মোদীর ফিট থাকার রহস্য লুকিয়ে তাঁর ডায়েটে, সামনে এল প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির রান্নাঘরের সিক্রেট

First Published 17, Sep 2020, 9:51 AM

সত্তব বছর পূর্ণ করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। ১৯৫০ সালে তাঁর জন্ম। এমনকি সত্তর বছর বয়সেও কর্ম চঞ্চলতায় তিনি যেন কুড়ি পেরোন টগবগে যুবক। বলা হয়, যেকোন মানুষের স্বভাব অনেকটা তাঁর খাদ্যাভাসের উপর নির্ভর করে। এই বয়সেও মোদীজির ফিট থাকার রহস্য লুকিয়ে রয়েছে তাঁর ডায়েটের মধ্যেই। আর পাঁচজন সন্তানের মত মোদীজিও নিজের মায়ের হাতের রান্না খেতে পছন্দ করেন। তবে গত ২০ বছর ব্যস্ততার কারণে মায়ের সঙ্গে আর সেভাবে থাকা হয় না প্রধানমন্ত্রীর। তাই এখন নিজের রাঁধুনি বদ্রী মীনার রান্নাই খান মোদীজি। বদরি মোদীজির পছন্দ অনুযায়ী রান্না করেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক, কী ধরণের রান্না পছন্দ করেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। 

<p><br />
<strong>বদ্রি মীনা গত কয়েক বছর ধরে প্রধানমন্ত্রী মোদীর জন্য রান্না করছেন। তিনি কেবল মোদীজির রাঁধুনি নন, দীর্ঘদিন তাঁর সঙ্গে থাকার ফলে প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত বন্ধু ও সহচর হয়ে উঠেছেন।&nbsp;</strong></p>


বদ্রি মীনা গত কয়েক বছর ধরে প্রধানমন্ত্রী মোদীর জন্য রান্না করছেন। তিনি কেবল মোদীজির রাঁধুনি নন, দীর্ঘদিন তাঁর সঙ্গে থাকার ফলে প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত বন্ধু ও সহচর হয়ে উঠেছেন। 

<p><strong>গত ২০ বছর ধরে বদ্রি মীনাই ঠিক করেন মোদীজির দৈনিক আহারে কী কী খাবার থাকবে। সেই সঙ্গে খাবার সময় ও তাঁর পরিমাণও নির্দিষ্ট করে দেন বদ্রি।&nbsp;</strong></p>

গত ২০ বছর ধরে বদ্রি মীনাই ঠিক করেন মোদীজির দৈনিক আহারে কী কী খাবার থাকবে। সেই সঙ্গে খাবার সময় ও তাঁর পরিমাণও নির্দিষ্ট করে দেন বদ্রি। 

<p><strong>মোদীজির খাবার রুটিন নিয়ে বদ্রি মীনা জানিয়েছেন, যে তিনি সপ্তাহে তিন দিন খিচুড়ি খান। এছাড়াও মোদীজি গুজরাটি খাবার খেতে পছন্দ করেন।</strong></p>

মোদীজির খাবার রুটিন নিয়ে বদ্রি মীনা জানিয়েছেন, যে তিনি সপ্তাহে তিন দিন খিচুড়ি খান। এছাড়াও মোদীজি গুজরাটি খাবার খেতে পছন্দ করেন।

<p><strong>খিচুড়ি ছাড়াও মোদীজির ডায়েটে ইডলি-সাম্বর,ধোকাল এবং ধোসাও রয়েছে। মোদীজি এই তিনটি দক্ষিণী আইটেমই খুব পছন্দ করেন।</strong></p>

খিচুড়ি ছাড়াও মোদীজির ডায়েটে ইডলি-সাম্বর,ধোকাল এবং ধোসাও রয়েছে। মোদীজি এই তিনটি দক্ষিণী আইটেমই খুব পছন্দ করেন।

<p><strong>জানা যায় প্রধানমন্ত্রী &nbsp;নরেন্দ্র মোদীর রান্নাঘর ১০ থেকে ১২ জন কাজ করেন। বদ্রিজী নিজে সবার কাজ ভাগ করে দেন। এছাড়াও রান্নাঘরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে বাড়তি নজর দেওয়া হয়।</strong></p>

জানা যায় প্রধানমন্ত্রী  নরেন্দ্র মোদীর রান্নাঘর ১০ থেকে ১২ জন কাজ করেন। বদ্রিজী নিজে সবার কাজ ভাগ করে দেন। এছাড়াও রান্নাঘরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে বাড়তি নজর দেওয়া হয়।

<p><strong>বদ্রি মীনের আরও একটি সিক্রেট জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রী মোদী স্বাস্থ্য নিয়ে খুব সচেতন। তাই স্বাস্থ্যকর খাবারের দিকেই মনোনিবেশ করেন। রান্নাঘরে খাবারের স্বাদ থেকে শুরু করে &nbsp; পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সব দিকে তাঁর নজর রয়েছে।</strong></p>

বদ্রি মীনের আরও একটি সিক্রেট জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রী মোদী স্বাস্থ্য নিয়ে খুব সচেতন। তাই স্বাস্থ্যকর খাবারের দিকেই মনোনিবেশ করেন। রান্নাঘরে খাবারের স্বাদ থেকে শুরু করে   পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সব দিকে তাঁর নজর রয়েছে।

<p><strong>এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করতেই হবে, &nbsp;শৈশবে নরেন্দ্র মোদী রান্নাঘরে তাঁর মা হীরাবেনকে সাহায্য তকতেন। তিনি নিজেও রান্না করতে &nbsp;খুব পছন্দ করেন। তবে বর্তমানে ব্যস্ত রুটিনের কারণে আর সেভাবে রান্না করা হয়েনা। ২০০১ সাল থেকে বদ্রি মীনা প্রধানমন্ত্রীর রান্নাঘরের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।</strong></p>

এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করতেই হবে,  শৈশবে নরেন্দ্র মোদী রান্নাঘরে তাঁর মা হীরাবেনকে সাহায্য তকতেন। তিনি নিজেও রান্না করতে  খুব পছন্দ করেন। তবে বর্তমানে ব্যস্ত রুটিনের কারণে আর সেভাবে রান্না করা হয়েনা। ২০০১ সাল থেকে বদ্রি মীনা প্রধানমন্ত্রীর রান্নাঘরের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।

loader