রহস্য-রোমাঞ্চে ভরপুর গোটা বছর, রইল সেরা ৫ বাংলা ছবির তালিকা

First Published 23, Dec 2019, 1:35 PM IST

হাতে আর মাত্র কয়েকদিন। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে বড়দিনের উৎসব। ২০১৯ শেষ হতে আর খুব বেশি দেরি নেই। আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। সারা বছরের সেরা কাজগুলোর স্মৃতিচারণের আসল সময় হল এটা। প্রত্যেক অভিনেতারাই নিজেদের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে নিজেদের ছাপ ফেলেছেন। কিন্তু টক্করে কে এগিয়ে গেলেন আর কোনও ছবিই পেল সেরার শিরোপা। সেটা জানার আগ্রহ রয়েছে প্রত্যেকেরই। বছরের শেষে টলিউডের সেরা ছবির তালিকায় রয়েছে কোন কোন সিনেমা, দেখে নিন একঝলকে।

প্রোফেসর শঙ্কু ও এল্ ডোরাডোঃ অবশেষে অপেক্ষার অবসান। বহু প্রতীক্ষার পর সত্যজিতের বইয়ের পাতা থেকে 'শঙ্কু' জীবন্ত হল সিনেমার পর্দায়। সন্দীপ রায়ের পরিচালনায় ছবি  নিয়ে বহু প্রত্যাশার সৃষ্টি হয়েছিল দর্শকমনে। শঙ্কু নামটার সঙ্গেই যেন বাঙালির নস্ট্যালজিয়া জড়িয়ে রয়েছে। তার উপর আবার ক্রিসমাস। ক্রিসমাস মানেই কেকের সুগন্ধ, আলোর রোশনাই, মোমবাতি আলো, তার তার সঙ্গে শঙ্কু যেন এক জমাটি কম্বিনেশন। বাংলা ছবিতে গোয়েন্দাদের ভিড়ে শঙ্কুর মতো সায়েন্স ফিকশন ব্যতিক্রমও বটে। ইতিমধ্যেই ডোরাডো অভিযানের সাক্ষী হয়েছে দর্শক। শঙ্কুর চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে অসাধারণ অভিনয় করেছেন ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়। অসাধারণ গ্রাফিক্সে ভরপুর বাংলা ও ইংরাজি দুটো ভাষাতেই মুক্তি পেয়েছে এই ছবি। পরিচালক সন্দীপ রায় বরাবরই ফেলুদা উপহার দিয়েছেন দর্শককে। এইবারে নয়া সংযোজন প্রোফেসর শঙ্কু ও এল্ ডোরাডো।

প্রোফেসর শঙ্কু ও এল্ ডোরাডোঃ অবশেষে অপেক্ষার অবসান। বহু প্রতীক্ষার পর সত্যজিতের বইয়ের পাতা থেকে 'শঙ্কু' জীবন্ত হল সিনেমার পর্দায়। সন্দীপ রায়ের পরিচালনায় ছবি নিয়ে বহু প্রত্যাশার সৃষ্টি হয়েছিল দর্শকমনে। শঙ্কু নামটার সঙ্গেই যেন বাঙালির নস্ট্যালজিয়া জড়িয়ে রয়েছে। তার উপর আবার ক্রিসমাস। ক্রিসমাস মানেই কেকের সুগন্ধ, আলোর রোশনাই, মোমবাতি আলো, তার তার সঙ্গে শঙ্কু যেন এক জমাটি কম্বিনেশন। বাংলা ছবিতে গোয়েন্দাদের ভিড়ে শঙ্কুর মতো সায়েন্স ফিকশন ব্যতিক্রমও বটে। ইতিমধ্যেই ডোরাডো অভিযানের সাক্ষী হয়েছে দর্শক। শঙ্কুর চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে অসাধারণ অভিনয় করেছেন ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়। অসাধারণ গ্রাফিক্সে ভরপুর বাংলা ও ইংরাজি দুটো ভাষাতেই মুক্তি পেয়েছে এই ছবি। পরিচালক সন্দীপ রায় বরাবরই ফেলুদা উপহার দিয়েছেন দর্শককে। এইবারে নয়া সংযোজন প্রোফেসর শঙ্কু ও এল্ ডোরাডো।

