রামায়ণের ট্রেলার জুড়ে রয়েছে দুর্দান্ত অ্যাকশন, ভিএফএক্স ও সিনেম্যাটিক উপস্থাপনা। চেনা গল্প নতুন মোড়কে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, রাম অবতারে রণবীর নাকি রাবণের বেশে যশ, কে বেশি নজর কাড়লেন?

ট্রেলারের শুরুতেই দেখা যাচ্ছে রাবণকে। একটি শক্তিশালী সংলাপ দিয়ে তিনি প্রবেশ করছেন। এক প্রাচীর আকৃতি দরজা ভেঙে তিনি প্রবেশ করলেন কেল্লায়। একা শয় শয় সৈনিকের হত্যা করে শেষে সিংহাসন দখল করলেন। নিজেকে ত্রিভুবনের অধিপতি ঘোষণা করেন। যখন তার অত্যাচার ও ধ্বংসযজ্ঞ চরমে পৌঁছায়, তখন ভগবান বিষ্ণু ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে ও ধর্মকে রক্ষা করতে শ্রীরাম রূপে অবতার গ্রহণ করেন। দেবী সীতার সঙ্গে বিবাহ- প্রেম থেকে শুরু করে বনবাস। ট্রেলার জুড়ে মহাভারতের কাহিনীর ঝলক। এরপর সীতার হরন থেকে রাবণ বধ- ৩ মিনিটের ট্রেলার জুড়ে রয়েছে পুরো রামায়ণের কাহিনি। ট্রেলারে রামের জীবনযাত্রারও ঝলক দেখা যায়। অযোধ্যার রাজপ্রাসাদের ঐশ্বর্য, রাজপরিবারের গৌরব, ধর্মপরায়ণ যুবরাজ হিসেবে রামের জীবন এবং স্ত্রী সীতা (সাই পল্লবী) ও ভাই লক্ষ্মণ (রবি দুবে)-এর সঙ্গে তাঁর শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

দুষ্টের দমন, সিষ্টের পালন। রাম-রাবণের যুদ্ধ, সীতাকে উদ্ধার, লঙ্কায় রাবণ রাজ, রাম-সীতা-লক্ষণের ১৪ বছরের বনবাস- চেনা গল্পই থাকছে এই ছবিতে। এমনই আন্দাজ মিলছে ট্রেলার দেখে। তবে উপস্থাপনার রয়েছে চমক। ট্রেলার দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে গল্পের উপস্থাপনার নতুনত্ব এনেছেন পরিচালক। প্রায় সাড়ে তিন মিনিটের ট্রেলারজুড়ে দর্শকদের নজর কেড়েছে দুর্দান্ত অ্যাকশন দৃশ্য, মনোমুগ্ধকর ভিজ্যুয়াল, অত্যাধুনিক ভিএফএক্স এবং বিশাল ক্যানভাসে নির্মিত সিনেম্যাটিক উপস্থাপনা। বিশেষ করে রাবণের রাজকীয় উপস্থিতি এবং রামের বীরোচিত রূপ দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করেছে।

ট্রেলার রিলিজ হতেই উঠেছে একটা প্রশ্ন। কে বেশি নজর কাড়লেন রাম অবতারে রণবীর নাকি যশে মুগ্ধ ভক্তরা? ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে আলোচনা। অধিকাংশের মতে, রাবণের বেশে যশ সকলের মন কেড়েছেন। আবার অনেকের মনে রণবীর একেবারে নতুন লুকে দিয়েছেন চমক। তবে, সত্যিই যশ নাকি রণবীর কে দর্শকদের মন কাড়ল তা বোঝা যাবে ছবি মুক্তির পরে।

YouTube video player