একটু কাছাকাছি, কলকাতার যে দশটি জায়গায় প্রিয়জনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়া যায়

First Published 17, Oct 2019, 4:55 PM IST

একান্তে দুটো মানুষের সময় কাটানোর জন্য কি কলকাতায় কোনও জায়গা আছে? কোনও কাপল-কে যদি এই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয় তবে নিঃসন্দেহে তাঁদের সারাসরি উত্তর হবে না। পাবলিক প্লেসে দুটো মানুষকে একটু ঘনিষ্ট হতে দেখলেই সিসিটিভি ক্যামেরার মত আশেপাশের বেশ কয়েকটি ঘুরে যায় সেই দিকেই। তবে কি তিলোত্তমা প্রেম করতে জানে না! একদমই নয় যুগলদের একান্ত সময় কাটানোর জন্য কলকাতার বুকে রয়েছে এমন ১০ জায়গা যেগুলি আপনার পরিচিত তালিকার মধ্যেই রয়েছে। চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক সেগুলি-

প্রিন্সেপ ঘাট হল কলকাতায় হুগলি নদীর তীরে ব্রিটিশ যুগে নির্মিত একটি ঘাট। ঘাটটি নির্মিত হয় ১৮৪১ সালে। বিদ্যাসাগর সেতু এই ঘাটের ঠিক পাশেই তৈরি হয়েছে। প্রিন্সেপ ঘাট কলকাতার সচেয়ে পুরনো দর্শনীয় স্থানগুলির একটি। সপ্তাহান্তে অনেক মানুষ এখানে বেড়াতে আসেন। নদীর গা ঘেঁষে রাস্তায় খাবারের দোকান রয়েছে। কাপলদের কাছে এই স্থান বেশ জনপ্রিয়।

প্রিন্সেপ ঘাট হল কলকাতায় হুগলি নদীর তীরে ব্রিটিশ যুগে নির্মিত একটি ঘাট। ঘাটটি নির্মিত হয় ১৮৪১ সালে। বিদ্যাসাগর সেতু এই ঘাটের ঠিক পাশেই তৈরি হয়েছে। প্রিন্সেপ ঘাট কলকাতার সচেয়ে পুরনো দর্শনীয় স্থানগুলির একটি। সপ্তাহান্তে অনেক মানুষ এখানে বেড়াতে আসেন। নদীর গা ঘেঁষে রাস্তায় খাবারের দোকান রয়েছে। কাপলদের কাছে এই স্থান বেশ জনপ্রিয়।

মিলেনিয়াম পার্ক কলকাতায় গঙ্গা নদীর পূর্ব তীরে রেলওয়ে ক্লাবের বিপরীতে কিছু দূরেই অবস্থিত একটি বিনোদন উদ্যান। উদ্যানটি সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে। বর্তমানে গঙ্গাতিরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আলোকসজ্জার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এই উদ্যান একান্তে সময় কাটানোর জন্য বেশ উপযুক্ত।

মিলেনিয়াম পার্ক কলকাতায় গঙ্গা নদীর পূর্ব তীরে রেলওয়ে ক্লাবের বিপরীতে কিছু দূরেই অবস্থিত একটি বিনোদন উদ্যান। উদ্যানটি সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে। বর্তমানে গঙ্গাতিরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আলোকসজ্জার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এই উদ্যান একান্তে সময় কাটানোর জন্য বেশ উপযুক্ত।

যুগলদের পছন্দের জায়গাগুলির মধ্যে অন্যতম হল এই স্থান। জলাশয়ের পাশে একান্তে যুগলদের সময় কাটানোর জন্য আদর্শ স্থান। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল বা ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধ, কলকাতার অন্যতম একটি নিদর্শন।

যুগলদের পছন্দের জায়গাগুলির মধ্যে অন্যতম হল এই স্থান। জলাশয়ের পাশে একান্তে যুগলদের সময় কাটানোর জন্য আদর্শ স্থান। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল বা ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধ, কলকাতার অন্যতম একটি নিদর্শন।

ময়দান বা গড়ের মাঠ হল কলকাতার বৃহত্তম নগরাঞ্চলীয় উদ্যান। ময়দানে প্রচুর গাছপালা ও খোলা মাঠ থাকায় এটিকে "কলকাতার ফুসফুস" বলা হয়। ময়দান ভারতীয় সেনাবাহিনীর সম্পত্তি। ফোর্ট উইলিয়ামে সেনাবাহিনীর পূর্ব কম্যান্ডের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত এখানে। তবে এই স্থানটিও যুগলদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়।

ময়দান বা গড়ের মাঠ হল কলকাতার বৃহত্তম নগরাঞ্চলীয় উদ্যান। ময়দানে প্রচুর গাছপালা ও খোলা মাঠ থাকায় এটিকে "কলকাতার ফুসফুস" বলা হয়। ময়দান ভারতীয় সেনাবাহিনীর সম্পত্তি। ফোর্ট উইলিয়ামে সেনাবাহিনীর পূর্ব কম্যান্ডের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত এখানে। তবে এই স্থানটিও যুগলদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়।