মিতিন মাসিঃ সুচিত্রা ভট্টাচার্যের 'হাতে মাত্র তিনটে দিন' উপন্যাস  অবলম্বনে অরিন্দম শীলের ছবি 'মিতিন মাসি'। শিশু কিশোর থেকে শুরু করে  প্রাপ্তবয়স্ক পাঠক, সকলের কাছেই গ্রহণযোগ্যতা  এবং ভালবাসা কুড়িয়েছে এই ছবি। এবার বিশ্বভ্রমণে বেরোলেন প্রজ্ঞাপারমিতা মুখোপাধ্যায় ওরফে মিতিন মাসি।  ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ফেস্টিভ্যালে দেখানো হয়েছে 'মিতিন মাসি'। দীর্ঘদিন পর সিনেমায় কামব্যাক করেই মিতিন মাসির চরিত্রে ফাটিয়ে অভিনয় করেছেন কোয়েল মল্লিক। ছাড়া ছবির অন্যান্য চরিত্ররাও যোগ্য সঙ্গত দিয়েছেন।শিশু কিশোর থেকে শুরু করে  প্রাপ্তবয়স্ক পাঠক, সকলের কাছেই গ্রহণযোগ্যতা  এবং ভালবাসা কুড়িয়েছে এই ছবি।

মিতিন মাসিঃ সুচিত্রা ভট্টাচার্যের 'হাতে মাত্র তিনটে দিন' উপন্যাস অবলম্বনে অরিন্দম শীলের ছবি 'মিতিন মাসি'। শিশু কিশোর থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক পাঠক, সকলের কাছেই গ্রহণযোগ্যতা এবং ভালবাসা কুড়িয়েছে এই ছবি। এবার বিশ্বভ্রমণে বেরোলেন প্রজ্ঞাপারমিতা মুখোপাধ্যায় ওরফে মিতিন মাসি। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ফেস্টিভ্যালে দেখানো হয়েছে 'মিতিন মাসি'। দীর্ঘদিন পর সিনেমায় কামব্যাক করেই মিতিন মাসির চরিত্রে ফাটিয়ে অভিনয় করেছেন কোয়েল মল্লিক। ছাড়া ছবির অন্যান্য চরিত্ররাও যোগ্য সঙ্গত দিয়েছেন।শিশু কিশোর থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক পাঠক, সকলের কাছেই গ্রহণযোগ্যতা এবং ভালবাসা কুড়িয়েছে এই ছবি।

ভিঞ্চি দাঃ সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত 'ভিঞ্চি দা' এই মরশুমের সেরা চলচ্চিত্রের  তকমা পেয়েছে। 'দ্য আর্ট অফ রিভেঞ্জ, দ্য রিভেঞ্জ অফ আর্ট' কথাটির মধ্যেই যেন আক্ষরিক অর্থটা লুকিয়ে রয়েছে। প্রেমের মরশুমে ভালবাসা ছাড়াও মানুষের আর এক প্রখর অনুভূতিকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন সৃজিত। ছবির মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছিল ঋত্বিক চক্রবর্তী ও রুদ্রনীল ঘোষ। এছাড়াও ছিলেন সোহিনী সরকার, অনির্বাণ ভট্টাচার্য। প্রত্যেকেই দারুণ অভিনয় করেছিলেন। বাংলা চলচ্চিত্রের দুই কাল্ট অভিনেতা  ঋত্বিক  ও রুদ্রনীল যেন অন্য মাত্রা  দিয়েছিলেন ছবিটিকে। ছবির প্রস্থেটিক মেক আপও অভিনয়ের পাশাপাশি যোগ্য সঙ্গত দিয়েছে।

