বঙ্গ বিজেপির নেতৃত্বে ঘটছে বড় বদল, দিলীপ-এর পরিবর্তে আরএসএস বেছে নিল তিন প্রার্থী, জানুন বিশদে

First Published 4, Aug 2020, 9:50 PM

পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির  ভিতর সবকিছু ঠিকঠাক চলছে না, দলের অভ্যন্তর থেকে এমনই কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং রাজ্য শাখার তরফ থেকে বারবার ঐক্যবদ্ধ থাকার দাবি করা হলেও, দলের মধ্যে নেতৃত্বকে কেন্দ্র করে যে অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে, তাতে করে বিজেপি-তে বড়সড় ভাঙন ধরতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্রের খবর বঙ্গ বিজেপির একাধিক নেতা রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ-কে নিয়ে অসন্তুষ্ট। এই নিয়ে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছেও দরবার করেছেন তাঁরা। এই অবস্থায় এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চলেছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা আরএসএস, এমনটাই শোনা যাচ্ছে।

<p>আরএসএসের প্রাক্তন প্রচারক হিসাবে দিলীপ ঘোষ-কে বিজেপির রাজ্য সভাপতির পদে বসানোর সুপারিশ করেছিল আরএসএস-ই। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দিলীপ-এর নেতৃত্ব নিয়ে আরএসএস নেতৃত্বও হতাশ, এমনটাই শোনা যাচ্ছে। এই অবস্থায় আরএসএস, বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বে অবিলম্বে পরিবর্তন চাইছে বলে জানা যাচ্ছে। এভাবে চললে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতা দখল করতে পারবে না বলে মনে করছে সংঘ।</p>

<p>&nbsp;</p>

আরএসএসের প্রাক্তন প্রচারক হিসাবে দিলীপ ঘোষ-কে বিজেপির রাজ্য সভাপতির পদে বসানোর সুপারিশ করেছিল আরএসএস-ই। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দিলীপ-এর নেতৃত্ব নিয়ে আরএসএস নেতৃত্বও হতাশ, এমনটাই শোনা যাচ্ছে। এই অবস্থায় আরএসএস, বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বে অবিলম্বে পরিবর্তন চাইছে বলে জানা যাচ্ছে। এভাবে চললে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতা দখল করতে পারবে না বলে মনে করছে সংঘ।

 

<p>আরএসএস যখন তাদের নিজেদের কাউকে বিজেপি-তে অন্তর্ভুক্ত করে, তখন সেই ব্যক্তি সংঘের মৌলিক মূল্যবোধকে তুলে ধরবেন, এমনটাই আশা করে সংঘ। কিন্তু, বিজেপির বর্তমান রাজ্য নেতৃত্ব, বিশেষ করে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) সুব্রত চট্টোপাধ্যায়, পক্ষপাত এবং ব্যক্তিগত ক্ষমতার স্বার্থে কাজ করছেন বলে মনে করছে সংঘ, এমনটাই সূত্রের দাবি। সোমবারই এক সাংবাদিক সম্মেলনে দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, 'আমি একাই নির্বাচনে জয়ী হতে পারি। যারা আমাকে হজম করতে পারে না তারা অপেক্ষা করতে পারেন এবং আমাদের জয়ের পর মিষ্টি খেয়ে যাবেন'। এই ধরণের বিবৃতি চরম অহংকারের বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছে আরএসএস।</p>

আরএসএস যখন তাদের নিজেদের কাউকে বিজেপি-তে অন্তর্ভুক্ত করে, তখন সেই ব্যক্তি সংঘের মৌলিক মূল্যবোধকে তুলে ধরবেন, এমনটাই আশা করে সংঘ। কিন্তু, বিজেপির বর্তমান রাজ্য নেতৃত্ব, বিশেষ করে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) সুব্রত চট্টোপাধ্যায়, পক্ষপাত এবং ব্যক্তিগত ক্ষমতার স্বার্থে কাজ করছেন বলে মনে করছে সংঘ, এমনটাই সূত্রের দাবি। সোমবারই এক সাংবাদিক সম্মেলনে দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, 'আমি একাই নির্বাচনে জয়ী হতে পারি। যারা আমাকে হজম করতে পারে না তারা অপেক্ষা করতে পারেন এবং আমাদের জয়ের পর মিষ্টি খেয়ে যাবেন'। এই ধরণের বিবৃতি চরম অহংকারের বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছে আরএসএস।

<p>এর সঙ্গে ওই সূত্র আরও দাবি করেছে, রাজ্য বিজেপি-তে 'বড়বাজার লবি'র বাড়বাড়ন্তও মোটেই পছন্দ করছে না সংঘ। কলকাতার বড়বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী এবং কয়েকজন 'দুর্নীতিগ্রস্থ' ব্যক্তি, দিলীপ ঘোষের সাহায্যেই সাংগঠনিক কর্মসূচিতে তাদের ব্যবসায়িক আগ্রহকে ঢুকিয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এটা দলীয় মতাদর্শের একেবারে বিরোধী এবং এই প্রবণতা ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের পরিবেশ সৃষ্টি করছে বলে মনে করছে আরএসএস নেতৃত্ব, এমনটাই দাবি করছে ওই সূত্র।</p>

