সর্বশেষ গবেষণায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য, ৬ রকমের করোনাভাইরাসের অস্তিত্বের কথা বললেন বিজ্ঞানীরা

First Published 20, Jul 2020, 8:15 PM

করোনা মহামারী সারা দুনিয়াকে ছেয়ে ফেলেছে।  দাবানলের মতো পৃথিবীর ২১০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই মারণ ভাইরাস। পৃথিবীরএক কোটি ৩২ লক্ষেরও বেশি মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত। এখনও পর্যন্ত ৫ লক্ষ ৭৬ হাজারেরও অধিক মৃত্যু হয়েছে। যা পরিস্থিতি তাতে মনে হচ্ছে করোনা আজকাল মৃত্যুর এক হোলি খেলায় মেতে উঠেছে। এর শেষ কোথায় গিয়ে ঠেকবে তা সঠিক করে কোন বিশেষজ্ঞই বলতে পারছেন  না। এই অবস্থায় ৬ রকমের করোনাভাইরাসের অস্তিত্বের সন্ধান দিলেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা। লন্ডনে কিংস কলেজের বিজ্ঞানীরা বলছেন, তারা ছয় ধরনের কোভিড-১৯ রোগের সন্ধান পেয়েছেন। ভিন্ন ভিন্ন উপসর্গ দিয়ে তারা এগুলোকে আলাদা করেছেন।

<p><strong>বিশ্বকে ৬ রকমের করোনাভাইরাসের অস্তিত্বের সন্ধান দিলেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা। গত মার্চ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত  ব্রিটেন, আমেরিকা ও সুইডেনের কোভিড সিমটমস স্টাডি অ্যাপ ব্যবহারকারীদের থেকে তথ্য নিয়ে ৬ রকমের করোনাভাইরাসের অস্তিত্বের ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা।</strong></p>

বিশ্বকে ৬ রকমের করোনাভাইরাসের অস্তিত্বের সন্ধান দিলেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা। গত মার্চ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত  ব্রিটেন, আমেরিকা ও সুইডেনের কোভিড সিমটমস স্টাডি অ্যাপ ব্যবহারকারীদের থেকে তথ্য নিয়ে ৬ রকমের করোনাভাইরাসের অস্তিত্বের ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা।

<p style="text-align: justify;"><strong>পাশাপাশি গবেষকরা লন্ডনের বিভিন্ন হাসপাতালে ওই সময় চিকিৎসাধীন করোনা রোগীদেরও পর্যবেক্ষণ করেছেন। তারপরেই ৬ রকমের করোনাভাইরাস ও তাদের বিভিন্ন উপসর্গগুলির সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন।</strong></p>

পাশাপাশি গবেষকরা লন্ডনের বিভিন্ন হাসপাতালে ওই সময় চিকিৎসাধীন করোনা রোগীদেরও পর্যবেক্ষণ করেছেন। তারপরেই ৬ রকমের করোনাভাইরাস ও তাদের বিভিন্ন উপসর্গগুলির সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন।

<p style="text-align: justify;"><br />
<strong>গবেষকদের এই দলটি দেখেছেন যে, একেক ধরনের রোগে সংক্রমণের তীব্রতা একেক রকমের। এসব থেকে বোঝা যায়, শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণে কার কী ধরনের সাহায্যের প্রয়োজন।</strong></p>


গবেষকদের এই দলটি দেখেছেন যে, একেক ধরনের রোগে সংক্রমণের তীব্রতা একেক রকমের। এসব থেকে বোঝা যায়, শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণে কার কী ধরনের সাহায্যের প্রয়োজন।

<p><br />
<strong>১. ফ্লুর মতো কিন্তু জ্বর থাকে না আক্রান্তদের। বরং  মাথা ব্যথা, গন্ধ না পাওয়া, পেশীতে ব্যথা, কাশি, গলা ব্যথা, বুকে ব্যথার মত উপসর্গ দেখা যায়</strong></p>


১. ফ্লুর মতো কিন্তু জ্বর থাকে না আক্রান্তদের। বরং  মাথা ব্যথা, গন্ধ না পাওয়া, পেশীতে ব্যথা, কাশি, গলা ব্যথা, বুকে ব্যথার মত উপসর্গ দেখা যায়

<p><strong>২. এই ক্ষেত্রে ফ্লুর মতো সঙ্গে  জ্বর থাকে।  এক্ষেত্রে উপসর্গ হিসাবে থাকে মাথা ব্যথা, গন্ধ না পাওয়া, কাশি, গলা ব্যথা, গলা ভাঙা, জ্বর, ক্ষুধা নষ্ট হয়ে যাওয়া।</strong></p>

