MalayalamNewsableKannadaKannadaPrabhaTeluguTamilBanglaHindiMarathiMyNation
Add Preferred SourceGoogle-icon
  • Facebook
  • Twitter
  • whatsapp
  • YT video
  • insta
  • এই মুহূর্তের খবর
  • ভারত
  • পশ্চিমবঙ্গ
  • বিনোদন
  • ব্যবসা
  • লাইফ স্টাইল
  • ফোটো
  • ভিডিও
  • জ্যোতিষ
  • বিশ্বের খবর
  • Home
  • World News
  • International News
  • তিয়ানানমেন স্কোয়ার - ৩২ বছর আগে হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে হত্যা করেছিল চিন, কি ঘটেছিল দেখুন

তিয়ানানমেন স্কোয়ার - ৩২ বছর আগে হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে হত্যা করেছিল চিন, কি ঘটেছিল দেখুন

শুক্রবার, ৪ জুন ২০২১। ঠিক ৩২ বছর আগে, এই দিনেই চিনের রাজধানী বেজিং-এর ঠিক কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত তিয়ানানমেন স্কোয়ার ও তার আশেপাশের অঞ্চলে নিজেদের নাগরিকদেরই গুলি করে হত্যা করেছিল চিনের কমিউনিস্ট সরকার। তাদের অপরাধ ছিল, একদলীয় শাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র কায়েম করতে চেয়েছিল তারা, বেশিরভাগই ছিল কলেজ-বিশ্ববিদ্য়ালয়ের ছাত্র। তিয়ানানমেন স্কোয়ার ম্যাসাকার নামে পরিচিত, ১৯৮৯ সালের সেই ভয়ঙ্কর ঘটনায় হতাহতের পুরো হিসাব কোনওদিনই দেয়নি বেজিং। ঘটনার বেশ কয়েকদিন পরে সরকারি হিসাব বলেছিল মৃতের সংখ্যা প্রায় ৩০০, তাদের বেশিরভাগই পিএলএ-র সৈন্য।। তবে মানবাধিকার কর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা অন্তত কয়েক হাজার। আরও কয়েক হাজার মানুষ গুরুতর আহত হয়েছিলেন। ঠিক কী ঘটেছিল ৩২ বছর আগে, আসুন দেখা যাক - 

3 Min read
Author : Amartya Lahiri
| Updated : Jun 05 2021, 02:23 PM IST
Share this Photo Gallery
  • FB
  • TW
  • Linkdin
  • Whatsapp
  • GNFollow Us
111

প্রতিবাদ-বিক্ষোভের শুরু

এই প্রতিবাদের আগুন জ্বলে উঠেছিল হু ইয়াওবাং-এর মৃত্যু থেকে। একসময় তিনি ছিলেন চিনা কমিউনিস্ট পার্টির একেবারে শীর্ষপদে। তবে তিনি ছিলেন সংস্কারপন্থী। তাঁর মৃত্যুর ফলে সংস্কারের গতি ধীর হয়ে গিয়েছিল। সরকার তথা পার্টির মধ্যে বাসা বেধেছিল দুর্নীতি। ক্রমশ আয়ের অসাম্য চিনা কমিউনিস্ট সমাজে স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। আর এর থেকেই ১৭ এপ্রিল তিয়ানানমেন স্কোয়ারে শুরু হয়েছিল প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। মূলত গণতন্ত্র ও সংস্কারের ডাকে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন অন্তত ১ লক্ষেরও বেশি শিক্ষার্থী। সরকারি সতর্কতা তাদের দমিয়ে রাখতে পারেনি।

