ক্লাব সদস্যদের টাকায় স্বল্প বাজেটের পুজো, খুঁটি পুজোর মাধ্যমে শারদোৎসবের প্রস্তুতি

First Published 22, Aug 2020, 6:43 PM

অভিনব ভাবনায় শারদোৎসবের প্রস্তুতি। করোনা আতঙ্কের মাঝেই ঘুঁটিপুজো সেরে ফেলল মালদহের শান্তিভারতী পরিষদ। এবার আর বাড়ি বাড়ি দিয়ে চাঁদা তোলা হবে না। অনাড়ম্বর পুজোর খরচ জোগাবেন ক্লাবের সদস্যরাই। আপদকালীন পরিস্থিতিতে পরিষেবা দেওয়ার জন্য কেনা হল অক্সিজেন সিলিন্ডারও।

<p>স্রেফ মালদহ নয়, উত্তরবঙ্গে বিগ বাজেটের পুজোগুলির অন্যতম মালদহের শান্তিভারতী পরিষদের পুজো। প্রতিবছরই মালদহ শহরের বাঁশবাড়ি এলাকায় এই ক্লাবের পুজো দেখতে ভিড় করেন কয়েক লক্ষ মানুষ।<br />
&nbsp;</p>

স্রেফ মালদহ নয়, উত্তরবঙ্গে বিগ বাজেটের পুজোগুলির অন্যতম মালদহের শান্তিভারতী পরিষদের পুজো। প্রতিবছরই মালদহ শহরের বাঁশবাড়ি এলাকায় এই ক্লাবের পুজো দেখতে ভিড় করেন কয়েক লক্ষ মানুষ।
 

<p>করোনা আবহে এবার কী হবে? ৫৭ তম বর্ষে শহরের নামী এই পুজোকে কেন্দ্র করে জল্পনা চলছিল মালদহে। শনিবার ঘুঁটিপুজো সেরে ফেললেন উদ্যোক্তারা।<br />
&nbsp;</p>

করোনা আবহে এবার কী হবে? ৫৭ তম বর্ষে শহরের নামী এই পুজোকে কেন্দ্র করে জল্পনা চলছিল মালদহে। শনিবার ঘুঁটিপুজো সেরে ফেললেন উদ্যোক্তারা।
 

<p>আড়ম্বর নয়, করোনাভাইরাসের কারণে পুজোর বাজেট কমিয়ে ফেলা হয়েছে অনেকটাই। শুধু তাই নয়, অন্যন্য বছরের মতো বাড়ি বাড়ি গিয়ে আর চাঁদা তুলবেন না ক্লাবের সদস্যেরা। নিজেদের পকেট থেকে টাকা দিয়েই পুজো করবেন স্বপ্ল বাজেটে।<br />
&nbsp;</p>

আড়ম্বর নয়, করোনাভাইরাসের কারণে পুজোর বাজেট কমিয়ে ফেলা হয়েছে অনেকটাই। শুধু তাই নয়, অন্যন্য বছরের মতো বাড়ি বাড়ি গিয়ে আর চাঁদা তুলবেন না ক্লাবের সদস্যেরা। নিজেদের পকেট থেকে টাকা দিয়েই পুজো করবেন স্বপ্ল বাজেটে।
 

<p>যাঁরা শান্তিভারতী পরিষদের পুজো দেখতে যাবেন, তাঁদের প্যান্ডেলের বাইরে থেকে প্রতিমা ও মণ্ডপ দেখতে হবে। দর্শনার্থীদের জন্য থাকবে থার্মাল স্ক্রিনিং-এর ব্যবস্থা। মণ্ডপ তো বটে, ক্লাব লাগোয়া রাস্তাতেও বসানো হবে স্যানিটাইজার টানেল।<br />
&nbsp;</p>

যাঁরা শান্তিভারতী পরিষদের পুজো দেখতে যাবেন, তাঁদের প্যান্ডেলের বাইরে থেকে প্রতিমা ও মণ্ডপ দেখতে হবে। দর্শনার্থীদের জন্য থাকবে থার্মাল স্ক্রিনিং-এর ব্যবস্থা। মণ্ডপ তো বটে, ক্লাব লাগোয়া রাস্তাতেও বসানো হবে স্যানিটাইজার টানেল।
 

<p>আপদকালীন পরিস্থিতিতে মানুষকে পরিষেবা দেওয়ার জন্য দশটি অক্সিজেন সিলিন্ডারও কিনেছেন শান্তি ভারতী পরিষদের সদস্যরা। থাকবে অ্যাম্বুল্যান্স ও রক্তদাতাদের রেজিস্ট্রার্ড গ্রুপ। যদিও কারও রক্তের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে ক্লাব সদস্যরা নিজেরাই রক্ত দেবেন।<br />
&nbsp;</p>

আপদকালীন পরিস্থিতিতে মানুষকে পরিষেবা দেওয়ার জন্য দশটি অক্সিজেন সিলিন্ডারও কিনেছেন শান্তি ভারতী পরিষদের সদস্যরা। থাকবে অ্যাম্বুল্যান্স ও রক্তদাতাদের রেজিস্ট্রার্ড গ্রুপ। যদিও কারও রক্তের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে ক্লাব সদস্যরা নিজেরাই রক্ত দেবেন।
 

loader