গায়িকা জানান, অ্যালবাম লঞ্চের দিন ভোর ৪টের সময়ও তিনি সুরকার শাশ্বত সচদেবের সঙ্গে স্টুডিওতে ছিলেন। তখন গানটি লেখা, রেকর্ডিং এবং ফাইনাল টাচের কাজ চলছিল! জানেন কোন গান?

‘ধুরন্ধর ২’ নিয়ে আলোচনার অন্যতম কারণ এর মন ছুঁয়ে যাওয়া গান ‘যায়ে সাজনা’। এবার সেই গানের পেছনের অবিশ্বাস্য গল্প শোনালেন জেসমিন স্যান্ডলাস। গায়িকা জানান, অ্যালবাম লঞ্চের দিন ভোর ৪টের সময়ও তিনি সুরকার শাশ্বত সচদেবের সঙ্গে স্টুডিওতে ছিলেন। তখন গানটি লেখা, রেকর্ডিং এবং ফাইনাল টাচের কাজ চলছিল। আরও মজার ব্যাপার হল, যেদিন গানটি রেকর্ড করা হয়, সেদিনই টিম এটি লঞ্চ করে। শেষ মুহূর্তের এই সৃষ্টিশীলতাই যেন জাদু দেখিয়েছে, কারণ গানটি এখন ছবির সবচেয়ে চর্চিত ট্র্যাক।

জেসমিন জানান, গানের সুরের কিছু অংশ মাসখানেক আগেই তৈরি ছিল। কিন্তু গানটি তার আসল আবেগঘন রূপ পায় একেবারে শেষ মুহূর্তে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, টিম চেয়েছিল গানটি যেন বিচ্ছেদ, একাকীত্ব এবং বিশ্বাসঘাতকতার অনুভূতিকে সত্যি সত্যি ফুটিয়ে তোলে। সম্ভবত এই কারণেই শ্রোতারা গানটির সঙ্গে এত সহজে একাত্ম হতে পেরেছেন। গানের কথা ও গায়কীর সততা একে বাকি ট্র্যাকগুলো থেকে আলাদা করেছে। গায়িকা এও স্বীকার করেন, ভারত ও বিদেশের দর্শকদের থেকে এমন অভাবনীয় সাড়া তিনি বা তার টিম কেউই আশা করেননি।

জেসমিন সতিন্দর সারতাজের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়েও কথা বলেন। বিশেষ করে হুক লাইনটিতে তাঁর জোরালো গায়কীর খুব প্রশংসা করেন তিনি। জেসমিন বলেন, সতিন্দরের সঙ্গে কাজ করাটা ছিল তাঁর স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো। এই পুরো অভিজ্ঞতা ব্যক্তিগত ও পেশাগতভাবে খুবই ফলপ্রসূ ছিল। তিনি শাশ্বত সচদেবকেও কৃতিত্ব দেন, যিনি তাঁকে ক্রিয়েটিভভাবে এগিয়ে নিয়ে গেছেন এবং রাতের পর রাত জেগে স্টুডিওতে কাজ করা সার্থক করেছেন। জেসমিনের মতে, এই সাউন্ডট্র্যাকের সাফল্য তাঁর লাইভ শোগুলোর এনার্জি বদলে দিয়েছে। এখন তাঁর কনসার্টগুলো উৎসবের মতো মনে হয়। অন্যদিকে, রণবীর সিং, অর্জুন রামপাল, আর মাধবন এবং সঞ্জয় দত্তের দুর্দান্ত অভিনয়, টানটান স্পাই-থ্রিলার গল্প এবং অ্যাকশন দৃশ্যের কারণে ‘ধুরন্ধর ২’ নিয়ে দর্শকদের উন্মাদনা বেড়েই চলেছে।