 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred
211

ক্রমশ বেড়ে ওঠে ভিড়

২২ এপ্রিল, ছিল হু ইয়াওবাং-এর স্মৃতিসভা। সেই উপলক্ষে 'গ্রেট হল'এর বাইরে জড়ো হয়েছিলেন প্রায় ৫০,০০০ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ৩ জন সরকারের কাছে তাদের দাবির রূপরেখা জমা দিতে চেয়েছিল, কিন্তু, কমিউনিস্ট সরকার তাদের উপেক্ষাই করেছিল। এর দুদিন পর বেজিং-এ শিক্ষার্থীরা ক্লাস বয়কট করা শুরু করেছিল। ২৭ এপ্রিল সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রায় ৫০,০০০ শিক্ষার্থী তিয়ানানমেন স্কোয়ার পর্যন্ত মিছিল করে। সেখানে শিক্ষার্তীদের ভিড় বেড়ে দাঁড়ায় ১০ লক্ষ।

 

311

শুরু হয় অনশন ধর্মঘট

১৯১৯ সালের ৪ মে সংস্কারের দাবিতেই চিনে শিক্ষার্থী এবং বুদ্ধিজীবীদের নেতৃত্বে একটি গণ-আন্দোলন হয়েছিল। তার বার্ষিকীতে 'পিপলস গ্রেট হলে' এশিয়া ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্কের বৈঠকের বাইরো জোরালো প্রতিবাদ  হয়। একি দিনে সাংহাই এবং আরও নয়টি চিনা শহরে শিক্ষার্থীরা মিছিল করে। ১৩ মে থেকে কয়েকশো শিক্ষার্থী তিয়ানানমেন স্কোয়ারে অনশন শুরু করে।

 

411

বিব্রত চিন সরকার

১৫ মে চিন সফরে আসেন সংস্কারবাদী সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচভ। বিদেশী রাষ্ট্রনেতাদের চিনে গ্রেট হলের বাইরে ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়। প্রতিবাদী ছাত্রদের বাধায় চিন সরকার তা করতে পারেনি। বরং, শিক্ষার্থীরা গর্বাচভকে 'গণতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত' হিসাবে স্বাগত জানিয়েছিল।

511

প্রতিবাদীদের সঙ্গে পার্টির প্রধান

তিয়ানানমেন স্কোয়ারে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা করেন, পার্টির প্রধান ঝাও জিয়াং, কট্টরপন্থী নেতা তথা তৎকালীন চিনা প্রধানমন্ত্রী লি পেং এবং ওয়েন জিয়াবাও, যিনি পরে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। ঝাও বিক্ষোভকারীদের সেখান থেকে উঠে যাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। প্রতিবাদীরা তা শোনেনি। এরপরই ঝাও প্রতিবাদীদের সমর্থন করে পদত্যাগ করেছিলেন।

611

'গণতন্ত্রের দেবী'

২০ মে প্রধানমমন্ত্রী লি পেং বেজিং-এর কিছু অংশে সামরিক আইন জারি করেন। ২৩ মে লি-এর অপসারণের দাবিতে বেজিং-এ প্রায় ১ লক্ষ মানুষ মিছিল করে। তার পরের দিন শিক্ষার্থীরা তিয়ানানমেন স্কোয়ারে 'স্ট্যাচু অফ লিবার্টি'র আদলে নির্মিত দশ মিটার বা ৩৩ ফুট দীর্ঘ 'গণতন্ত্রের দেবী'র মূর্তি উন্মোচিত করেছিল। এরপরই সরকারে পক্ষ থেকে পাল্টা বিক্ষোভ নামানো হয় রাস্তায়। প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের দেশদ্রোহী হিসাবে দেগে দেওয়া হয়।

 

711

লি পেং, 'বেজিং-এর কসাই'

এরপরই বিক্ষোভকে কড়া হাতে দমন করতে নামেন 'বেজিং-এর কসাই' নামে পরিচিত প্রধানমন্ত্রী লি পেং। ৩ জুন তিয়ানানমেন স্কোয়ারে নামানো হয় কয়েক হাজার সৈন্য। তিয়ানানমেন স্কোয়ারের কয়েকশো মিটারের মধ্য়েই প্রতিবাদীদের উপর কাঁদানে গ্যাস ও গুলি চালানো হয়। সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিবাদকারীদের সতর্ক করা হয়, সেনা এবং পুলিশকে 'সবরকম পথ ব্যবহারের অধিকার' দেওয়া হয়েছে।

