19

বলি অভিনেত্রী জিনাত আমান  (Zeenat Aman), যার কোমরের ঠুমকায় কেঁপেছে আসমুদ্র হিমাচল। আর ডি বর্মনের সুরে ' দম মারো দম' গানে বলি ইতিহাসে আইকনিক হয়ে যায় জিনাত আমান। তারপর থেকে একের পর এক ছবি করে বলিউডে নিজের জায়গা পাকিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। 

Subscribe to get breaking news alerts

29


 সালটা  ১৯৭০। মিস এশিয়া প্যাসিফিক-এ বিজয়ী হয়েছিলেন জিনাত আমন  (Zeenat Aman) । তারপরই পুরোপুরি ভাবে সাংবাদিকতা ছেড়ে চলে আসেন বি-টাউনে। কেরিয়ার শুরুতেই বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল  জিনাতের দুটি ছবি। 

39

ছবি ফ্লপ হতেই জিনাত ভেবেছিলেন অভিনয় ছেড়ে দিয়ে পরিবারের কাছে চলে যাবেন। তারপরই একটা ফোনকলেই বদলে গিয়েছিল জিনাতের জীবন  (Zeenat Aman) । স্বমহিমায়   'হরে কৃষ্ণ হরে নাম' সিনেমায় চমকে দিয়েছিলেন জিনাত আমন। আর এই ছবিই যেন তাকে সুপারস্টারের আসনে বসিয়ে দিয়েছিল। 

49


বিনোদনের জগতে আশা মাত্রই স্টাইল আর ফ্যাশনের নতুন সংজ্ঞা দিয়েছিলেন তিনি। সবাইকে খুশি করতে গিয়ে নিজের দাম্পত্য জীবনেই সবচেয়ে অখুশী ছিলেন জিনাত  (Zeenat Aman)। দীর্ঘ ১২ বছরে একদিনও সুখ খুঁজে পাননি অভিনেত্রী, আজও আফসোস জিনাত আমনের।

59


একটা সময়ে গোটা বলিউড যার নেশায় মেতে থাকত, দর্শকরা যাকে দেখার জন্য বুঁদ হয়ে থাকতে সেই মানুষটিই কিনা ১২ বছর অন্ধকার জীবনে কাটিয়েছেন। রূপোলি পর্দার মতোই ছিল তার ব্যক্তিগত জীবন (Zeenat Aman)।

69


জনপ্রিয় অভিনেত্রী জিনাত আমনের (Zeenat Aman) অন্দরমহলটি ছিল অন্ধকারে পরিপূর্ণ। অভিনেত্রী জিনাত আমন নিজের জীবনটাকে একটি সুরঙ্গের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন যার শেষে কোনও আলো নেই।

79

সিমি গারেওয়ালের এক সাক্ষাৎকারে জিনাত আমন (Zeenat Aman) জানিয়েছিলেন মজহর খানের সঙ্গে তার দাম্পত্যের কাহিনি। মজহর কখনও আমাকে  অভিনেত্রী কিংবা মানুষ হিসেব তৈরি করতে দেননি। ও সবর্দাই চাইত আমি বাড়িতে থেকে সন্তানদের মানুষ করি। 

89

জিনাত আমন বলেছেন, বিয়ের একবছর পর থেকেই জিনাত (Zeenat Aman)  বুঝতে পারেন , তিনি ফের জীবনের অঙ্কের হিসেবে ফুল করে ফেলেছেন। সবটা ভুল জেনেও তবুও দাম্পত্য থেকে বেরিয়ে যেতে চাননি লাস্যময়ী জিনাত। 

99


দীর্ঘ ১২ বছর মজহর খানের সঙ্গে সংসার করেছিলেন 'সত্যম শিবম সুন্দরম' নায়িকা (Zeenat Aman) । তবে দীর্ঘ ১২ বছরের দাম্পত্য একটা এমন দিনের কথা মনে পড়ে না যেই দিনটায় আনন্দ কিংবা সুখ খুঁজে পেয়েছি।