ভয় ছিল তাঁকে নিয়েই। সেই উইলিস প্লাজাই শেষ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলের কাঁটা হয়ে উঠলেন গোয়ার মাঠে। ৯০ মিনিটে নিজের পুরনো দলের বিরুদ্ধে হেডে গোল করে গেলে ক্যারিবিয়ান ফুটবলার। যার জেরে আই লিগে প্রথম হারের মুখ দেখতে হল লাল হলুদ বাহিনীকে। 

এমন নয় যে এ দিন একেবারেই গোলের সুযোগ পাননি এস্পাদা, স্যান্টোসরা। কিন্তু পরের পর সুযোগ হাতছাড়া করলে যা হয়, এ দিন তাই হয়েছে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে। বিশেষত দলের স্প্যানিশ স্ট্রাইকার এস্পাদা দলকে আই লিগে কতখানি ভরসা দেবেন, তা নিয়ে এ দিনের পরে সমর্থকদের মনে আরও প্রশ্ন উঠতে বাধ্য। মাঝমাঠ থেকে জুয়ান মেরা, স্যান্টোসরা বার বার বল সাজিয়ে দিয়েছেন স্বদেশীয় এস্পাদা-কে। কিন্তু প্রত্যেকবারই হতাশ করেছেন তিনি। সহজ সুযোগ নষ্ট করেন দলের অধিনায়ক ডিকাও। এছাড়াও দু' অর্ধে দু' বার পোস্টে লাগে ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের গোলমুখী শট। ফলে এ দিন ভাগ্যও সহায় ছিল না লাল- হলুদের। এ দিন অবশ্য গোলে দুরন্ত খেলেন ইস্টবেঙ্গল গোলকিপার রালতে। বেশ কয়েকবার অনিবার্য গোল বাঁচান তিনি। নাহলে অনেক আগেই হয়তো খেলার ফয়সালা হয়ে যেত। 

দু' দলের মধ্যে শেষ পর্যন্ত ফারাক গড়ে দিলেন সেই প্লাজাই। নব্বই মিনিট পর্যন্ত তাঁকে চোখে চোখে রেখেছিলেন ক্রেসপি, মেহতাবরা। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটেই ক্রেসপি-কে ফাঁকি দিয়ে হেডে গোল করে যান প্লাজা। সেই গোল আর শোধ করতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের সেরাও হয় ক্যারিবিয়ান ফুটবলারটি। 

জানুয়ারির ট্রান্সফার উইনডো-তে সুযোগ থাকলেও কোনও বিদেশিকে বদলাননি ইস্টবেঙ্গল কোচ আলেজান্দ্রো মেনেন্দেস। দলের স্প্যানিশ স্ট্রাইকার এস্পাদা-র উপরে এখনও অগাধ আস্থা তাঁর। কিন্তু এ ভাবে গোলের সুযোগ নষ্ট আর শেষ মুহূর্তে গোল খেয়ে পয়েন্ট হারালে গত বছরের হতাশাই যে ফিরে আসতে পারে, তা ভালই জানেন ইস্টবেঙ্গলের স্প্যানিশ কোচ।