চাঁদের পর শুক্রগ্রহ থেকে সূর্য, ইসরোর হাতে আগামী দিনে রয়েছে আরও বড় বড় অভিযানের পরিকল্পনা

First Published 8, Sep 2019, 3:00 PM IST

রবিবার এসেছে সুখবর। অবশেষে একদিন পর খোঁজ মিলেছে চন্দ্রযানের ল্যান্ডার বিক্রমের। তবে এখনও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। আগামী দিনে ফের যোগাযোগ পুনর্স্থাপন করা যাবে কিনা সেই বিষয়টিও এখনও স্পষ্ট নয়। যোগাযোগ স্থাপন না করা গেলে, বিক্রম ও প্রজ্ঞান রোভার ঠিকঠাক কাজ করলেও তার তথ্য পাওয়া যাবে না। কাজেই বিশেষ কাজের কাজ কিছু হবে না। বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়াটা নিঃসন্দেহে কিছুটা হলেও ইসরোর জন্য একটা ধাক্কা। তবে চন্দ্রযান ২ অভিযানের পরও কিন্তু সামনে ইসরোর অনেকগুলি গুরুত্বপূর্ণ অভিযান রয়েছে।

গগনযান অভিযান - এই প্রকল্পের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এই প্রকল্পে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে অন্তত ৭ দিনের জন্য তিনজন মানুষকে মহাকাশে পাঠানো হবে। ২০১৮ সালের স্বাধীনতা দিবসের দিন এই অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ১০০০০ কোটি টাকার এই অভিযানের জন্য নভোশ্চর বাছাইয়ের প্রাথমিক পর্বও সমাপ্ত হয়েছে। ভারতীয় নভোশ্চরদের প্রশিক্ষণে সহায়তা করবে রাশিয়াও।

গগনযান অভিযান - এই প্রকল্পের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এই প্রকল্পে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে অন্তত ৭ দিনের জন্য তিনজন মানুষকে মহাকাশে পাঠানো হবে। ২০১৮ সালের স্বাধীনতা দিবসের দিন এই অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ১০০০০ কোটি টাকার এই অভিযানের জন্য নভোশ্চর বাছাইয়ের প্রাথমিক পর্বও সমাপ্ত হয়েছে। ভারতীয় নভোশ্চরদের প্রশিক্ষণে সহায়তা করবে রাশিয়াও।

শুক্রযান অভিযান - শুক্রগ্রহে একটি অরবাইটার অভিযান পাঠাবে ইসরো। এই অরবাইটার শুক্রগ্রহের পরিবেশ নিয়ে গবেষণা করবে। মূলত কার্বন-ডাই-অক্সাইড দিয়ে গঠিত শুক্রের পরিমণ্ডল ও তার ভূপৃষ্ঠ নিয়ে গবেষণামূলক কাজ করা হবে এই অভিযানে। ২০২৩ সালে শুক্রযানের রওনা হওয়ার কথা।

শুক্রযান অভিযান - শুক্রগ্রহে একটি অরবাইটার অভিযান পাঠাবে ইসরো। এই অরবাইটার শুক্রগ্রহের পরিবেশ নিয়ে গবেষণা করবে। মূলত কার্বন-ডাই-অক্সাইড দিয়ে গঠিত শুক্রের পরিমণ্ডল ও তার ভূপৃষ্ঠ নিয়ে গবেষণামূলক কাজ করা হবে এই অভিযানে। ২০২৩ সালে শুক্রযানের রওনা হওয়ার কথা।

ভারতের নিজস্ব স্পেস স্টেশন - ইসরোর আগামী প্রক্লপগুলির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভিান হল, মহাকাশে ভারতের নিজস্ব স্পেস স্টেশন তৈরি। প্রস্তাবিত স্টেশনটির ওজন হবে ১৫ থেকে ২০ টন। ১৫ থেকে ২০ দিন এই স্টেশনে মানুষ থাকতে পারবে। গগনযান প্রকল্পেরই পরিবর্ধিত প্রক্লপ হিসেবে এই অভিযানের কথা ভাবা হয়েছে। এই বিষয়ে ইসরো এখনও বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেয়নি ভারত সরকারকে। সেই রিপোর্ট অনুমোজন পাওযার পর আরও ৫ থেকে ৭ বছর লাগবে তার রূপায়নে।

ভারতের নিজস্ব স্পেস স্টেশন - ইসরোর আগামী প্রক্লপগুলির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভিান হল, মহাকাশে ভারতের নিজস্ব স্পেস স্টেশন তৈরি। প্রস্তাবিত স্টেশনটির ওজন হবে ১৫ থেকে ২০ টন। ১৫ থেকে ২০ দিন এই স্টেশনে মানুষ থাকতে পারবে। গগনযান প্রকল্পেরই পরিবর্ধিত প্রক্লপ হিসেবে এই অভিযানের কথা ভাবা হয়েছে। এই বিষয়ে ইসরো এখনও বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেয়নি ভারত সরকারকে। সেই রিপোর্ট অনুমোজন পাওযার পর আরও ৫ থেকে ৭ বছর লাগবে তার রূপায়নে।

মঙ্গলযান ২ - ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ইসরো তার প্রথম মঙ্গল অর্বাইটার মঙ্গলযান। এরপর ২০২৪ সালে ইসরো তাদের গদ্বিতীয় মঙ্গল অভিযানের পরিকল্পনা করেছে। প্রথম মঙ্গল অর্বাইটার মঙ্গলের যতটা কাছাকাছি পৌঁছেছিল, পরের অভিযানে ভারত পৌঁছবে তার থেকে আরও কাছে। এটি লাল গ্রহের পরিবেশ, মরফোলজি, মিনারেলজি, ভূত্বক নিয়ে গবেষণা চালাবে।

মঙ্গলযান ২ - ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ইসরো তার প্রথম মঙ্গল অর্বাইটার মঙ্গলযান। এরপর ২০২৪ সালে ইসরো তাদের গদ্বিতীয় মঙ্গল অভিযানের পরিকল্পনা করেছে। প্রথম মঙ্গল অর্বাইটার মঙ্গলের যতটা কাছাকাছি পৌঁছেছিল, পরের অভিযানে ভারত পৌঁছবে তার থেকে আরও কাছে। এটি লাল গ্রহের পরিবেশ, মরফোলজি, মিনারেলজি, ভূত্বক নিয়ে গবেষণা চালাবে।

আদিত্য এল ১ - আদিত্য বা আদিত্য এল ১ অভিযানটি হবে সূর্যকে গবেষণা করার জন্য। পৃথিবী থেকে ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরের এক কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করবে। লাগ্রাঙ্গিয়ান পয়েন্ট এল ১ থেকে সূর্যকে দেখার পথে কোনও বাধা থাকবে না। এমনকী সূর্যগ্রহণের সময়েও আদিত্যর চোখকে ফাঁকি দেওয়া যাবে না।

আদিত্য এল ১ - আদিত্য বা আদিত্য এল ১ অভিযানটি হবে সূর্যকে গবেষণা করার জন্য। পৃথিবী থেকে ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরের এক কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করবে। লাগ্রাঙ্গিয়ান পয়েন্ট এল ১ থেকে সূর্যকে দেখার পথে কোনও বাধা থাকবে না। এমনকী সূর্যগ্রহণের সময়েও আদিত্যর চোখকে ফাঁকি দেওয়া যাবে না।

loader