৭৩ বছরে স্বাধীনতা, এক নজরে দেখে নেওয়া কিছু ঘটনা যা ভারতকে বদলেছে

First Published 15, Aug 2019, 7:55 PM IST

স্বাধীন ভারতের ৭২ বছর পার, এই সময়ের মধ্যে ঘটে যাওয়া অনেক ঘটনার সাক্ষি দেশের নাগরিকরা। নানা সিদ্ধান্ত বিভিন্ন সময়, বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সরকারের তরফ থেকে নেওয়া হয়েছিল, যা সমাজের বিভিন্নস্তরে ছাপ রেখে গিয়েছে। কখনও তা সমাজ ব্যবস্থায় কখনও বা আর্থিক ব্যবস্থায়। ভারতের সংবিধান তৈরি থেকে শুরু করে ডিমানিটাইজেশন, এক নজরে দেখে নেওয়া যাক এমনই সাত ঐতিহাসিক পদক্ষেপ, যা ভারতের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকবে আজীবন।

ভারতের সংবিধানঃ ১৯৫০ সালে ২৬শে নভেম্বর প্রথম কার্যকরী করা হয় ভারতীয় সংবিধানকে। ড. আম্বেডকরসহ ছয় সদস্যদের একটি দল মিলে তৈরি করে সংবিধান খসড়া। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার বিভিন্ন ধারায় পরিবর্তন আনা হয়েছে বহুবার।

ভারতের সংবিধানঃ ১৯৫০ সালে ২৬শে নভেম্বর প্রথম কার্যকরী করা হয় ভারতীয় সংবিধানকে। ড. আম্বেডকরসহ ছয় সদস্যদের একটি দল মিলে তৈরি করে সংবিধান খসড়া। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার বিভিন্ন ধারায় পরিবর্তন আনা হয়েছে বহুবার।

পরিকল্পনা কমিশনঃ ভারতের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করার জন্য একটি পরিকল্পনা কমিটি তৈরি করা হয়েছিল। যদিও সেই পরিকল্পনা কমিশন বিলুপ্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী, পরবর্তীতে তা বদল করে নাম রাখা হয় নীতি আয়গ।

পরিকল্পনা কমিশনঃ ভারতের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করার জন্য একটি পরিকল্পনা কমিটি তৈরি করা হয়েছিল। যদিও সেই পরিকল্পনা কমিশন বিলুপ্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী, পরবর্তীতে তা বদল করে নাম রাখা হয় নীতি আয়গ।

ভারতে টেলিভিশনঃ ১৯৫৯ সালে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে প্রথম টেলিভিশন আসে। ১৯৭২ সালে টেলিভিশন পরিষেবা পারি দেয় মুম্বই ও অমৃতসরে। এবং তার তিন বছরের মধ্যেই সাতটি শহর দুরদর্শনের আওতায় আসে।

ভারতে টেলিভিশনঃ ১৯৫৯ সালে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে প্রথম টেলিভিশন আসে। ১৯৭২ সালে টেলিভিশন পরিষেবা পারি দেয় মুম্বই ও অমৃতসরে। এবং তার তিন বছরের মধ্যেই সাতটি শহর দুরদর্শনের আওতায় আসে।

ভারতের জরুরী অবস্থাঃ ২৫শে জুন ১৯৭৫ থেকে ২১শে মার্চ ১৯৭৭ পর্যন্ত ভারতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। তখন ভারতের রাষ্ট্রপতি ছিলেন ফকরুদ্দিন আলি আহমেদ। এই জরুরি অবস্থার পরামর্শদাতা ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। আজও এই অধ্যায় স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে সর্বাধিক বিতর্কিত বিষয়।

ভারতের জরুরী অবস্থাঃ ২৫শে জুন ১৯৭৫ থেকে ২১শে মার্চ ১৯৭৭ পর্যন্ত ভারতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। তখন ভারতের রাষ্ট্রপতি ছিলেন ফকরুদ্দিন আলি আহমেদ। এই জরুরি অবস্থার পরামর্শদাতা ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। আজও এই অধ্যায় স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে সর্বাধিক বিতর্কিত বিষয়।

মনমোহন সিং-এর অর্থনীতিঃ ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী নরসিমহা রাও-এর মন্ত্রীসভাতে অর্থমন্ত্রী ছিলেন মনমোহন সিং। তাঁর অর্থনীতির পুনর্গঠনের ফলেই বিদেশের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন দিক খুলে দিয়েছেল। তিনি প্রথম ভারতের অর্থনীতির বাজারকে মুক্ত করে ছিলেন।

মনমোহন সিং-এর অর্থনীতিঃ ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী নরসিমহা রাও-এর মন্ত্রীসভাতে অর্থমন্ত্রী ছিলেন মনমোহন সিং। তাঁর অর্থনীতির পুনর্গঠনের ফলেই বিদেশের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন দিক খুলে দিয়েছেল। তিনি প্রথম ভারতের অর্থনীতির বাজারকে মুক্ত করে ছিলেন।

২০০৮ মুদ্রস্ফীতিঃ ২০০৮ সালে ভারতের অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলায় সংকটের মুখে পড়তে হয় দেশের নাগরিকদের। এই সময় অর্থমূল্য কমে যাওয়ায় জিনিসের দাম বেড়ে যায়। যার প্রভাব পড়েছিল বিনিয়োগ ও চাকরির ক্ষেত্রেও।

২০০৮ মুদ্রস্ফীতিঃ ২০০৮ সালে ভারতের অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলায় সংকটের মুখে পড়তে হয় দেশের নাগরিকদের। এই সময় অর্থমূল্য কমে যাওয়ায় জিনিসের দাম বেড়ে যায়। যার প্রভাব পড়েছিল বিনিয়োগ ও চাকরির ক্ষেত্রেও।

বিমুদ্রাকরণঃ ২০১৭ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী রাতারাতি ঘোষণা করে ৫০০ ও হাজারের নোট বাতিল করার ঘোষনা করেছিলেন। সঞ্চিত অর্থ বদলানোর জন্য সাময়িক সময় দেওয়া হয়েছিল সকলকে। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরই তা সারা ফেলে দিয়েছিল ভারতের অর্থনীতিকে। মূলত কালো টাকা রোধের জন্যই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।

বিমুদ্রাকরণঃ ২০১৭ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী রাতারাতি ঘোষণা করে ৫০০ ও হাজারের নোট বাতিল করার ঘোষনা করেছিলেন। সঞ্চিত অর্থ বদলানোর জন্য সাময়িক সময় দেওয়া হয়েছিল সকলকে। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরই তা সারা ফেলে দিয়েছিল ভারতের অর্থনীতিকে। মূলত কালো টাকা রোধের জন্যই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।

জিএসটি বা পণ্য ও পরিষেবা শুল্কঃ ২০১৭ সালের জুলাই মাসেই এই আইন চালু করা হয়। যার ফলে ব্যবসায়ীদের ক্রয় বিক্রয়ের সমীকরণই বলদে গিয়েছিল। এরপর থেকেই কররের প্রতি বিশেষ নজরদারিও রাখা হয় সরকারের তরফ থেকে।

জিএসটি বা পণ্য ও পরিষেবা শুল্কঃ ২০১৭ সালের জুলাই মাসেই এই আইন চালু করা হয়। যার ফলে ব্যবসায়ীদের ক্রয় বিক্রয়ের সমীকরণই বলদে গিয়েছিল। এরপর থেকেই কররের প্রতি বিশেষ নজরদারিও রাখা হয় সরকারের তরফ থেকে।

loader