১৬ বছরের ময়দান জীবনে দ্রাবিড়ের মুকুটে একাধিক পালক, জন্মদিনে ফিরে দেখা সেই সফর

First Published 11, Jan 2020, 5:09 PM IST

১৯৯৬ থেকে ২০১২ সালে বাইশ গজে একের পর এক রেকর্ড। একাধিক পালক রাহুলের মুকুটে। ১১ জানুয়ারি এই ভারতীয় খেলোয়ারের জন্মদিন। এই দিন ফিরে দেখা তাঁর ১৬ বছরের সফর।

মধ্যপ্রদেশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন রাহল দ্রাবির। তিনি ভারতের হয়ে খেলেছিলেন ১৯৯৬ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত। ভারতের সেরা ক্রিকেটারের তালিকাতে থাকা অন্যতম নাম রাহুল দ্রাবির।

মধ্যপ্রদেশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন রাহল দ্রাবির। তিনি ভারতের হয়ে খেলেছিলেন ১৯৯৬ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত। ভারতের সেরা ক্রিকেটারের তালিকাতে থাকা অন্যতম নাম রাহুল দ্রাবির।

রাহুল দ্রাবিরের পুরো নাম রাহুল সরদ দ্রাবির। পরবর্তীতে তাঁর মধ্য নামটি বাতিল করেই নাম হয়ে যায় রাহুল দ্রাবির।

রাহুল দ্রাবিরের পুরো নাম রাহুল সরদ দ্রাবির। পরবর্তীতে তাঁর মধ্য নামটি বাতিল করেই নাম হয়ে যায় রাহুল দ্রাবির।

রাহুল দ্রাবিরের মাতৃভাষা মারাঠি। তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন ইন্দোরে। পরবর্তীতে তিনি সপরিবারে ব্যাঙ্গালোরের চলে আসেন।

রাহুল দ্রাবিরের মাতৃভাষা মারাঠি। তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন ইন্দোরে। পরবর্তীতে তিনি সপরিবারে ব্যাঙ্গালোরের চলে আসেন।

রাহুল দ্রাবিরের বাবা কাজ করতেন কিষান জ্যাম ফ্যাক্টরিতে। যা ডিলিসিয়াস জ্যাম নামেই পরিচিত।

রাহুল দ্রাবিরের বাবা কাজ করতেন কিষান জ্যাম ফ্যাক্টরিতে। যা ডিলিসিয়াস জ্যাম নামেই পরিচিত।

দ্রাবিরকে মূলত তিন নামে সকলেই চেনে। দ্য ওয়াল, মিস্টার ডিপেন্ডেবল ও জিমি। ১৯৯৬ সাল থেকে ক্রিকেটের মাঠে ছক্কা হাঁকিয়েছেন এই খেলোয়ার।

দ্রাবিরকে মূলত তিন নামে সকলেই চেনে। দ্য ওয়াল, মিস্টার ডিপেন্ডেবল ও জিমি। ১৯৯৬ সাল থেকে ক্রিকেটের মাঠে ছক্কা হাঁকিয়েছেন এই খেলোয়ার।

স্কুলে থাকা কালিন জিমি কাপ জিতে ছিলেন রাহুল। শুধু তাই নয়, এই খেলাতে যিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়ে তাঁকে বলা হয় জিমি অব দ্য ডে পুরস্কার।

স্কুলে থাকা কালিন জিমি কাপ জিতে ছিলেন রাহুল। শুধু তাই নয়, এই খেলাতে যিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়ে তাঁকে বলা হয় জিমি অব দ্য ডে পুরস্কার।

ক্রিকেট খেলার আগে রাহুল দ্রাবির হকি খেলতেন। বারো বছর বয়সে এসে তিনি ক্রেকেটের সঙ্গে যুক্ত হন। রাজ্যের হয়ে খেলেছিলেন তিনি ১৫ বছর বয়সে। এরপর অনুর্ধ ১৭ ও ১৯-এ খেলেছিলেন তিনি।

ক্রিকেট খেলার আগে রাহুল দ্রাবির হকি খেলতেন। বারো বছর বয়সে এসে তিনি ক্রেকেটের সঙ্গে যুক্ত হন। রাজ্যের হয়ে খেলেছিলেন তিনি ১৫ বছর বয়সে। এরপর অনুর্ধ ১৭ ও ১৯-এ খেলেছিলেন তিনি।

রাহুল দ্রাবির ইংল্যান্ডের বিপরীতে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলেছিলেন। প্রথম খেলাতেই রান করেছিলেন ৯৫।