<p>&nbsp;</p>

এর সঙ্গে ওই সূত্র আরও দাবি করেছে, রাজ্য বিজেপি-তে 'বড়বাজার লবি'র বাড়বাড়ন্তও মোটেই পছন্দ করছে না সংঘ। কলকাতার বড়বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী এবং কয়েকজন 'দুর্নীতিগ্রস্থ' ব্যক্তি, দিলীপ ঘোষের সাহায্যেই সাংগঠনিক কর্মসূচিতে তাদের ব্যবসায়িক আগ্রহকে ঢুকিয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এটা দলীয় মতাদর্শের একেবারে বিরোধী এবং এই প্রবণতা ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের পরিবেশ সৃষ্টি করছে বলে মনে করছে আরএসএস নেতৃত্ব, এমনটাই দাবি করছে ওই সূত্র।

 

<p>এই অবস্থায় দলের পরবর্তী রাজ্য নেতৃত্ব বাছাই-এর ক্ষেত্রে আরএসএস বেশ কিছু মানদণ্ড বেঁধে দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এগুলি হল&nbsp; -</p>

<p><em>১. তাঁকে পশ্চিমবঙ্গের বাইরের হতে হবে </em></p>

<p><em>২. তিনি অবশ্যই একজন বাঙালি হবেন </em></p>

<p><em>৩. তাঁকে উচ্চশিক্ষিত হতে হবে এবং জনমানসে যথেষ্ট গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হবে</em></p>

<p><em>৪. সংগঠনে কাজ করার বা নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা থাকা চাই </em></p>

<p><em>৫. তাকে অবশ্যই হতে হবে 'টিম প্লেয়ার', অর্থাৎ সবাইকে নিয়ে চলার ক্ষমতা থাকতে হবে</em></p>

<p>&nbsp;</p>

এই অবস্থায় দলের পরবর্তী রাজ্য নেতৃত্ব বাছাই-এর ক্ষেত্রে আরএসএস বেশ কিছু মানদণ্ড বেঁধে দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এগুলি হল  -

১. তাঁকে পশ্চিমবঙ্গের বাইরের হতে হবে

২. তিনি অবশ্যই একজন বাঙালি হবেন

৩. তাঁকে উচ্চশিক্ষিত হতে হবে এবং জনমানসে যথেষ্ট গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হবে

৪. সংগঠনে কাজ করার বা নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা থাকা চাই

৫. তাকে অবশ্যই হতে হবে 'টিম প্লেয়ার', অর্থাৎ সবাইকে নিয়ে চলার ক্ষমতা থাকতে হবে

 

<p>আরএসএস এর সূত্রটি জানিয়েছেন এই পাঁচ মানদণ্ড মেনে ইতিমধ্যেই আরএসএস নেতৃত্ব, পশ্চিনবঙ্গের বিজেপির পরবর্তী নেতা হিসাবে তিন জনের নাম বেছে নিয়েছে। তিন প্রার্থীই ডক্টরেট ডিগ্রিধারী, বাঙালি এবং তাঁদের বয়স ৫০ থেকে ৬৫-র মধ্যে। বাঙালি হলেও সকলেই পশ্চিমবঙ্গের বাইরে থাকেন। এর মধ্যে সবচেয়ে পছন্দের যিনি, তিনি উত্তর ভারতে বিজেপির হয়ে অনেকগুলি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন পরিচালনা করেছেন। এই তিন জনের মধ্য থেকেই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থীকেও বেছে&nbsp;নেওয়া হতে পারে।</p>

<p>&nbsp;</p>

আরএসএস এর সূত্রটি জানিয়েছেন এই পাঁচ মানদণ্ড মেনে ইতিমধ্যেই আরএসএস নেতৃত্ব, পশ্চিনবঙ্গের বিজেপির পরবর্তী নেতা হিসাবে তিন জনের নাম বেছে নিয়েছে। তিন প্রার্থীই ডক্টরেট ডিগ্রিধারী, বাঙালি এবং তাঁদের বয়স ৫০ থেকে ৬৫-র মধ্যে। বাঙালি হলেও সকলেই পশ্চিমবঙ্গের বাইরে থাকেন। এর মধ্যে সবচেয়ে পছন্দের যিনি, তিনি উত্তর ভারতে বিজেপির হয়ে অনেকগুলি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন পরিচালনা করেছেন। এই তিন জনের মধ্য থেকেই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থীকেও বেছে নেওয়া হতে পারে।

 

<p>২০২০ সালের জানুয়ারিতে জে পি নাড্ডা-কে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচিত করা হলেও, দলের সার্বিক সাংগঠনিক কাঠামো গঠিত হয়নি। দলের অভ্যন্তরের খবর, চলতি অগাস্ট থেকে আগামী নভেম্বরের মধ্যে এই কাজ সেরে ফেলা হবে। সুতরাং, সূত্রের খবর ঠিক হলে স্বাধীনতা দিবসের পরই&nbsp; বঙ্গ বিজেপির মাথা থেকে হয়তো দিলীপ ঘোষের অপসারণ ঘটতে পারে।</p>

<p>&nbsp;</p>

২০২০ সালের জানুয়ারিতে জে পি নাড্ডা-কে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচিত করা হলেও, দলের সার্বিক সাংগঠনিক কাঠামো গঠিত হয়নি। দলের অভ্যন্তরের খবর, চলতি অগাস্ট থেকে আগামী নভেম্বরের মধ্যে এই কাজ সেরে ফেলা হবে। সুতরাং, সূত্রের খবর ঠিক হলে স্বাধীনতা দিবসের পরই  বঙ্গ বিজেপির মাথা থেকে হয়তো দিলীপ ঘোষের অপসারণ ঘটতে পারে।

 

loader