রিয়াল মাদ্রিদের লা লিগা জয়ের নেপথ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ

First Published 18, Jul 2020, 2:15 PM

২ বছরের খরা কাটিয়ে অবশেষে লা-লিগা এসেছে সান্তিয়াগো বের্নাবাউ-তে। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই লিগ পকেটে পুরেছেন সার্জিও র‍্যামোস এন্ড কোং। গত মরশুম শুরুর আগে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো চলে যাওয়ায় ল্যাজে-গোবরে হয়েছিল তারা। জিদান ম্যানেজারের দায়িত্বে ফেরার পর থেকে এই মরশুমে নিজেদের অনেকটা গুছিয়ে নিয়েছিল লস ব্ল্যাংকস-রা। দেখে নিন কোন কারণগুলির জন্য লিগ জিততে পারলো গত মরশুমে শোচনীয় ফর্মে থাকা রিয়াল। 
 

<p><strong>জিদানের ম্যান-ম্যানেজমেন্ট-</strong><br />
এবারের মরশুমে কোচ জিনেদিন জিদান  দেখিয়েছেন তার অনবদ্য ম্যান ম্যানেজমেন্ট স্কিল, যা আগে এত সাফল্য পাওয়া কোনও ম্যানেজারকে করতে খুব একটা দেখা যায়নি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলের শক্তিশালী একাদশ অপরিবর্তিত রাখেন। কিন্তু প্রায় প্রতি ম্যাচেই মূল একাদশে পরিবর্তন এনেছেন জিজু। যে কারণে প্রতিপক্ষ মাঠে নেমে মাদ্রিদের স্ট্র্যাটেজি বুঝে উঠতে পারেনি।<br />
 </p>

জিদানের ম্যান-ম্যানেজমেন্ট-
এবারের মরশুমে কোচ জিনেদিন জিদান  দেখিয়েছেন তার অনবদ্য ম্যান ম্যানেজমেন্ট স্কিল, যা আগে এত সাফল্য পাওয়া কোনও ম্যানেজারকে করতে খুব একটা দেখা যায়নি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলের শক্তিশালী একাদশ অপরিবর্তিত রাখেন। কিন্তু প্রায় প্রতি ম্যাচেই মূল একাদশে পরিবর্তন এনেছেন জিজু। যে কারণে প্রতিপক্ষ মাঠে নেমে মাদ্রিদের স্ট্র্যাটেজি বুঝে উঠতে পারেনি।
 

<p><strong>ফরমেশনে পরিবর্তন-</strong><br />
প্রথম একাদশের সাথে সাথে প্রায় প্রতি ম্যাচেই ফরমেশনে পরিবর্তন এনেছেন জিদান। ৪-৩-৩ ফরমেশনে অভ্যস্ত রামোসদের দেখা গেছে ৪-৪-২ তেও খেলতে। কখনও ৪-৫-১ ফরমেশনেও খেলেছেন তারা। আবার প্রয়োজনে ৪-২-৩-১ ছকেও দল সাজিয়েছেন জিদান।<br />
 </p>

ফরমেশনে পরিবর্তন-
প্রথম একাদশের সাথে সাথে প্রায় প্রতি ম্যাচেই ফরমেশনে পরিবর্তন এনেছেন জিদান। ৪-৩-৩ ফরমেশনে অভ্যস্ত রামোসদের দেখা গেছে ৪-৪-২ তেও খেলতে। কখনও ৪-৫-১ ফরমেশনেও খেলেছেন তারা। আবার প্রয়োজনে ৪-২-৩-১ ছকেও দল সাজিয়েছেন জিদান।
 

<p><strong>দুর্দান্ত রক্ষণ-</strong><br />
এবারের লা লিগার রিয়ালের রক্ষণকে সেরা বলে উল্লেখ করেছেন সবাই। রিয়ালের এমন নিখুঁত রক্ষণভাগ আগে চোখে পড়েনি কারও। এ জন্য প্রশংসা পেতে পারে ফেরলান্ড মেন্দি। রিয়ালের রক্ষণের চেহারাই বদলে দিয়েছেন মেন্দি। এতদিন রিয়ালের বাঁ প্রান্তের নিয়মিত সাইড ব্যাক মার্সেলো ঘন ঘন আক্রমণে উঠে গিয়ে দলের রক্ষণে শূন্যস্থান রেখে দিতেন, এবং পরে নেমে এসে তা পূরণ করতে পারতেন না। ফলে চাপ বাড়ত র‍্যামোসের ওপর, প্রতিপক্ষ রক্ষণের এই দুর্বলতা কাজে লাগাত। কিন্তু মেন্দি প্রতিপক্ষদের আর সেই সুযোগ উপহার দেননি।<br />
 </p>

