ইস্টবেঙ্গলের হয়ে দুই মরশুম খেলে যাওয়া স্প্যানিশ ফুটবলার হাইমে স‍্যান্টোস কোলাডো ও ফিজিক্যাল ট্রেনার কার্লোস নোদারের সঙ্গে আরও এক মরশুমের জন্য চুক্তি ছিল ইস্ট বেঙ্গলের। কিন্তু লাল-হলুদের সাবেক কর্তারা নতুন মরশুমে তাঁদের দলে রাখতে কোনও উদ্যোগ নেননি। দুজনেই ফিফার কাছে ব্যাপারটি জানিয়ে সমাধান চেয়েছিলেন। মঙ্গলবার বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা চিঠি পাঠিয়ে এসসি ইস্ট বেঙ্গলকে জানিয়ে দেয়, ওই দুজনের সঙ্গে দ্রুত রফা করতে হবে। ফিফার সাফ জানিয়ে দিয়েছে হয় কোলাডো ও নোদারের সঙ্গে হওয়া চুক্তিটিকে সম্মান জানানো হোক, নয়তো তাঁদের এজেন্টের সঙ্গে আলোচনা করে ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পুরো ব্যাপারটি মিটিয়ে নিক ইস্টবেঙ্গল। 

মঙ্গলবার শ্রী সিমেন্ট ইস্টবেঙ্গল ফাউন্ডেশনের এক শীর্ষকর্তাকে এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানিয়েছেন যে তারা লাল-হলুদ কর্তাদের ফিফার চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছেন। কোলাডো ও কার্লোসের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল কোয়েসের আমলে। এর সাথে কোনভাবেই শ্রী সিমেন্ট যুক্ত নন। সমস্যাটি সাবেক কর্তাদেরই দায়িত্ব নিয়ে মেটাতে হবে। তবে প্রয়োজনে ক্লাব যদি সাহায্য চায় তবে ক্লাবের পাশেই থাকবেন তা জানিয়ে দিয়েছেন সেই শীর্ষকর্তা। 

এখনও আইএসএলের বেশ কিছু দল সময় মতো কোচ, সকল বিদেশি ও সাপোর্ট স্টাফ এনে প্র্যাকটিস শুরু করতে পারেনি। দেরিতে ইস্ট বেঙ্গলের সঙ্গে যুক্ত হলেও নির্দিষ্ট সময়ে প্র্যাকটিস শুরু করে করতে পেরেছে শ্রী সিমেন্টের কর্মকর্তারা। বিশেষত আইএসএলের প্রথম ম্যাচেই এটিকে মোহন বাগানের বিরুদ্ধে খেলতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে। তাই, প্রতিযোগিতা শুরুর আগে ফুটবলারদের ওপর যাতে কোনও প্রভাব না পড়ে তাই কোলাডো ও কার্লোসের সঙ্গে ঝামেলা মিটিয়ে নিতে চাইছেন সাবেক কর্তারা।ইতিমধ্যেই করোনা সংক্রমণের পরীক্ষাও শুরু হয়ে গিয়েছে লাল হলুদ শিবিরে। এই মুহূর্তে গোয়ার শিবিরে রয়েছেন ২৮ জন ফুটবলার। চিফ কোচ রবি ফাউলারের সাপোর্ট স্টাফের সংখ্যা ছয়। মঙ্গলবার প্রত্যেকেরই করোনা টেস্ট হয়। প্রত্যেকের ফলই নেগেটিভ। ফলে স্বস্তিতে এসসি ইস্টবেঙ্গল শিবির।