ভিঞ্চি দাঃ সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত 'ভিঞ্চি দা' এই মরশুমের সেরা চলচ্চিত্রের তকমা পেয়েছে। 'দ্য আর্ট অফ রিভেঞ্জ, দ্য রিভেঞ্জ অফ আর্ট' কথাটির মধ্যেই যেন আক্ষরিক অর্থটা লুকিয়ে রয়েছে। প্রেমের মরশুমে ভালবাসা ছাড়াও মানুষের আর এক প্রখর অনুভূতিকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন সৃজিত। ছবির মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছিল ঋত্বিক চক্রবর্তী ও রুদ্রনীল ঘোষ। এছাড়াও ছিলেন সোহিনী সরকার, অনির্বাণ ভট্টাচার্য। প্রত্যেকেই দারুণ অভিনয় করেছিলেন। বাংলা চলচ্চিত্রের দুই কাল্ট অভিনেতা ঋত্বিক ও রুদ্রনীল যেন অন্য মাত্রা দিয়েছিলেন ছবিটিকে। ছবির প্রস্থেটিক মেক আপও অভিনয়ের পাশাপাশি যোগ্য সঙ্গত দিয়েছে।

গুমনামিঃ ২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলা রহস্যধর্মী ছবিগুলির মধ্যে একটি ছবি হল 'গুমনামী'। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে গুমনামি বাবার কাহিনি অবলম্বনে এই ছবিটি নির্মাণ করেছিলেন সৃজিত। গুমনামি বাবাই কি নেতাজি? তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিভিন্ন মতামত রয়েছে। সাধারণ মানুষেরও তা নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই। ছবির মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ছবির প্রস্থেটিক মেক আপে নজর কেড়েছিলেন তিনি।

গুমনামিঃ ২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলা রহস্যধর্মী ছবিগুলির মধ্যে একটি ছবি হল 'গুমনামী'। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে গুমনামি বাবার কাহিনি অবলম্বনে এই ছবিটি নির্মাণ করেছিলেন সৃজিত। গুমনামি বাবাই কি নেতাজি? তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিভিন্ন মতামত রয়েছে। সাধারণ মানুষেরও তা নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই। ছবির মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ছবির প্রস্থেটিক মেক আপে নজর কেড়েছিলেন তিনি।

দুর্গেশগড়ের গুপ্তধনঃ ধ্রুব বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত 'দুর্গেশগড়ের গুপ্তধন' ছবিটিও সুপারহিট ছবির তকমা পেয়েছে। 'দুর্গেশগড়ের গুপ্তধন' যেন বাংলার ফেলে আসা ইতিহাস এবং প্রাচীন স্থাপত্যের চোখধাঁধানো গুপ্তধন। ছোটবেলার গরমের ছুটির ছেলেবেলার স্বাদ যেন মুহূর্তে মনে পড়ে যাবে এই ছবি দেখে। তার উপর ছবির মুখ্য চরিত্রে আবীর চট্টোপাধ্যায়। ছবির মূল টিআরপি-র শীর্ষে রয়েছেন তিনি। মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই বক্সঅফিসেও দাঁপিয়ে বেড়িয়েছে এই ছবি।

দুর্গেশগড়ের গুপ্তধনঃ ধ্রুব বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত 'দুর্গেশগড়ের গুপ্তধন' ছবিটিও সুপারহিট ছবির তকমা পেয়েছে। 'দুর্গেশগড়ের গুপ্তধন' যেন বাংলার ফেলে আসা ইতিহাস এবং প্রাচীন স্থাপত্যের চোখধাঁধানো গুপ্তধন। ছোটবেলার গরমের ছুটির ছেলেবেলার স্বাদ যেন মুহূর্তে মনে পড়ে যাবে এই ছবি দেখে। তার উপর ছবির মুখ্য চরিত্রে আবীর চট্টোপাধ্যায়। ছবির মূল টিআরপি-র শীর্ষে রয়েছেন তিনি। মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই বক্সঅফিসেও দাঁপিয়ে বেড়িয়েছে এই ছবি।

loader