রোগ-ভোগেই কেটেছিল শেষের দিনগুলি, তাপস পালের অসুস্থতা নিয়ে মুখ খুলল পরিবার

First Published 18, Feb 2020, 11:58 AM IST

৬১ বছর বয়সেই মৃত্যু কারল টলিউড অভিনেতা তাপস পালকে। প্রথম জীবনে যে মানুষটা রঙিন পর্দায় একাধিক চরিত্রে মানুষের মন জয় করতেন, সেই তাপস পালেরই জীবনের শেষ কটা দিন কেটেছিল নানা উত্থান পত্তনের মধ্যে দিয়ে। শরীর স্বাস্থ্যে ধরছিল ভাঙন। পাশে ছিল কেবলই পরিবার। ফিরে দেখা অভিনেতার জীবনের শেষ কটা দিন। 

২০১৬ সালে রোজভ্যালি কাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছিলেন তাপস পাল। ভাগ্যের চাকা ঘুরে ছিল তখন থেকেই।

২০১৬ সালে রোজভ্যালি কাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছিলেন তাপস পাল। ভাগ্যের চাকা ঘুরে ছিল তখন থেকেই।

তেরো মাস পর জামিন পেয়েছিলেন তিনি। মুক্তির মুখেই হাসপাতালে ভর্তি হন তাপস পাল।

তেরো মাস পর জামিন পেয়েছিলেন তিনি। মুক্তির মুখেই হাসপাতালে ভর্তি হন তাপস পাল।

তখনই শরীরে বাসা বেঁধেছিল একাধিক রোগ। তালিকা ছিল বিস্তর। চিকিৎসা শুরু হয়। শরীরে একাধিক নার্ভ কাজ করা বন্ধ করে দেয়।

তখনই শরীরে বাসা বেঁধেছিল একাধিক রোগ। তালিকা ছিল বিস্তর। চিকিৎসা শুরু হয়। শরীরে একাধিক নার্ভ কাজ করা বন্ধ করে দেয়।

সেখান থেকেই ক্রমেই শরীর ভাঙতে শুরু করে। বারবার হাসপাতাল মুখো হয়েছিলেন অভিনেতা।

সেখান থেকেই ক্রমেই শরীর ভাঙতে শুরু করে। বারবার হাসপাতাল মুখো হয়েছিলেন অভিনেতা।

শেষের দিকে মাথাতেও সমস্যা তৈরি হয়। শেষ কটা দিন কেটেছিল তাঁর রোগ ভোগেই। পরিবারের পক্ষ থেকে তেমনটাই জানানো হয়।

শেষের দিকে মাথাতেও সমস্যা তৈরি হয়। শেষ কটা দিন কেটেছিল তাঁর রোগ ভোগেই। পরিবারের পক্ষ থেকে তেমনটাই জানানো হয়।

দীর্ঘদিন ধরে স্নায়ু রোগে ভুগছিলেন তাপস পাল। সমস্যা হত কথা বলতে, চলা ফেরা করতে।

দীর্ঘদিন ধরে স্নায়ু রোগে ভুগছিলেন তাপস পাল। সমস্যা হত কথা বলতে, চলা ফেরা করতে।

১ ফেব্রুয়ারী হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। মুম্বইয়ের বান্দ্রা হাসপাতালে ছিলেন তিনি। রাখা হয় তাঁকে ভেন্টিলেশনে।

১ ফেব্রুয়ারী হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। মুম্বইয়ের বান্দ্রা হাসপাতালে ছিলেন তিনি। রাখা হয় তাঁকে ভেন্টিলেশনে।

৬ ফেব্রুয়ারি তাঁকে ভেন্টিলেশন থেকে বের করা হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি আবারও অসুস্থ হয়ে পরেন তিনি। মঙ্গলবার ভোর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তাপস পাল।

৬ ফেব্রুয়ারি তাঁকে ভেন্টিলেশন থেকে বের করা হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি আবারও অসুস্থ হয়ে পরেন তিনি। মঙ্গলবার ভোর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তাপস পাল।

loader