প্রথম শেষ না হতেই দেশে আসছে করোনার দ্বিতীয় ওয়েভ, জেনে নিন সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে কোন ১৫টি দেশ

First Published 10, Jun 2020, 3:09 PM

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত গোটা দুনিয়া। এই ভাইরাসের বিষাক্ত ছোবলে ইতোমধ্যে বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চল আক্রান্ত হয়েছে। এখনও পর্যন্ত  বিশ্বব্যাপী ভাইরাসটিতে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ লাখের বেশি । মারণ ভাইরাস প্রাণ কেড়েছে ৪ লাখ ১৩ হাজারেরও বেশি মানুষের। এই পরিসস্থিতিতে সিকিউরিটিজ রিসার্চ ফার্ম নমুরা একটি সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। তাতে দাবি করা হয়েছে  করোনা আক্রান্তের নিরিখে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিবহুল ১৫টি দেশের মধ্যে চলে এসেছে ভারত৷

<p style="text-align: justify;"><strong>নমুরা-র সার্ভে করেছে বিশ্বের ৪৫টি বড় অর্থনীতির উপরে৷ লকডাউন তোলার ফলে করোনা আক্রান্ত কতটা হারে বাড়ছে, তার উপরেই সমীক্ষাটি চালানো হয়৷ রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ বা সেকেন্ড ওয়েভের ঝুঁকি প্রবল, এমন দেশগুলির তালিকায় প্রথম সারিতেই রয়েছে ভারত৷ </strong></p>

নমুরা-র সার্ভে করেছে বিশ্বের ৪৫টি বড় অর্থনীতির উপরে৷ লকডাউন তোলার ফলে করোনা আক্রান্ত কতটা হারে বাড়ছে, তার উপরেই সমীক্ষাটি চালানো হয়৷ রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ বা সেকেন্ড ওয়েভের ঝুঁকি প্রবল, এমন দেশগুলির তালিকায় প্রথম সারিতেই রয়েছে ভারত৷ 

<p style="text-align: justify;"><strong>রিপোর্ট বলছে, অর্থনীতির বড় অংশ খুলে গিয়েছে, এমন ১৭টি দেশে সংক্রমণের সেকেন্ড ওয়েভ বা দ্বিতীয় ঢেউ আসার লক্ষণ নেই৷ ১৩টি দেশের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, সেকেন্ড ওয়েভের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না৷ তবে ঝুঁকি তুলনামূলক কম৷ ১৫টি দেশের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, সেকেন্ড ওয়েভের ঝুঁকি প্রবল৷ তারই মধ্যে রয়েছে ভারত৷</strong></p>

রিপোর্ট বলছে, অর্থনীতির বড় অংশ খুলে গিয়েছে, এমন ১৭টি দেশে সংক্রমণের সেকেন্ড ওয়েভ বা দ্বিতীয় ঢেউ আসার লক্ষণ নেই৷ ১৩টি দেশের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, সেকেন্ড ওয়েভের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না৷ তবে ঝুঁকি তুলনামূলক কম৷ ১৫টি দেশের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, সেকেন্ড ওয়েভের ঝুঁকি প্রবল৷ তারই মধ্যে রয়েছে ভারত৷

<p><strong>সংস্থার বিশ্লেষণ বলছে, লকডাউন ওঠার ফলে ২টি চিত্র তৈরি হতে পারে৷ প্রথমত, ভালো দিকটি হল, একটি দেশের জনসাধারণের গতিশীলতা বা সজীবতা দ্রুত ফিরছে৷ সংক্রমণের হার কম, ফলে মানুষের মনের ভীতি কমছে৷ যার জেরে অর্থনীতির চাকা ঘুরছে৷ </strong></p>

সংস্থার বিশ্লেষণ বলছে, লকডাউন ওঠার ফলে ২টি চিত্র তৈরি হতে পারে৷ প্রথমত, ভালো দিকটি হল, একটি দেশের জনসাধারণের গতিশীলতা বা সজীবতা দ্রুত ফিরছে৷ সংক্রমণের হার কম, ফলে মানুষের মনের ভীতি কমছে৷ যার জেরে অর্থনীতির চাকা ঘুরছে৷ 

