নতুন বছরে আগেই ভারতে করোনা টিকায় সবুজ সংকেত, তেমনই আশা করছে সেরাম

First Published Dec 23, 2020, 3:21 PM IST

আগামী সপ্তাহে ভারতে করোনাভাইরাসের টিকা ছাড়পত্র পেতে পারে সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া। সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন বা সিডিএসসিও সেরাম ইনস্টিটিউটের থেকে  যেসব তথ্য চেয়েছিল সেগুলি মঙ্গলবাই জমা দেওয়া হয়েছে। তাতে রীতিমত সন্তোষ প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাটি। তাতেই সেরাম ইনস্টিটিউ মনে করছে আগামী সপ্তাহে জরুরি ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হতে পারে অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রোজেনেকার বিকাশ করা করোনা ভ্যাক্সিন।
 

<p><strong>আগামী সপ্তাহে ছাড়পত্র পেতে পারে সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি করোনাভাইরাসের টিকা। কারণ সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন বা সিডিএসসিও সেরাম ইনস্টিটিউটের থেকে কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়েছিল। সেগুলি মঙ্গলবারই জমা দেওয়া হয়েছে।&nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>

আগামী সপ্তাহে ছাড়পত্র পেতে পারে সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি করোনাভাইরাসের টিকা। কারণ সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন বা সিডিএসসিও সেরাম ইনস্টিটিউটের থেকে কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়েছিল। সেগুলি মঙ্গলবারই জমা দেওয়া হয়েছে। 
 

<p><strong>সূত্রের খবর সেরামের জমা দেওয়া তথ্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছে সিডিএসসিও। তাতেই মনে করা হচ্ছে আগামী সপ্তাহে জরুরি ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র পেতে পারে করোনাভাইরাসের টিকা।&nbsp;</strong></p>

সূত্রের খবর সেরামের জমা দেওয়া তথ্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছে সিডিএসসিও। তাতেই মনে করা হচ্ছে আগামী সপ্তাহে জরুরি ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র পেতে পারে করোনাভাইরাসের টিকা। 

<p><strong>অক্সফোর্ডের করোনা টিকায় যদি সবুজ সংকেত দেওয়া হয় তবে সেটাই হবে ভারতের প্রথম করোনাভাইরাসের। বিশ্বের সবথেকে বড় প্রতিষেধক প্রস্তুতকারক সংস্থা সেরাম।&nbsp;</strong></p>

অক্সফোর্ডের করোনা টিকায় যদি সবুজ সংকেত দেওয়া হয় তবে সেটাই হবে ভারতের প্রথম করোনাভাইরাসের। বিশ্বের সবথেকে বড় প্রতিষেধক প্রস্তুতকারক সংস্থা সেরাম। 

<p><strong>সেরাম ইনস্টিটিউ আমাগী মাস থেকেই নিজের দেশে টিকারণের কাজ শুরু করতে চায় বলে একাধিকবার জানিয়েছিল। তাদের প্রথম পর্বের প্রস্তুতি প্রায় সারা বলেও জানান হয়েছে।&nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>

সেরাম ইনস্টিটিউ আমাগী মাস থেকেই নিজের দেশে টিকারণের কাজ শুরু করতে চায় বলে একাধিকবার জানিয়েছিল। তাদের প্রথম পর্বের প্রস্তুতি প্রায় সারা বলেও জানান হয়েছে। 
 

<p><strong>চলতি মাসের গোড়ার দিকে সেরামের পাশাপাশি ভারত বায়োটেক ও মার্কিন সংস্থা ফাইজারও করোনা টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদনে চেয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছে আবেদন জানিয়েছিল।&nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>

চলতি মাসের গোড়ার দিকে সেরামের পাশাপাশি ভারত বায়োটেক ও মার্কিন সংস্থা ফাইজারও করোনা টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদনে চেয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছে আবেদন জানিয়েছিল। 
 