দুর্দান্ত রক্ষণ-
এবারের লা লিগার রিয়ালের রক্ষণকে সেরা বলে উল্লেখ করেছেন সবাই। রিয়ালের এমন নিখুঁত রক্ষণভাগ আগে চোখে পড়েনি কারও। এ জন্য প্রশংসা পেতে পারে ফেরলান্ড মেন্দি। রিয়ালের রক্ষণের চেহারাই বদলে দিয়েছেন মেন্দি। এতদিন রিয়ালের বাঁ প্রান্তের নিয়মিত সাইড ব্যাক মার্সেলো ঘন ঘন আক্রমণে উঠে গিয়ে দলের রক্ষণে শূন্যস্থান রেখে দিতেন, এবং পরে নেমে এসে তা পূরণ করতে পারতেন না। ফলে চাপ বাড়ত র‍্যামোসের ওপর, প্রতিপক্ষ রক্ষণের এই দুর্বলতা কাজে লাগাত। কিন্তু মেন্দি প্রতিপক্ষদের আর সেই সুযোগ উপহার দেননি।
 

<p><strong>ম্যাজিকাল কুর্তুয়া-</strong><br />
ফরোয়ার্ডদের গোলে হয়তো ম্যাচ জেতে দল। কিন্তু গোলরক্ষকদের ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্স টুর্নামেন্ট জেতায় দলকে। এক্ষেত্রে ঠিক সেটাই হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদের সাথে। দলটির গোলরক্ষক থিবো কুর্তুয়া গত বিশ্বকাপের সেরা গোলরক্ষক। গত মরশুমে রিয়ালে যোগ দিয়ে একেবারেই ফর্মে ছিলেন না তিনি। এই মরশুমের শুরুতেও ফর্ম হাতড়ে বেড়াচ্ছিলেন। কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারির সুপার কাপ থেকে বেশ ফর্মে ছিলেন তিনি। মরশুমে ৩৪ ম্যাচে মাত্র ২০ গোল হজম করেছেন এই বেলজিয়ান। প্রতি ম্যাচেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেছেন।<br />
 </p>

ম্যাজিকাল কুর্তুয়া-
ফরোয়ার্ডদের গোলে হয়তো ম্যাচ জেতে দল। কিন্তু গোলরক্ষকদের ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্স টুর্নামেন্ট জেতায় দলকে। এক্ষেত্রে ঠিক সেটাই হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদের সাথে। দলটির গোলরক্ষক থিবো কুর্তুয়া গত বিশ্বকাপের সেরা গোলরক্ষক। গত মরশুমে রিয়ালে যোগ দিয়ে একেবারেই ফর্মে ছিলেন না তিনি। এই মরশুমের শুরুতেও ফর্ম হাতড়ে বেড়াচ্ছিলেন। কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারির সুপার কাপ থেকে বেশ ফর্মে ছিলেন তিনি। মরশুমে ৩৪ ম্যাচে মাত্র ২০ গোল হজম করেছেন এই বেলজিয়ান। প্রতি ম্যাচেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেছেন।
 

<p><strong>রামোসের নেতৃত্ব-</strong><br />
গোটা মরশুমে রিয়ালকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন র‍্যামোস। ডিফেন্ডার র‍্যামোসের ফুটবলজীবনে এটা হয়তো সেরা মরশুম। তার সাথে সাথে দলের প্রয়োজনে আক্রমণে উঠে গোলও করেছেন রিয়াল অধিনায়ক। মরশুমে রিয়ালের প্রধান পেনাল্টি টেকার ছিলেন তিনি এবং যতগুলো পেনাল্টি নিয়েছেন একটিও মিস করেননি তিনি। তার নেতৃত্ব এবং পারফরম্যান্স লিগ জয়ে বড় ভূমিকা নিয়েছে রিয়ালের।<br />
 </p>

