Imran Khan: ভারত ছাড়ার নির্দেশ ঘিরে আইনি লড়াইয়ে আপাতত স্বস্তি পেলেন বলিউড অভিনেতা ইমরান খান। বিদেশি আঞ্চলিক পঞ্জীকরণ দফতর-এর জারি করা দেশ ছাড়ার নোটিশে সাময়িক স্থগিতাদেশ দিয়েছে বম্বে হাইকোর্ট। আপাতত তাঁকে ভারত ছাড়তে বাধ্য করতে পারবে না প্রশাসন।
ভারত ছাড়ার নির্দেশ ঘিরে আইনি লড়াইয়ে আপাতত স্বস্তি পেলেন বলিউড অভিনেতা ইমরান খান। বিদেশি আঞ্চলিক পঞ্জীকরণ দফতর (এফআরআরও)-এর জারি করা দেশ ছাড়ার নোটিশে সাময়িক স্থগিতাদেশ দিয়েছে বম্বে হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ২ নভেম্বর পর্যন্ত অভিনেতার বিরুদ্ধে কোনও বলপূর্বক পদক্ষেপ করা যাবে না। ফলে আপাতত তাঁকে ভারত ছাড়তে বাধ্য করতে পারবে না প্রশাসন। ইমরান খান সম্পর্কে বলিউডের মহাতারকা অভিনেতা আমির খানের ভাগ্নে হন।
মুম্বইয়ে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে অংশ নেন ইমরান খান
সম্প্রতি মুম্বইয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) বিরুদ্ধে আয়োজিত একটি বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে ইমরানের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার পরেই তাঁকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। এফআরআরও-র তরফে জারি করা নোটিশে ২৮ অক্টোবরের মধ্যে দেশ ছাড়তে বলা হয়েছিল অভিনেতাকে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভারত না ছাড়লে তাঁর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হতে পারে, তা নিয়েও তৈরি হয়েছিল জল্পনা।
দেশ ছাড়তে হবে কি আমিরের ভাগ্নে-কে?
এই পরিস্থিতিতে নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হন ইমরান। দেশ ছাড়ার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা ঘনিয়ে আসায় দ্রুত আইনি পদক্ষেপ করেন তিনি। মঙ্গলবার বম্বে হাইকোর্টে মামলার শুনানি হয়। সেখানে অভিনেতার আবেদনের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষা মঞ্জুর করে আদালত। আগামী ২ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও জোরপূর্বক পদক্ষেপ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আপতত স্বস্তিতে অভিনেতা
আদালতের এই নির্দেশের ফলে আপাতত স্বস্তিতে অভিনেতা। কারণ, এফআরআরও-র দেওয়া ২৮ অক্টোবরের সময়সীমা ঘিরে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, অন্তর্বর্তী নির্দেশের জেরে তা সাময়িক ভাবে কাটল। তবে এই নির্দেশকে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি বলে মনে করা হচ্ছে না। আপাতত নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন ইমরান। পরবর্তী শুনানিতে মামলার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
পরবর্তী শুনানিতে আলোচনা
ইমরানের বিরুদ্ধে দেশ ছাড়ার নির্দেশ জারির নেপথ্যে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগ কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেই সঙ্গে প্রশাসনের সিদ্ধান্তের আইনি ভিত্তি কী, তা নিয়েও পরবর্তী শুনানিতে আলোচনা হতে পারে। তবে এ বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত পর্যবেক্ষণ এখনও সামনে আসেনি। সব মিলিয়ে, ভারত ছাড়ার নির্দেশ ঘিরে ইমরান খানের আইনি লড়াই আপাতত গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিয়েছে। বম্বে হাইকোর্টের হস্তক্ষেপে এখনই তাঁকে দেশ ছাড়তে হচ্ছে না। তবে এই স্বস্তি কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে, তা নির্ভর করছে আগামী ২ নভেম্বরের শুনানির উপর। আদালত সেদিন কী নির্দেশ দেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।


