্টোপাধ্যায়, শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায়, নচিকেতা চক্রবর্তী, রূপঙ্কর, রাঘব, শ্রীজাত, গণেশচন্দ্র হালুই, বাবলুকেও বঙ্গবিভূষণ দিয়েছি। তাহলে শুধু ইমনকে কেন একঘরে করা হল? এটা খুব খারাপ। তিনি আরও হলেন, ‘আনসোশ্যাল লোকেদের জন্য তুমি সোশ্যাল মিডিয়া কেন ছাড়বে? হেশি করে ধর?’।

মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর মুখ খোলেন ইমন। তিনি দিদি কাছে বিশেষ আর্জি করেন। তিনি বলেন, দিদি আমার একটা দাবি আছে। আমরা যখন গান গাওয়া শুরু করেছি, তখন এফএমএ বাংলা গান বাজত। আমরা বহু শিল্পী পেয়েছি, যারা এফএমএ বাংলা গান গেয়ে আপনার কাছ থেকে বঙ্গবিভূষণ পেয়েছেন। কিন্তু, এখন এফএমএ একদমই বাংলা গান বাজে না। এটা আমার বড়ই দুঃখের জায়গা। শুধু মাত্র বাংলা একটা অ্যাওয়ার্ড শো করে তারা খান্ত হন। বাংলা গানের জন্য এটা ঠিক হচ্ছে বলে আমার মনে হয় না। তাই আপনি যদি একটু ভাবনা-চিন্তা করতেন।