রামোসের নেতৃত্ব-
গোটা মরশুমে রিয়ালকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন র‍্যামোস। ডিফেন্ডার র‍্যামোসের ফুটবলজীবনে এটা হয়তো সেরা মরশুম। তার সাথে সাথে দলের প্রয়োজনে আক্রমণে উঠে গোলও করেছেন রিয়াল অধিনায়ক। মরশুমে রিয়ালের প্রধান পেনাল্টি টেকার ছিলেন তিনি এবং যতগুলো পেনাল্টি নিয়েছেন একটিও মিস করেননি তিনি। তার নেতৃত্ব এবং পারফরম্যান্স লিগ জয়ে বড় ভূমিকা নিয়েছে রিয়ালের।
 

<p><strong>বেনজেমার কেরিয়ারের সেরা ফর্ম</strong><br />
র‍্যামোসের সাথে সাথে আর একজনের পারফরম্যান্স অনেক ম্যাচ জিততে সাহায্য করেছে রিয়াল মাদ্রিদকে, তিনি হলেন করিম বেনজেমা। রিয়ালের আক্রমণভাগ একাই টেনেছেন ফরাসি তারকা। এখনও অবধি লিগে ২১ গোল করেছেন। লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় লিওনেল মেসির পরই আছেন করিম বেনজেমা। গোলের সাথে সাথে ভালো কিছু অ্যাসিস্টও ছিল তার। <br />
 </p>

বেনজেমার কেরিয়ারের সেরা ফর্ম
র‍্যামোসের সাথে সাথে আর একজনের পারফরম্যান্স অনেক ম্যাচ জিততে সাহায্য করেছে রিয়াল মাদ্রিদকে, তিনি হলেন করিম বেনজেমা। রিয়ালের আক্রমণভাগ একাই টেনেছেন ফরাসি তারকা। এখনও অবধি লিগে ২১ গোল করেছেন। লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় লিওনেল মেসির পরই আছেন করিম বেনজেমা। গোলের সাথে সাথে ভালো কিছু অ্যাসিস্টও ছিল তার। 
 

<p><strong>একাধিক গোলদাতা-</strong><br />
খেতাব জয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এটিই। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো যতদিন ছিলেন একাই ৪০-৫০ টি গোল করে দিতেন। তার অভাব এখনও মেটাতে পারেনি রিয়াল। বেনজেমার কেরিয়ারের সেরা ফর্মও রোনাল্ডোর রিয়ালে সবচেয়ে খারাপ ফর্মের চেয়ে পিছিয়ে। তবে এবার দলের গোল করায় অবদান রেখেছেন একাধিক ফুটবলার। দলের মোট ২১ খেলোয়াড় লিগে গোল পেয়েছেন। মিডফিল্ডারদের কাছ থেকে এসেছে ১৫ গোল। ডিফেন্ডারদের কাছ থেকে এসেছে ১৬টি। ২১ গোল করেছেন বেনজেমা। পেনাল্টির দায়িত্ব বুঝে নেয়া অধিনায়ক রামোসো ১০-এর বেশি গোল করেছেন। যা লিগ জিততে কার্যকরী ভূমিকা নিয়েছে।</p>

একাধিক গোলদাতা-
খেতাব জয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এটিই। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো যতদিন ছিলেন একাই ৪০-৫০ টি গোল করে দিতেন। তার অভাব এখনও মেটাতে পারেনি রিয়াল। বেনজেমার কেরিয়ারের সেরা ফর্মও রোনাল্ডোর রিয়ালে সবচেয়ে খারাপ ফর্মের চেয়ে পিছিয়ে। তবে এবার দলের গোল করায় অবদান রেখেছেন একাধিক ফুটবলার। দলের মোট ২১ খেলোয়াড় লিগে গোল পেয়েছেন। মিডফিল্ডারদের কাছ থেকে এসেছে ১৫ গোল। ডিফেন্ডারদের কাছ থেকে এসেছে ১৬টি। ২১ গোল করেছেন বেনজেমা। পেনাল্টির দায়িত্ব বুঝে নেয়া অধিনায়ক রামোসো ১০-এর বেশি গোল করেছেন। যা লিগ জিততে কার্যকরী ভূমিকা নিয়েছে।

loader