ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল দিল্লি ২০২৬-কে ভারতীয় শিল্পীদের জন্য একটি বিশ্বমানের মঞ্চ বলে প্রশংসা করলেন কঙ্গনা রানাউত। আর কী বললেন অভিনেত্রী?
অভিনেত্রী থেকে রাজনীতিবিদ কঙ্গনা রানাউত বুধবার ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল দিল্লি ২০২৬-এর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, এই উৎসব ভারতীয় শিল্পীদের জন্য বহু প্রতীক্ষিত একটি বিশ্বমানের মঞ্চ। একই সঙ্গে সিনেমার জগতে নারীকেন্দ্রিক গল্পের প্রচারের ওপরও জোর দেন তিনি। অনুষ্ঠানে কঙ্গনা বলেন, "আমেরিকা, কানাডা বা সানডান্স ফেস্টিভ্যালের মতো ভারতেও একটা বড় মাপের চলচ্চিত্র উৎসব হোক, যেখানে আমাদের সিনেমা স্বীকৃতি পাবে, এটা আমরা শিল্পীরা অনেকদিন ধরেই চাইছিলাম।"
তিনি আরও যোগ করেন যে, এই উদ্যোগ বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বকেই তুলে ধরে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দূরদৃষ্টির প্রশংসা করে কঙ্গনা বলেন, “ভারত যখন বিশ্বগুরু হিসেবে উঠে আসছে, তখন এই উদ্যোগ আমাদের সৃজনশীল অর্থনীতি, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং এগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর দায়বদ্ধতারই প্রতিফলন।”
সিনেমায় মহিলাদের প্রতিনিধিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে কঙ্গনা বলেন, "সিনেমায় মহিলাদের কৃতিত্ব উদযাপন করাটা খুব জরুরি। মহিলা সংরক্ষণ বিল প্রমাণ করে যে প্রধানমন্ত্রী মহিলাদের অগ্রগতি নিয়ে কতটা চিন্তাশীল। তাই গল্পেও তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা উচিত।"
তিনি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এবং প্রযোজনা সংস্থাগুলোকে এই ধরনের গল্পকে সক্রিয়ভাবে সমর্থন করার জন্য আহ্বান জানান। কঙ্গনা বলেন, “এমনকী ছোট বাজেটের নারীকেন্দ্রিক ছবিগুলোকেও একটা প্ল্যাটফর্ম দেওয়া উচিত, যাতে তাদের সংগ্রাম এবং সাফল্যের কথা সবার সামনে আসে। এই ধরনের উৎসাহ একটা বড় পদক্ষেপ হবে।”
অন্যদিকে, এই উৎসবে অভিনেতা অরবিন্দ স্বামীও সিনেমা নির্মাণে প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান ভূমিকা নিয়ে নিজের মতামত দেন। তিনি বলেন, আগামী বছরগুলোতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) সিনেমা জগতে বড়সড় পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, "ভবিষ্যতে সিনেমায় AI-এর পরিধি বেশ নাটকীয়ভাবে বাড়তে চলেছে... টুলগুলো দ্রুত উন্নত হওয়ায় একজন ব্যক্তি একাই একটা পূর্ণ দৈর্ঘ্যের ফিচার ফিল্ম বানিয়ে ফেলতে পারবেন।"
স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্য এই উৎসব যে মঞ্চ তৈরি করে দিয়েছে, তাকেও স্বাগত জানান স্বামী। তিনি বলেন, "আমি খুব খুশি যে আমরা স্বাধীন সিনেমার জন্য একটা প্ল্যাটফর্ম পেয়েছি। এটা ভালো সিনেমা দেখানোর একটা সুযোগ করে দেয়।"
ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল দিল্লি ২০২৬ দেশ-বিদেশের শিল্পী, চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং স্রষ্টাদের একত্রিত করেছে। এই উৎসবের মূল ফোকাস উদ্ভাবন, অন্তর্ভুক্তি এবং বিশ্ব সিনেমার পরিবর্তিত প্রেক্ষাপট। অনুষ্ঠানে হেমা মালিনী, শর্মিলা ঠাকুরের মতো বর্ষীয়ান তারকারাও উপস্থিত ছিলেন। (এএনআই)
(শিরোনাম ছাড়া এই প্রতিবেদনটি এশিয়ানেট নিউজএবল ইংলিশ কর্মীরা সম্পাদনা করেননি এবং এটি একটি সিন্ডিকেটেড ফিড থেকে প্রকাশিত।)