<p><strong>৯ জিসেম্বর থেকে সংস্থাগুলির আবেদন পত্র খতিয়ে দেখার কাজ শুরু হয়। তারপরই অতিরিক্ত তথ্য চেয়ে পাঠান হয় সিডিএসসির পক্ষ থেকে। কিন্তু সেরাম ছাড়া এখনও পর্যন্ত কোনও সংস্থাই প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেয়নি বলেও সূত্রের খবর। তাই মনে করা হচ্ছে প্রথম পর্বে ছাড়পত্র পেতে পারে সেরাম।&nbsp;</strong></p>

<p>&nbsp;</p>

৯ জিসেম্বর থেকে সংস্থাগুলির আবেদন পত্র খতিয়ে দেখার কাজ শুরু হয়। তারপরই অতিরিক্ত তথ্য চেয়ে পাঠান হয় সিডিএসসির পক্ষ থেকে। কিন্তু সেরাম ছাড়া এখনও পর্যন্ত কোনও সংস্থাই প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেয়নি বলেও সূত্রের খবর। তাই মনে করা হচ্ছে প্রথম পর্বে ছাড়পত্র পেতে পারে সেরাম। 

 

<p><strong>অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রোজেনেকার তৈরি করোনা টিকা নিম্ম আয়ের ও গরম জলবায়ুর দেশগুলির জন্য খুবই কার্যকর বলে দাবি করা হয়েছে। সেরামের পক্ষ থেকে জানান হয়েছিল ডোজ প্রতি তাদের তৈরি করোনা টিকার দাম পড়বে ৫০০ টাকা। অর্থাৎ ১ হাজারের টাকায় পাওয়া যাবে করোনা টিকা।&nbsp;</strong></p>

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রোজেনেকার তৈরি করোনা টিকা নিম্ম আয়ের ও গরম জলবায়ুর দেশগুলির জন্য খুবই কার্যকর বলে দাবি করা হয়েছে। সেরামের পক্ষ থেকে জানান হয়েছিল ডোজ প্রতি তাদের তৈরি করোনা টিকার দাম পড়বে ৫০০ টাকা। অর্থাৎ ১ হাজারের টাকায় পাওয়া যাবে করোনা টিকা। 

<p><strong>সিডিএসসিও জানিয়েছে শুধু সেরাম নয় কেন্দ্রীয় সরকার অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রোজেনেকার আধিকারিক ও গবেষকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেছে।&nbsp;</strong></p>

সিডিএসসিও জানিয়েছে শুধু সেরাম নয় কেন্দ্রীয় সরকার অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রোজেনেকার আধিকারিক ও গবেষকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেছে। 

<p><strong>অক্সফোর্ডের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে দেখা গেছে একটি জোজ নিয়ে ৬২ শতাংশ সাফল্য পাওয়া যাচ্ছে। আর দুটি ডোজের নিলে সেখানে সাফল্যের হার দাঁড়াচ্ছে ৯০ শতাংশ। ভারত অবশ্য দুটি ডোজের লক্ষ্যমাত্রা রেখেই এগিয়ে যাচ্ছে।&nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>

অক্সফোর্ডের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে দেখা গেছে একটি জোজ নিয়ে ৬২ শতাংশ সাফল্য পাওয়া যাচ্ছে। আর দুটি ডোজের নিলে সেখানে সাফল্যের হার দাঁড়াচ্ছে ৯০ শতাংশ। ভারত অবশ্য দুটি ডোজের লক্ষ্যমাত্রা রেখেই এগিয়ে যাচ্ছে। 
 

<p><strong>সেরামের পক্ষ থেকে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল প্রাথমিকভাবে ৫০-৬০ মিলিয়ন ডোজ তারা সরবরাহ করতে পারবে। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানান হয়েছিল অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে প্রথম দফায় ৩০ কোটি মানুষকে টিকা প্রদান করা হবে।&nbsp;</strong></p>

সেরামের পক্ষ থেকে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল প্রাথমিকভাবে ৫০-৬০ মিলিয়ন ডোজ তারা সরবরাহ করতে পারবে। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানান হয়েছিল অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে প্রথম দফায় ৩০ কোটি মানুষকে টিকা প্রদান করা হবে। 

Today's Poll

একসঙ্গে কতজন প্লেয়ারের সঙ্গে খেলতে পছন্দ করেন