মাতৃত্ব ও পিতৃত্বের সুখানুভূতি কেমন, নগ্ন হয়ে সেই রূপ তুলে ধরলেন এই দম্পতি

First Published 5, Mar 2020, 5:55 PM IST

মা-বাবা হওয়ার সৌভাগ্য একটা বিশাল প্রাপ্তি বলেই ধরা হয়। আর জীবনের এই ধাপে পৌঁছতে গর্ভধারণের সময়টা যে কোনও দম্পতির কাছেই এক নতুন জীবনের জীবনের আলো। প্রত্যেক দম্পতি এই মুহূর্তটাকে চরমভাবে উপভোগ করেন। এটা কোনও আরোপিত আনন্দ নয়, এটা জীবনের কালচক্রের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি মানুষের মধ্যেই উপযুক্ত সময়ে জেগে ওঠে। এভাবেই যুগের পর যুগ এগিয়ে চলেছে সভ্যতা, এগিয়ে চলেছে মানবজীবন। মাতৃত্ব ও পিতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হতে চলা এমন এক দম্পতির সন্ধান মিলল কেরলে। যারা সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন আথিরা জয়-এর ক্যামেরার সামনে। গর্ভাবস্থায় এক অসামান্য সম্পর্কের বন্ধনকে সুন্দরভাবে ক্যামেরাবন্দি করেন আথিয়া। সেই ছবি রইল আপনাদের জন্য। 

এই নেকেড মেটারনিটি ফোটোশ্যুটে যাঁরা মূল চরিত্র তাঁদের নাম অম্রুত বাবা এবং জ্যান। আর ক্যামেরায় আঠাশ বছরের আথিয়া জয়। অম্রুত বাবা এবং জ্যান আথিয়া-র স্বামীর বন্ধু।

এই নেকেড মেটারনিটি ফোটোশ্যুটে যাঁরা মূল চরিত্র তাঁদের নাম অম্রুত বাবা এবং জ্যান। আর ক্যামেরায় আঠাশ বছরের আথিয়া জয়। অম্রুত বাবা এবং জ্যান আথিয়া-র স্বামীর বন্ধু।

ফোটোগ্রাফার আথিয়া-র ইচ্ছে ছিল নেকেড মেটারনিটি শ্যুটের। বিষয়টি তিনি অম্রুত ও জ্যানকে জানান। নেকেড ফোটোশ্যুটের বিষয়টিও বোঝান দুজনকে। এরপর-ই অম্রুত ও জ্যান এতে সম্মতি দেন।

ফোটোগ্রাফার আথিয়া-র ইচ্ছে ছিল নেকেড মেটারনিটি শ্যুটের। বিষয়টি তিনি অম্রুত ও জ্যানকে জানান। নেকেড ফোটোশ্যুটের বিষয়টিও বোঝান দুজনকে। এরপর-ই অম্রুত ও জ্যান এতে সম্মতি দেন।

কোজিকোড়ের একটি পাহাড়ি নদীর ঝরনাতে পুরো ফোটোশ্যুট করা হয়। যেখানে জ্যান তাঁর বেবি-বাম্প-কে পুরোপুরি উন্মক্ত করে।

কোজিকোড়ের একটি পাহাড়ি নদীর ঝরনাতে পুরো ফোটোশ্যুট করা হয়। যেখানে জ্যান তাঁর বেবি-বাম্প-কে পুরোপুরি উন্মক্ত করে।

প্রথম দিকে আথিয়া ভেবেছিলেন এই ফোটোশ্যুট তিনি কোনও রিসর্ট বা হোম-স্টে-তে শ্যুট করবেন। কিন্তু পরে পরিকল্পনা পাল্টে তিনি প্রকৃতির কোলে ঝরনার মধ্যে তা করার সিদ্ধান্ত নেন।

প্রথম দিকে আথিয়া ভেবেছিলেন এই ফোটোশ্যুট তিনি কোনও রিসর্ট বা হোম-স্টে-তে শ্যুট করবেন। কিন্তু পরে পরিকল্পনা পাল্টে তিনি প্রকৃতির কোলে ঝরনার মধ্যে তা করার সিদ্ধান্ত নেন।

গোটা ফোটোশ্যুটে যেভাবে অম্রুত ও জ্যান ধরা দিয়েছেন তা বাবা-মা হতে চলা যে কোনও মানুষকে উদ্বুদ্ধ করবে। সন্তানের জন্ম দেওয়া যে কোনও দম্পতির মূল লক্ষ। এই সময়ে এক দম্পতি একে অপরের প্রতি কতটা নির্ভরশীল থাকেন তা এই ফোটোশ্যুট প্রমাণ করে দেয়।

গোটা ফোটোশ্যুটে যেভাবে অম্রুত ও জ্যান ধরা দিয়েছেন তা বাবা-মা হতে চলা যে কোনও মানুষকে উদ্বুদ্ধ করবে। সন্তানের জন্ম দেওয়া যে কোনও দম্পতির মূল লক্ষ। এই সময়ে এক দম্পতি একে অপরের প্রতি কতটা নির্ভরশীল থাকেন তা এই ফোটোশ্যুট প্রমাণ করে দেয়।

আথিয়া-র মা তাঁকে এই ফোটোশ্যুটের জন্য কোজিকোড়ের কোডেনচেরি নদীতে যেতে বলেন। এরপর আথিয়া তাঁর দুই মডেল অম্রুত ও জ্যান-কে নিয়ে সেখানে পৌঁছন।

আথিয়া-র মা তাঁকে এই ফোটোশ্যুটের জন্য কোজিকোড়ের কোডেনচেরি নদীতে যেতে বলেন। এরপর আথিয়া তাঁর দুই মডেল অম্রুত ও জ্যান-কে নিয়ে সেখানে পৌঁছন।

ফেসবুকে এই ফোটোশ্যুটের ছবি পোস্ট করেছিলেন আথিয়া। প্রথমে এতে আপত্তি না উঠলেও পরে কিছু ফেসবুক ইউজার আপত্তি তোলেন। ফলে, ফেসবুক ছবিগুলো ব্যান করে দেয়। কিছু ইউজার অবশ্য ফেসবুকে ছবিগুলির প্রশংসা করেন। যদিও, কিছু জনের আপত্তিতে দমে যাননি আথিয়া। তিনি জানিয়েছেন, এমন আরও ফোটোশ্যুট তিনি করবেন। এবং তিনি নিশ্চিত যে সেগুলো বহু মানুষের প্রশংসা পাবে।

ফেসবুকে এই ফোটোশ্যুটের ছবি পোস্ট করেছিলেন আথিয়া। প্রথমে এতে আপত্তি না উঠলেও পরে কিছু ফেসবুক ইউজার আপত্তি তোলেন। ফলে, ফেসবুক ছবিগুলো ব্যান করে দেয়। কিছু ইউজার অবশ্য ফেসবুকে ছবিগুলির প্রশংসা করেন। যদিও, কিছু জনের আপত্তিতে দমে যাননি আথিয়া। তিনি জানিয়েছেন, এমন আরও ফোটোশ্যুট তিনি করবেন। এবং তিনি নিশ্চিত যে সেগুলো বহু মানুষের প্রশংসা পাবে।

loader