করোনাভাইরাসের থাবায় সংসদের বাদল অধিবেশনেও পড়তে পারে কাঁচি, আক্রান্ত ৩০ সাংসদ

First Published 20, Sep 2020, 12:31 PM

সাংসদদের মধ্যে ক্রমশই বাড়ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। এপর্যন্ত প্রায় ৩০ জনম সাংসাদ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।  আর সেই কথা মাথায় রেখেই চলতি বাদল অধিবেশনে কাটছাঁট করা হতে পারে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে তেমনই আলোচনা। শনিবার সন্ধ্যায় লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বিজনেস অ্যাডভাইসারি কমিটির সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকেই উপস্থিত সদস্যরা অধিবেশনের দিন কমিয়ে আনার বিষয়ে একমত হয়েছেন। 
 

<p><strong>&nbsp;করোনাভাইরাসের কারণে চলতি বাদল অধিবেশেওই কাঁচি পড়তে চলেছে। প্রথমে ঠিক ছিল বাদল অধিবেশন চলবে টানা ১৮ দিন ধরে। কিন্তু সংক্রমণের কারণে তাতে ছেদ পড়তে চলেছে।&nbsp;</strong></p>

 করোনাভাইরাসের কারণে চলতি বাদল অধিবেশেওই কাঁচি পড়তে চলেছে। প্রথমে ঠিক ছিল বাদল অধিবেশন চলবে টানা ১৮ দিন ধরে। কিন্তু সংক্রমণের কারণে তাতে ছেদ পড়তে চলেছে। 

<p><strong>আগামী বুধবার শেষ করা হতে পারে লোকসভার অধিবেশন। &nbsp;শনিবার বিজনেস অ্যাডভাইসারির কমিটির বৈঠক ডেকে ছিলেন স্পিকার ওম বিড়লা। আর সেই বৈঠকেই লোকসভার অধিবেশেনর দিন কমিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।&nbsp;</strong></p>

আগামী বুধবার শেষ করা হতে পারে লোকসভার অধিবেশন।  শনিবার বিজনেস অ্যাডভাইসারির কমিটির বৈঠক ডেকে ছিলেন স্পিকার ওম বিড়লা। আর সেই বৈঠকেই লোকসভার অধিবেশেনর দিন কমিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। 

<p><strong>একটি সূত্র বলছে, চলতি অধিবেশনে প্রায় ৩০ জন সাংসদ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। &nbsp;অধিবেশনের শুরুতে নীতিন গডকরি, প্রহ্লাদ প্যাটেলের মত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা নেগেটিভ ছিলেন। কিন্তু এখন তারা পজেটিভ হয়ে গেছেন।&nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>

একটি সূত্র বলছে, চলতি অধিবেশনে প্রায় ৩০ জন সাংসদ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।  অধিবেশনের শুরুতে নীতিন গডকরি, প্রহ্লাদ প্যাটেলের মত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা নেগেটিভ ছিলেন। কিন্তু এখন তারা পজেটিভ হয়ে গেছেন। 
 

<p><strong>&nbsp;সাংসদের মধ্যে সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ার কারণেই অধিবেশন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তের দিকে এগিয়েছেন স্পিকার। বিএসএর বৈঠকে ১৫ জন উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত বিরোধী দলের সাংসদরাও অধেবেশন সংক্ষিত করার পক্ষেই সওয়াল করেন বলে সূত্রের খবর।&nbsp;</strong></p>

 সাংসদের মধ্যে সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ার কারণেই অধিবেশন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তের দিকে এগিয়েছেন স্পিকার। বিএসএর বৈঠকে ১৫ জন উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত বিরোধী দলের সাংসদরাও অধেবেশন সংক্ষিত করার পক্ষেই সওয়াল করেন বলে সূত্রের খবর। 

<p><strong>সাংসদের মধ্যে ঝুঁকি ক্রমশই বাড়ছে। তাই প্রয়োজনীয় অধ্যাদেশগুলি পাশ করিয়ে চলতি সপ্তাহের শেষেই অধিবেশন মুলতুবি করার দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। কংগ্রেসের দাবিকে সমর্থন করেছে বিজেপি ও ডিএমকে।&nbsp;</strong></p>

সাংসদের মধ্যে ঝুঁকি ক্রমশই বাড়ছে। তাই প্রয়োজনীয় অধ্যাদেশগুলি পাশ করিয়ে চলতি সপ্তাহের শেষেই অধিবেশন মুলতুবি করার দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। কংগ্রেসের দাবিকে সমর্থন করেছে বিজেপি ও ডিএমকে। 

<p><strong>অধিবেশন শেষ করার আগে ১১টি অধ্যাদেশ পাশ করতে চায় কেন্দ্র। ইতিমধ্যেই কৃষি সংক্রান্ত তিনটি বিল পেশ হয়েছে সংসদের উভয় কক্ষে। একটি সূত্র বলছে কৃষি বিল নিয়ে রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।&nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>

অধিবেশন শেষ করার আগে ১১টি অধ্যাদেশ পাশ করতে চায় কেন্দ্র। ইতিমধ্যেই কৃষি সংক্রান্ত তিনটি বিল পেশ হয়েছে সংসদের উভয় কক্ষে। একটি সূত্র বলছে কৃষি বিল নিয়ে রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 
 

<p><strong>&nbsp;তবে সংক্রমণ &nbsp;এড়াতে দুটি শিফটে চলছে রাজ্যসভা আর লোকসভার অধিবেশন। নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব, মাস্কের ব্যবহার সহ একাধিক করোনাভাইরাস স্বাস্থ্য বিধি নিয়ে লাগু করা হয়েছিল।</strong></p>

 তবে সংক্রমণ  এড়াতে দুটি শিফটে চলছে রাজ্যসভা আর লোকসভার অধিবেশন। নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব, মাস্কের ব্যবহার সহ একাধিক করোনাভাইরাস স্বাস্থ্য বিধি নিয়ে লাগু করা হয়েছিল।

<p><strong>কিন্তু অধিবেশনের প্রথম দিনেই জানা গিয়েছিল লোকসভায় ১৭ জন আর রাজ্যসভার ৮ জন সাংসদ করোনাভাইরাস পজেটিভ। তখন থেকেই উদ্বেগ বাড়ছিল।</strong></p>

কিন্তু অধিবেশনের প্রথম দিনেই জানা গিয়েছিল লোকসভায় ১৭ জন আর রাজ্যসভার ৮ জন সাংসদ করোনাভাইরাস পজেটিভ। তখন থেকেই উদ্বেগ বাড়ছিল।

loader