প্রথম করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক অবিষ্কারের আবিষ্কারের কৃতিত্ব অর্জন করেছে রাশিয়া। আর এরজন্য দেশের বিজ্ঞানীদের রীতিম সাধুবাদ জানিয়েছিলেন রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন। আর সেই সঙ্গে তিনি জানিয়েছিলেন তাঁর মেয়েও দেশের তৈরি স্পিটিনিক নামের করোনাভাইরাসের প্রতিষেধকটি গ্রহণ করেছে।  তাঁর মেয়ে সুস্থ রয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন। 

 

তারপরে কেটেগেছে বেশ কয়কটি দিন। এরই মধ্যে গত ১৫ অগাস্ট একটি সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে পুতিনের কন্যা করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোস গ্রহণ করার পরই মারা গেছে। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন রাশিয়ার একটি সূত্র মারফত পাওয়া খবর হিসেবে পুতিন কন্যার মৃত্যুর খবর প্রকাশ করা হয়েছে।  আর সেই খবর নিয়ে রীতিমত সরগোল পড়েগেছে নেট দুনিয়া। অনেকেই পুতিন কন্যাকে শেষ শ্রদ্ধাও জানিয়েছেন। 


কিন্তু ফ্যাক্ট চেক বলছেন এই খবরটি ভুয়ো। কারণ ক্রেমলিন, রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির সরকার বাসভবন থেকে পুতিন কন্যাকে নিয়ে কোনও রকম বিবৃতি জারি করা হয়নি। পাশাপাশি রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনও তাঁর কন্যাকে নিয়ে এজাতীয় কোনও মন্তব্য করেননি। কিন্তু করোনা প্রতিষেধক নেওয়ার পর পুতিনও জানিয়েছিলেন তাঁর মেয়ে প্রতিষেধক নিয়ে সুস্থ রয়েছেন।

অন্যদিকে ভ্লাদিমির পুতিনের কন্যা করোনা প্রতিষেধক নিয়ে মারা গেছে এই জাতীয় শীরোনামে একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও আপলোড করা হয়েছিল। বর্তমানে সেই ভিডিওটিও সরিয়ে ফেলা হয়েছ।