811

নামল ট্যাঙ্ক, চলল গুলি

পরেরদিন ভোরেই ট্যাঙ্ক এবং সাঁজোয়া গাড়ি নামে তিয়ানানমেন স্কোয়ারে। অল্প সময়েই প্রতিবাদীদের সেখান থেকে সাফ করে দেওয়া হয়। এর প্রায় চার ঘন্টা পরে, স্কোয়ারের একেবারে শেষ প্রান্তে আবার প্রচিবাদীরা জড়ো হতে গেলে, সৈন্যরা নিরস্ত্র অসামরিক শিক্ষার্থীদের উপর গুলি চালায়।

 

911

ট্যাঙ্ক বাহিনীর সামনে একা

৫ জুন তিয়ানানমেন স্কোয়ারে একটি ট্যাঙ্কের কনভয়ের সামনে একা রুখে দাঁড়িয়েছিলেন এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। এই ছবিটি গণতন্ত্রকামীদের উপর চিনা কমিউনিস্ট সরকারের দমনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক হিসাবে পরে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল।

 

1011

প্রতি-বিপ্লবী

পরদিন চিনা স্টেট কাউন্সিলের মুখপাত্র ইউয়ান মু টেলিভিশনে জানিয়েছিলেন মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৩০০, তাদের বেশিরভাগই সৈন্য। সরকারি হিসাবে শিক্ষার্থীরা নিহত হয়েছিলেন মাত্র ২৩ জন। সেইসময়ের চিনের সর্বময় নেতা দেং জিয়াওপিং এই অভিযানের জন্য সামরিক বাহিনীর আধিকারিকদের প্রশংসা করেছিলেন, এবং বিক্ষোভকারীদের প্রতি-বিপ্লবী বলে দুষেছিলেন। বলেছিলেন, তারা চিনা কমিউনিস্ট পার্টিকে শেষ করে দিতে চেয়েছিল।

1111

পরিণতি

ঘরে, একক পার্টির শাসন বজায় রাখতে পারলেও, তিয়ানানমেন স্কোয়ারের ঘটনার জন্য আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তাদের বড় মাপের খেসারত দিতে হয়েছিল। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ১৯৯০ সালে চিনের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ৩.৯ শতাংশে নেমে এসেছিল। সেই দেশে প্রথম স্টক মার্কেট হিসাবে সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জের পথ চলা শুরু হয়। তারপর থেকে কমিউনিস্ট চিন ক্রমেই পুঁজিবাদের পথে এগিয়ে চলেছে, সম্প্রসারণবাদ যাদের মূল মন্ত্র।

About the Author

AL
Amartya Lahiri
Latest Videos
Recommended Stories
Recommended image1
Fishermen Arrest: সীমান্ত পার করার অভিযোগ, ৯ ভারতীয় মৎস্যজীবীকে আটক করল শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী
Recommended image2
Bangladesh Railway: দিল্লি থেকে ঢাকা, ভারতের উপহার দেওয়া ট্রেনে চড়বে বাংলাদেশীরা
Recommended image3
Colombia Earthquake: ধ্বংসস্তূপের নীচে সন্তানকে আগলে বাবা, কয়েকদিন পর জীবন্ত উদ্ধার!
Recommended image4
Imran Khan: খোঁজ পাচ্ছে না পরিবারও! এরপর পাক সাংবাদিকের বিস্ফোরক দাবি ঘিরে আরও জল্পনা, আদৌ বেঁচে আছেন ইমরান খান?
Recommended image5
Freshwater Resources: সবচেয়ে বেশি মিষ্টি জল কোন দেশে? সেরা ১০-এ ভারত কত নম্বরে?
Asianet
Follow us on
  • Facebook
  • Twitter
  • whatsapp
  • YT video
  • insta
  • Download on Android
  • Download on IOS
  • About Website
  • Terms of Use
  • Privacy Policy
  • CSAM Policy
  • Complaint Redressal - Website
  • Compliance Report Digital
  • Investors
© Copyright 2026 Asianxt Digital Technologies Private Limited (Formerly known as Asianet News Media & Entertainment Private Limited) | All Rights Reserved