রাহুল দ্রাবির ইংল্যান্ডের বিপরীতে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলেছিলেন। প্রথম খেলাতেই রান করেছিলেন ৯৫।

১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে ৪৬১ রান করে রাহুল সর্বাধিক রানের খেতাব জিতেছিলেন। সেরা পাঁচ ক্রিকেটরের মধ্যে তখন রাহুলের নাও ছিল।

১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে ৪৬১ রান করে রাহুল সর্বাধিক রানের খেতাব জিতেছিলেন। সেরা পাঁচ ক্রিকেটরের মধ্যে তখন রাহুলের নাও ছিল।

রাহল ১১ বার টেস্ট ম্যাচে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন। এরমধ্যে আটটি আন্তর্জাতিক টেস্ট ম্যাচ ছিল।

রাহল ১১ বার টেস্ট ম্যাচে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন। এরমধ্যে আটটি আন্তর্জাতিক টেস্ট ম্যাচ ছিল।

৩০০ রানের পার্টনারশিপে তিনি দুবার ছিলেন। প্রথমবার সচিন তেন্ডুলকরের সঙ্গে, রান হয়েছিল ৩৩১ ও পরের বার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে। যা এখনও রেকর্ড তৈরি করেছে।

৩০০ রানের পার্টনারশিপে তিনি দুবার ছিলেন। প্রথমবার সচিন তেন্ডুলকরের সঙ্গে, রান হয়েছিল ৩৩১ ও পরের বার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে। যা এখনও রেকর্ড তৈরি করেছে।

রাহুল দ্রাবির একদিনের আন্তর্জাকিত খেলায় চারটি উইকেট নিয়েছিলেন। যা রেকর্ড তৈরি করেছিল সেই সময়।

রাহুল দ্রাবির একদিনের আন্তর্জাকিত খেলায় চারটি উইকেট নিয়েছিলেন। যা রেকর্ড তৈরি করেছিল সেই সময়।

রাহুল দ্রাবির একমাত্র ভারতীয় যিনি ১০০ রান করেছেন পর পর চারটি ম্যাচে। যে রেকর্ড আজও কেউ ভাঙতে পারেনি।

রাহুল দ্রাবির একমাত্র ভারতীয় যিনি ১০০ রান করেছেন পর পর চারটি ম্যাচে। যে রেকর্ড আজও কেউ ভাঙতে পারেনি।

রাহুল একমাত্র ক্রিকেটর, যিনি শুরু করেছিলেন যে ম্যাচ দিয়ে সেই ম্যাচের মধ্যে দিয়েই অবসর নিয়েছিলেন। ম্যাচটি হল টি ২০ আন্তর্জাকিত।

রাহুল একমাত্র ক্রিকেটর, যিনি শুরু করেছিলেন যে ম্যাচ দিয়ে সেই ম্যাচের মধ্যে দিয়েই অবসর নিয়েছিলেন। ম্যাচটি হল টি ২০ আন্তর্জাকিত।

২০০৪-০৫-এ হওয়া এক অনলাইন সার্ভেতে উঠে আসে মহিলাদের চোখে সেরা পুরুষ খেলোওয়ার রাহুল দ্রাবির।

২০০৪-০৫-এ হওয়া এক অনলাইন সার্ভেতে উঠে আসে মহিলাদের চোখে সেরা পুরুষ খেলোওয়ার রাহুল দ্রাবির।

তিনি দেশের হয়ে খেলা সব প্রকারের টেস্টেই একশো রান করেছেন। এটাও রাহুল দ্রাবিরের মুকুটে নতুন পালক এনেদিয়েছিল।

তিনি দেশের হয়ে খেলা সব প্রকারের টেস্টেই একশো রান করেছেন। এটাও রাহুল দ্রাবিরের মুকুটে নতুন পালক এনেদিয়েছিল।

রাহুল দ্রাবিরের জার্সির নম্বর ১৯। কারণ হিসেবে জানতে চাওয়া হলে, তিনি স্পষ্ট উত্তর দিয়েছিলেন যে তিনি কোনও সংস্কারের জন্য এটি করেননি। বরং এটা তাঁর স্ত্রীর জন্মদিন মনে রাখতে সাহায্য করে।

রাহুল দ্রাবিরের জার্সির নম্বর ১৯। কারণ হিসেবে জানতে চাওয়া হলে, তিনি স্পষ্ট উত্তর দিয়েছিলেন যে তিনি কোনও সংস্কারের জন্য এটি করেননি। বরং এটা তাঁর স্ত্রীর জন্মদিন মনে রাখতে সাহায্য করে।

loader