রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে পদ্মশ্রী সম্মান গ্রহণ করলেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। বাংলা সিনেমায় তাঁর চার দশকের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এই জাতীয় সম্মান পেলেন তিনি। এই তালিকায় আরও ১১ জন বাঙালি রয়েছেন।
জানুয়ারি মাসে সাধারণতন্ত্র দিবসেই পদ্ম সম্মানের তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল। সে সময় জানা গিয়েছিল, বাংলা সিনেমায় বিশেষ অবদানের জন্য পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হচ্ছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।

আজ রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত প্রথম সিভিল ইনভেস্টিচার সেরিমনি-তে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু মনোনীত ব্যক্তিত্বদের হাতে সম্মান তুলে দিলেন। এবছর মোট ১৩১টি পদ্ম সম্মানের ঘোষণা হয়েছিল। যার মধ্যে রয়েছে ৫টি পদ্মবিভূষণ, ১৩টি পদ্মভূষণ ও ১১৩টি পদ্মশ্রী পুরস্কার। এই তালিকায় আছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, প্রয়াত তারকা ধর্মেন্দ্র, মালয়ালম মেগাস্টার মামুত্তি, গায়িকা অলকা ইয়াগনিকও। এবার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়-সহ এই পদ্ম সম্মানের তালিকা আরও ১১ জন বাঙালি আছে। শিল্প সাহিত্য, খেলাধুলো, বিজ্ঞান, সমাজসেবা ও জনকল্যাণের মতো ক্ষেত্রে এঁরা সকলেই অবদান রেখেছেন।
প্রসঙ্গত, প্রায় চার দশ ধরে অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। এক সময় বাংলা ছবির দুঃসময়ে প্রায় সমস্ত দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ১৯৬৮ সালে বাবা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ছবিতে শিশু শিল্পী হিসেবে হাতেখড়ি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের। প্রায় সাড়ে তিনশোর বেশি ছবিতে অভিয়ন করেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এবার বাংলা সিনেমায় বিশেষ অবদানের জন্য পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।
এদিন ফ্যাশন ডিজাইনার অভিষেক রায়ের পোশাকে সেজেছেন অভিনেতা। আসলে তিনি পোশাকে বাঙালিয়ানা চেয়েছিলেন। সেই অনুসারে ডিজাইনার তাঁর পোশাক তৈরি করেন। তাঁর পাঞ্জাবিতে খুব বেশি কারুকার্য না থাকলেও সিম্পলের মধ্যে সুন্দর ছিল। পুরনো দিনের থিয়েটার রেলিংয়ের মোটিফ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি পোশাকটি বানিয়েছে। তাতে হ্যান্ড এমব্রয়ডারির কারুকার্য ছিল।