রবীন্দ্র সরোবর বা ঢাকুরিয়া লেক দক্ষিণ কলকাতায় অত্যন্ত জনপ্রিয় স্থান। সকালে বহু মানুষ এই হ্রদের ধারে মুক্তবায়ুতে প্রাতঃভ্রমণ করেন। এখানে কলকাতার সাম্প্রতিক সময়ের বেশ কিছু পুরস্কার প্রাপ্ত দূর্গা মুর্তি রাখা আছে। লেকের সংলগ্ন বেঞ্চগুলি যুগলদেরই দখলে থাকে।

রবীন্দ্র সরোবর বা ঢাকুরিয়া লেক দক্ষিণ কলকাতায় অত্যন্ত জনপ্রিয় স্থান। সকালে বহু মানুষ এই হ্রদের ধারে মুক্তবায়ুতে প্রাতঃভ্রমণ করেন। এখানে কলকাতার সাম্প্রতিক সময়ের বেশ কিছু পুরস্কার প্রাপ্ত দূর্গা মুর্তি রাখা আছে। লেকের সংলগ্ন বেঞ্চগুলি যুগলদেরই দখলে থাকে।

নিউ টাউন ইকো পার্ক বা প্রকৃতি তীর্থ কলকাতার রাজারহাটে অবস্থিত একটি শহুরে উদ্যান এবং ভারতের বৃহত্তম উদ্যান। সপ্তাহের শেষে অনেকেই এখানে আসেন সময় কাটাতে। প্রচুর জায়গা থাকায় এই পার্ক যুগলদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। একান্তে সময় কাটানোর জন্য এই পার্ক খুবই উপযুক্ত।

নিউ টাউন ইকো পার্ক বা প্রকৃতি তীর্থ কলকাতার রাজারহাটে অবস্থিত একটি শহুরে উদ্যান এবং ভারতের বৃহত্তম উদ্যান। সপ্তাহের শেষে অনেকেই এখানে আসেন সময় কাটাতে। প্রচুর জায়গা থাকায় এই পার্ক যুগলদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। একান্তে সময় কাটানোর জন্য এই পার্ক খুবই উপযুক্ত।

কলকাতা এবং হাওড়া জেলার মধ্যে সংযোগ রক্ষাকারী একটি ভাসমান সেতুর পরিবর্তে এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়৷ ১৯৬৫ সালে সেতুটির নাম ভারত এবং এশিয়ার প্রথম নোবেল বিজয়ী বিখ্যাত বাঙালি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে পুনঃ নামকরণ করা হয়৷ শহরের ব্যস্ততম এই সেতু। এই সেতু দিয়ে দৈনিক ৮০,০০০ যানবাহনও প্রায় ১০ লক্ষ পথচারী চলাচল করে। এই জাতীয় সেতুগুলির মধ্যে রবীন্দ্র সেতু বিশ্বে ষষ্ঠ বৃহত্তম। ব্যস্ততম এই সেতু প্রেম করার বা একান্তে সময় কাটানর আদর্শ স্থান।

কলকাতা এবং হাওড়া জেলার মধ্যে সংযোগ রক্ষাকারী একটি ভাসমান সেতুর পরিবর্তে এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়৷ ১৯৬৫ সালে সেতুটির নাম ভারত এবং এশিয়ার প্রথম নোবেল বিজয়ী বিখ্যাত বাঙালি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে পুনঃ নামকরণ করা হয়৷ শহরের ব্যস্ততম এই সেতু। এই সেতু দিয়ে দৈনিক ৮০,০০০ যানবাহনও প্রায় ১০ লক্ষ পথচারী চলাচল করে। এই জাতীয় সেতুগুলির মধ্যে রবীন্দ্র সেতু বিশ্বে ষষ্ঠ বৃহত্তম। ব্যস্ততম এই সেতু প্রেম করার বা একান্তে সময় কাটানর আদর্শ স্থান।

প্রণয়ীযুগলের পক্ষে কলকাতার বুকে সেরা জায়গা এই উদ্যান। এখানে গাছপালার আড়ালে একান্তে সময় কাটাতে সম্ভব যুগলেরা। ময়দান মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন এই উদ্যান যুগলদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি স্থান।

প্রণয়ীযুগলের পক্ষে কলকাতার বুকে সেরা জায়গা এই উদ্যান। এখানে গাছপালার আড়ালে একান্তে সময় কাটাতে সম্ভব যুগলেরা। ময়দান মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন এই উদ্যান যুগলদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি স্থান।

গঙ্গা তীরবর্তী উদ্যানগুলির মধ্যে প্রিন্সেপ ঘাটের মত, এই ঘাটটিও অত্যন্ত জনপ্রিয়। এখানে বহু ছবির শ্যুটিং-ও করা হয়েছে। এই ঘাটে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য এই স্থান যুগলদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। একান্তে সময় কাটানোর জন্য এই ঘাট কাপলদের জন্য উপযুক্ত স্থান।

গঙ্গা তীরবর্তী উদ্যানগুলির মধ্যে প্রিন্সেপ ঘাটের মত, এই ঘাটটিও অত্যন্ত জনপ্রিয়। এখানে বহু ছবির শ্যুটিং-ও করা হয়েছে। এই ঘাটে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য এই স্থান যুগলদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। একান্তে সময় কাটানোর জন্য এই ঘাট কাপলদের জন্য উপযুক্ত স্থান।

loader