<p><strong>আর দ্বিতীয় চিত্রটি হল, অর্থনীতির চাকা ঘোরার সঙ্গে সঙ্গে নতুন আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে৷ ফলে মানুষের মনের মনে ভয় বাড়ছে৷ সে ক্ষেত্রে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে, লকডাউন আবার জারি করা হতে পারে৷</strong></p>

আর দ্বিতীয় চিত্রটি হল, অর্থনীতির চাকা ঘোরার সঙ্গে সঙ্গে নতুন আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে৷ ফলে মানুষের মনের মনে ভয় বাড়ছে৷ সে ক্ষেত্রে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে, লকডাউন আবার জারি করা হতে পারে৷

<p>সার্ভেতে ৪৫টি দেশকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে৷ একটি হল, অন ট্র্যাক অর্থাত্‍ সব কিছু স্বাভাবিক, দুই হল ওয়ার্নিং সাইনস বা সতর্কতার লক্ষণ ও তিন নম্বরটি হল ডেঞ্জার জোন বা দ্বিতীয় ঢেউয়ের ঝুঁকি প্রবল৷ ভারত পড়ছে ওই বিপজ্জনক জোনে৷ ভারতের সঙ্গে নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্ত আয়ের জনসংখ্যার দেশগুলির মধ্যে এই জোনে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, চিলি, পাকিস্তানের মতো দেশগুলি৷ এই গোষ্ঠীতে উন্নত অর্থনীতির দেশগুলির মধ্যে রয়েছে সুইডেন, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা ও কানাডা৷</p>

সার্ভেতে ৪৫টি দেশকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে৷ একটি হল, অন ট্র্যাক অর্থাত্‍ সব কিছু স্বাভাবিক, দুই হল ওয়ার্নিং সাইনস বা সতর্কতার লক্ষণ ও তিন নম্বরটি হল ডেঞ্জার জোন বা দ্বিতীয় ঢেউয়ের ঝুঁকি প্রবল৷ ভারত পড়ছে ওই বিপজ্জনক জোনে৷ ভারতের সঙ্গে নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্ত আয়ের জনসংখ্যার দেশগুলির মধ্যে এই জোনে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, চিলি, পাকিস্তানের মতো দেশগুলি৷ এই গোষ্ঠীতে উন্নত অর্থনীতির দেশগুলির মধ্যে রয়েছে সুইডেন, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা ও কানাডা৷

<p style="text-align: justify;">দ্বিতীয় ওয়েভের সম্ভাবনা নেই এমন গোষ্ঠীতে রয়েছে, ফ্রান্স, ইতালি ও দক্ষিণ কোরিয়া৷ </p>

দ্বিতীয় ওয়েভের সম্ভাবনা নেই এমন গোষ্ঠীতে রয়েছে, ফ্রান্স, ইতালি ও দক্ষিণ কোরিয়া৷ 

<p>জার্মানি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের মতো দেশগুলি ঝুঁকিপ্রবণ গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।</p>

জার্মানি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের মতো দেশগুলি ঝুঁকিপ্রবণ গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

<p style="text-align: justify;"><strong>এদিকে ভারতে শুরু  হয়েছে আনলক ১। খুলেছে অফিস-কাছারি, কল-কারখানা। দেশে প্রতিদিনই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সব রেকর্ড পার করে যাচ্ছে৷ ইতিমধ্যেই ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ৭৬ হাজার পেরিয়ে গিয়েছে৷ মৃত্যুও সাড়ে ৭ হাজার ছাপিয়ে গেয়েছে৷  পরিস্থিতি এমন চলতে থাকলে, দেশে ফের লকডাউনের কড়াকড়ি বাড়াতে হবে বলেই সতর্ক করছে নমুরা।</strong></p>

এদিকে ভারতে শুরু  হয়েছে আনলক ১। খুলেছে অফিস-কাছারি, কল-কারখানা। দেশে প্রতিদিনই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সব রেকর্ড পার করে যাচ্ছে৷ ইতিমধ্যেই ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ৭৬ হাজার পেরিয়ে গিয়েছে৷ মৃত্যুও সাড়ে ৭ হাজার ছাপিয়ে গেয়েছে৷  পরিস্থিতি এমন চলতে থাকলে, দেশে ফের লকডাউনের কড়াকড়ি বাড়াতে হবে বলেই সতর্ক করছে নমুরা।

loader