সালটা ছিল ২০১৩। তার অনেকটা আগেই অবশ্য সিলভার স্ক্রিনকে  গুডবাই জানিয়েছিলেন রাজ কাপুরের পুত্র ঋষি কাপুর। কিন্তু মাঝে মধ্যে পছন্দসই স্ক্রিপ্ট হলে দু-একটা ছবিতে অভিনয় করতেন। না হলে পরিবারের সঙ্গেই তাঁর সময় কাটত। যে ছবিটার কথা বলছি সেটা সেরকমই একটা ছবি ঋষি কাপুরের কাছে। কিন্তু কেরিয়ারের প্রায় শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে এই ছবিটাই যে তাঁর জীবনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে যাবে তা হয়তো স্বপ্নেও ভাবেননি ঋষি কাপুর। 

নিখিল আডবানি পরিচালিত এই ছবিতে দাউদ ইব্রাহিমের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ঋষি কাপুর। আর র-এর এজেন্টের ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল ইরফান খানকে। ছকভাঙা অভিনেতা হিসেবে প্রথম থেকেই পরিচিত ইরফান। নানা রকম চরিত্রে তাঁকে দেখা গেছে। কিন্তু এই ছবিতে ইরফানের পাশে দাড়িয়ে রীতিমত তাঁকে টক্কর দিয়েছিলেন ঋষি কাপুর। প্রথম থেকেই চকোলেট বয় ইমেজেই বলিউড ব্যবহার করেছে ঋষিকে। খুব একটা  তাঁকে অন্যধারার ছবিতে দেখাও যায়নি। যাওবা কর্জ ছবিতে অন্যরকম ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল ঋষিকে কিন্তু সেখানেও প্রাধান্য পেয়েছিল তাঁর রোমান্টিক ইমেজই। 

সেই তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে ডি-ডে। দাউদের চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করে দর্শকদের মন কেড়েছিলেন ঋষি। অনেক চলচ্চিত্র সমালোচকই সেই সময় বলেছিলেন বলিউড ঋষি কাপুরের প্রতি জাস্টিস করেনি। এক দক্ষ অভিনেতাকে অধিকাংশ ফিল্মেই রোমান্টিক নায়ক হিসেবেই অভিনয় করে যেতে হয়েছিল। 

বুধবার মারা গিয়েছিলেন ইরফান খান। তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই টিনসেল টাউনে আসে দুঃসংবাদ। বেঁচে নেই  বলিউডের প্রিয় চিন্টু। করোনা সংকটের এই সময় পরপর দুই নক্ষত্রপতনে রীতিমত হতাশ বলিউড। তারই মধ্যে ঋষি আর ইরফান অভিনিত ডি-ডের বেশকিছুটা অংশ ভাইরাল।