১৯৪২ লাভ স্টোরি, কেন বলিউডের বিখ্যাত রোম্যান্টিক ছবি করতে নারাজ ছিলেন অনিল কাপুর

First Published 1, Nov 2020, 11:05 AM

১৯৪২ লাভ স্টোরি, যার গান থেকে শুরু করে, ছবির সংলাপ, দৃশ্য ও গল্প, সবই গড়েছে ইতিহাস, সেই ছবির প্রস্তাবই বারে বারে ফিরিয়েছিলেন অনিল কাপুর। চেয়েছিলেন ছবিটি অন্য কেউ করুক। নানা জনকে প্রস্তাবও দিয়েছিলেন, কেন জানেন- 

<p>অনিল কাপুরের জীবনের সব থেকে সেরা ছবি ১৯৪২ এ লাভ স্টোরি, কিন্তু সেই ছবিই করতে নারাজ ছিলেন অভিনেতা। সাফ জানিয়েছিলেন, তাঁর পক্ষে করা সম্ভব নয়।&nbsp;</p>

অনিল কাপুরের জীবনের সব থেকে সেরা ছবি ১৯৪২ এ লাভ স্টোরি, কিন্তু সেই ছবিই করতে নারাজ ছিলেন অভিনেতা। সাফ জানিয়েছিলেন, তাঁর পক্ষে করা সম্ভব নয়। 

<p style="text-align: justify;">গল্প শুনেই মুগ্ধ হয়েছিলেন অনিল কাপুর। আর ঠিক সেটাই ছিল কারণ, ছবি না করার। তিনি জানিয়েছিলেন &nbsp;এই গল্পে তাঁকে মানাবে না।&nbsp;</p>

গল্প শুনেই মুগ্ধ হয়েছিলেন অনিল কাপুর। আর ঠিক সেটাই ছিল কারণ, ছবি না করার। তিনি জানিয়েছিলেন  এই গল্পে তাঁকে মানাবে না। 

<p style="text-align: justify;">বিশেষ করে রোম্যান্টিক দৃশ্যের জন্য। তিনি খুব একটা রোম্যান্টিক ছবি করেন না। সেভাবে তাঁকে রোম্যান্টিক হিরো হিসেবে দর্শকেরা পাননি সেভাবে।&nbsp;</p>

বিশেষ করে রোম্যান্টিক দৃশ্যের জন্য। তিনি খুব একটা রোম্যান্টিক ছবি করেন না। সেভাবে তাঁকে রোম্যান্টিক হিরো হিসেবে দর্শকেরা পাননি সেভাবে। 

<p>পাশাপাশি গল্পে এমন এক পুরুষের প্রয়োজন যিনি এভারগ্রিন, লাভ সাগাতে যাঁর উপস্থিতিই যথেষ্ট। কিন্তু ততদিনে অনিল কাপুর বাবা হয়ে গিয়েছেন।&nbsp;</p>

পাশাপাশি গল্পে এমন এক পুরুষের প্রয়োজন যিনি এভারগ্রিন, লাভ সাগাতে যাঁর উপস্থিতিই যথেষ্ট। কিন্তু ততদিনে অনিল কাপুর বাবা হয়ে গিয়েছেন। 

<p>তিনি আরও জানান, শরীরের গড়নেরও ছিল সমস্যা, তাই একের পর এক পরিচালক, প্রযোজকেরা এসে অনুরোধ করলেও তিনি তা করতে চাননি।&nbsp;</p>

তিনি আরও জানান, শরীরের গড়নেরও ছিল সমস্যা, তাই একের পর এক পরিচালক, প্রযোজকেরা এসে অনুরোধ করলেও তিনি তা করতে চাননি। 

<p>ছবির প্রস্তাব দিয়েছিলেন নানা অভিনেতাকে, বুঝিয়েছিলেন ছবিটা করার জন্য। কিন্তু পরবর্তী কোনও রাস্তা না পেয়ে বাধ্য হয়ে ছবিটা করতে হয় তাঁকে।&nbsp;</p>

ছবির প্রস্তাব দিয়েছিলেন নানা অভিনেতাকে, বুঝিয়েছিলেন ছবিটা করার জন্য। কিন্তু পরবর্তী কোনও রাস্তা না পেয়ে বাধ্য হয়ে ছবিটা করতে হয় তাঁকে। 

<p>পাল্টাতে হয় লুক, চুলের ছাঁট, পাশাপাশি চেহারাও করতে হয় ছিমছাম, যাতে তা দেখেই দর্শক মনে এক সতেজ প্রেমের অনুভুতি আসে।&nbsp;</p>

পাল্টাতে হয় লুক, চুলের ছাঁট, পাশাপাশি চেহারাও করতে হয় ছিমছাম, যাতে তা দেখেই দর্শক মনে এক সতেজ প্রেমের অনুভুতি আসে। 

<p>পরবর্তীতে অনিল কাপুর জানিয়েছিলেন, এই ছবি তাঁর কাছে স্মৃতি হয়ে রয়ে গিয়েছে, অক্লান্ত পরিশ্রম করে চরিত্র ফুঁটিয়ে তুলেছিলেন তিনি, ছবিটা না করলে আফসোশ থেকেই যেত।&nbsp;</p>

পরবর্তীতে অনিল কাপুর জানিয়েছিলেন, এই ছবি তাঁর কাছে স্মৃতি হয়ে রয়ে গিয়েছে, অক্লান্ত পরিশ্রম করে চরিত্র ফুঁটিয়ে তুলেছিলেন তিনি, ছবিটা না করলে আফসোশ থেকেই যেত।