সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া নির্বাচন কমিশনের তালিকায় দেখা গেছে, ভোটের প্রচারে সায়ক চক্রবর্তী আড়াই লক্ষ টাকা পেয়েছেন। এর ফলে তার অতীতের গোমাংস বিতর্কের সঙ্গে বিজেপির প্রচারের যোগসূত্র নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

গত দুদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে নির্বাচন কমিশনের একটিতালিকা। যেখানে দেখা গিয়েছে ভোটের মরশুমে প্রচারের জন্য কাকে কত টাকা দেওয়া হয়েছে। এই নথিতে দেখা যাচ্ছে ছত্রিশ জনের তালিকা। যেখানে আছেন বেশ কিছু ইনফ্লুয়েন্সার। যারা চলতি বছরের শুরু থেকেই খবরের শিরোনামে। সেই তালিকায় জ্বলজ্বল করছে সায়ক চক্রবর্তীর নাম। বছরের শুরুতেই যিনি অভিযোগ করেছিলেন পার্কস্ট্রীটের এক রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে গোমাংস পরিবেশন নিয়ে। সায়কের অভিযোগের জেরে রেস্তোরাঁর ওই কর্মীকে জেলেও যেতে হয়েছিল। এরপর জল অনেক দূর গড়ায়।

সে যাই হোক, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এই তথ্যে দেখা যাচ্ছে আড়াই লক্ষ টাকা পেয়েছিল সায়ক। আর এতেই অনেকে মনে করছেন গোমাংস নিয়ে যে কাণ্ডটি বাঁধিয়ে ছিলেন, তা বিজেপির ভোট প্রচারের অংশ। এমনই গুঞ্জন সর্বত্র। এবার এই নিয়ে মুখ খুলল সায়ক। সোশ্যাল মিডিয়ায় করল এক বিশেষ পোস্ট। সেখানে দাবি করেছে, ….ওটা ঘটনা, রাজনীতি না। …

আমি যা রোজগার করি সৎ পথে। আফটার অলি পাব আমাকে কয়েকটা দল কন্টেন বানানোর অ্যাপ্রোচ করে। তার আগেও করেছিল। কিন্তু ওই ঘটনায় বিজেপি এবং সমমনভাবাপন্ন মানুষ আমাকে সাপোর্ট করেছিলেন। তাই হ্যাঁ আমি তাদের হয়ে কিছু কনটেন্ট বানিয়েছি।

সেটা কী? SIR নিয়ে কিছু টেকনিক্যাল এক্লপ্ল্যানেশন এবং যুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রী চুপ থাকার কারণ এবং বিজেপি ক্যাম্পেনিং-র কাজ শেষ হয় নতুন সিএমকে অভিনন্দন জানিয়ে মে মাসে। অলি পাবের ঘটনা জানুয়ারিতে। আমার বিজেপির হয়ে এই সব কনটেন্ট মার্চ- মে, সেটাও কমিশনের ওয়েবসাইটে পাবেন। ….

অলি পাবের সঙ্গে আমার টাকা পয়সার কোনও সম্পর্ক নেই, এটা যারা জেনেও ইচ্ছে করে উসকাচ্ছেন, অন্যায় করছেন। আমি অন্যায় করিনি, হেটার্সদের এসব বাজে কথায় আমার তাই আর কিছু যায় আসে না। আসবেও না। হেটার্সদের সাফাই দেওয়ার প্রয়োজন নেই আমার। যারা আমাকে ভালোবাসেন, অনেকে মেসেজ করেছিলেন। এটা তাদের জন্য।…