২. এই ক্ষেত্রে ফ্লুর মতো সঙ্গে  জ্বর থাকে।  এক্ষেত্রে উপসর্গ হিসাবে থাকে মাথা ব্যথা, গন্ধ না পাওয়া, কাশি, গলা ব্যথা, গলা ভাঙা, জ্বর, ক্ষুধা নষ্ট হয়ে যাওয়া।

<p><strong>৩. করোনার তৃতীয় ধরণ হল গ্যাস্ট্রোইনটেসটিনাল । এক্ষেত্রে উরসর্গগুলি হল  মাথা ব্যথা, গন্ধ না পাওয়া, ক্ষুধা নষ্ট হয়ে যাওয়া, ডায়রিয়া, গলা ব্যথা, বুকে ব্যথা। তবে এক্ষেত্রে আক্রান্তদের সর্দি- কাশির মতো সমস্যা থাকে না।</strong></p>

৩. করোনার তৃতীয় ধরণ হল গ্যাস্ট্রোইনটেসটিনাল । এক্ষেত্রে উরসর্গগুলি হল  মাথা ব্যথা, গন্ধ না পাওয়া, ক্ষুধা নষ্ট হয়ে যাওয়া, ডায়রিয়া, গলা ব্যথা, বুকে ব্যথা। তবে এক্ষেত্রে আক্রান্তদের সর্দি- কাশির মতো সমস্যা থাকে না।

<p><strong>৪. করোনাভাইরাসের চতুর্থটির ক্ষেত্রে লক্ষণগুলি হল  ক্লান্তি ও দুর্বলতা,  মাথা ব্যথা, গন্ধ না পাওয়া, কাশি, জ্বর, গলা ভাঙা, বুকে ব্যথা, ক্লান্তি ও দুর্বলতা।</strong></p>

৪. করোনাভাইরাসের চতুর্থটির ক্ষেত্রে লক্ষণগুলি হল  ক্লান্তি ও দুর্বলতা,  মাথা ব্যথা, গন্ধ না পাওয়া, কাশি, জ্বর, গলা ভাঙা, বুকে ব্যথা, ক্লান্তি ও দুর্বলতা।

<p><br />
<strong>৫. গুরুতর মাত্রার বিচারে এই করনোা সংক্রমণটি অন্যতম। এর উপসর্গগুলি হল বিভ্রান্তি, মাথা ব্যথা, ঘ্রাণশক্তি কাজ না করা , ক্ষুধা নষ্ট হয়ে যাওয়া, কাশি, জ্বর, গলা ভাঙা, গলা ব্যথা, বুকে ব্যথা, ক্লান্তি ও দুর্বলতা, পেশীতে ব্যথা।</strong></p>


৫. গুরুতর মাত্রার বিচারে এই করনোা সংক্রমণটি অন্যতম। এর উপসর্গগুলি হল বিভ্রান্তি, মাথা ব্যথা, ঘ্রাণশক্তি কাজ না করা , ক্ষুধা নষ্ট হয়ে যাওয়া, কাশি, জ্বর, গলা ভাঙা, গলা ব্যথা, বুকে ব্যথা, ক্লান্তি ও দুর্বলতা, পেশীতে ব্যথা।

<p><br />
<strong>৬. ছয় নম্বর করোনা সংক্রমণটিতে  পেট ও শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত  সমস্যা দেখা দেয়। এর লক্ষণগুলি হল  মাথা ব্যথা, ঘ্রাণশক্তি কাজ না করা , ক্ষুধা নষ্ট হয়ে যাওয়া, কাশি, জ্বর, গলা ভাঙা, গলা ব্যথা, বুকে ব্যথা, ক্লান্তি ও দুর্বলতা, বিভ্রান্তি, পেশীতে ব্যথা, শ্বাস কষ্ট, ডায়রিয়া, পেটে ব্যথা। </strong></p>


৬. ছয় নম্বর করোনা সংক্রমণটিতে  পেট ও শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত  সমস্যা দেখা দেয়। এর লক্ষণগুলি হল  মাথা ব্যথা, ঘ্রাণশক্তি কাজ না করা , ক্ষুধা নষ্ট হয়ে যাওয়া, কাশি, জ্বর, গলা ভাঙা, গলা ব্যথা, বুকে ব্যথা, ক্লান্তি ও দুর্বলতা, বিভ্রান্তি, পেশীতে ব্যথা, শ্বাস কষ্ট, ডায়রিয়া, পেটে ব্যথা। 

loader