অবশেষে স্বস্তির জয় পেল ইস্টবেঙ্গল। আলেজান্দ্রো মেনেন্দেস বিদায় নিয়েছেন, দলে এসেছিলেন নতুন বিদেশি ক্রোমা। খানিকটা ছন্নছাড়া অবস্থা থেকেই শেষ পর্যন্ত ঘুরে দাঁড়াল লাল হলুদ। পেনাল্টি মিস, পরের পর সহজ গোলের সুযোগ নষ্ট করেও শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলে গত বারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সিটি এফসি-কে হারিয়ে তিন ম্যাচ পরে জয়ে ফিরল লাল হলুদ ব্রিগেড। 

গতবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাইয়ের সঙ্গে এবারের দলটিকে মেলানো মুশকিল। পেড্রো, নেস্টরের মতো যে বিদেশিরা গতবার চেন্নাইকে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন, তাঁরাই এবার দলে নেই। যার ফলে একেবারে সাদামাঠা ফুটবল খেলছে আকবর নওয়াজের দল। এ দিন শুরু থেকেই চেন্নাইকে চেপে ধরেছিল ইস্টবেঙ্গল। প্রথমার্ধেই পেনাল্টি পেয়েছিল লাল হলুদ। কিন্তু সেই সুযোগ ফস্কান কোলাডো। এর পর চেন্নাই গোলকিপার স্যান্টানা- কে একা পেয়েও বাইরে মারেন কোলাডো। চেন্নাইয়ের স্প্যানিশ কিপারকে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন ব্যান্ডন। ফলে আধিপত্য নিয়ে খেলেও প্রথমার্ধে গোল পাননি কোলাডো, জুয়ান মেরারা। 

দ্বিতীয়ার্ধের ৬৮ মিনিটে শেষ পর্যন্ত স্বস্তি ফেরে লাল- হলুদ শিবিরে। যে মার্কোস এস্পাদা গোল না পাওয়ায় কথা শুনতে হয়েছিল আলেজান্দ্রকে, শেষ পর্যন্ত তিনিই কোলাডোর পাশ থেকে এগিয়ে দেন ইস্টবেঙ্গলকে। গোল করতে অবশ্য বিশেষ কষ্ট করতে হয়নি স্প্যানিশ ফরওয়ার্ডকে। ফাঁকা গোলেই বল ঠেলে দেন তিনি। খেলার শেষ দিকে ফের পেনাল্টি পায় ইস্টবেঙ্গল। এবার অবশ্য আর গোল করতে ভুল করেননি কোলাডো। 

কার্ড সমস্যায় এ দিন দলে ছিলেন না ডিফেন্ডার মার্তি ক্রেস্পি। যদিও কাসিম আইদারার নেতৃত্বে চেন্নাই আক্রমণকে রুখে দেন কমলপ্রীত, আশিকরা। এ দিন রালতের বদলে লাল হলুদ গোল রক্ষার দায়িত্বে ছিলেন মির্শাদ। প্রথম ম্যাচে পরিবর্তন হিসেবে নেমেও অবশ্য বিশেষ কিছু করতে পারেননি ক্রোমা। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে জিতে ৮ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের চার নম্বরে উঠে এল ইস্টবেঙ্গল।