ট্রি হাউসে রাত্রিবাস, এবার শীতের ছুটির ঠিকানা হোক বাঁকুড়া

First Published 28, Dec 2019, 12:17 AM IST

  • পর্যটকদের আকর্ষিত করতে বাঁকুড়ায় নতুন উদ্যোগ
  • জয়পুরে গড়া হল ট্রি হাউস
  • আধুনিক নানা সুবিধা রয়েছে কটেজগুলি ঘিরে
  • জয়পুর থেকেই ঘুরে দেখা যাবে বিষ্ণুপুর এবং জয়রামবাটি
পাহাড়, জঙ্গল থেকে শুরু করে প্রাচীন টেরাকোটা মন্দিরের কাজ। বাঁকুড়ায় এলে সবরকমের অভিজ্ঞতা নিয়েই ফিরতে পারবেন পর্যটকরা।

পাহাড়, জঙ্গল থেকে শুরু করে প্রাচীন টেরাকোটা মন্দিরের কাজ। বাঁকুড়ায় এলে সবরকমের অভিজ্ঞতা নিয়েই ফিরতে পারবেন পর্যটকরা।

বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর এবং জয়পুর জুড় একাধিক টেরাকোটার মন্দির গড়ে তোলেন মল্লরাজারা। সেই টেরাটোকার কাজ এখন দেশের বাইরে বিখ্যাত। শীত পড়লেই সেই সমস্ত ঐতিহাসিক মন্দির দেখতে ছুটে আসেন পর্যটকরা।

বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর এবং জয়পুর জুড় একাধিক টেরাকোটার মন্দির গড়ে তোলেন মল্লরাজারা। সেই টেরাটোকার কাজ এখন দেশের বাইরে বিখ্যাত। শীত পড়লেই সেই সমস্ত ঐতিহাসিক মন্দির দেখতে ছুটে আসেন পর্যটকরা।

বিষ্ণুপুর থেকে সামান্য দূরে জয়রামবাটি যাওয়ার পথেই পড়ে জয়পুর। সেখানে টেরাকোটা মন্দির, জঙ্গলের পাশাপাশি রয়েছে প্রাচীন সমুদ্রবাঁধ।

বিষ্ণুপুর থেকে সামান্য দূরে জয়রামবাটি যাওয়ার পথেই পড়ে জয়পুর। সেখানে টেরাকোটা মন্দির, জঙ্গলের পাশাপাশি রয়েছে প্রাচীন সমুদ্রবাঁধ।

এই সমুদ্রবাঁধের তীরেই গড়ে উঠেছে সরকারি পর্যটন স্থল। সেখানেই রয়েছে ছোট ছোট ট্রি হাউস. সঙ্গে রয়েছে সুইমিং পুল। এই পর্যটন স্থলের নাম দেওয়া হয়েছে বনফুল। গাছের উপরেও কটেজ তৈরি হয়েছে।

এই সমুদ্রবাঁধের তীরেই গড়ে উঠেছে সরকারি পর্যটন স্থল। সেখানেই রয়েছে ছোট ছোট ট্রি হাউস. সঙ্গে রয়েছে সুইমিং পুল। এই পর্যটন স্থলের নাম দেওয়া হয়েছে বনফুল। গাছের উপরেও কটেজ তৈরি হয়েছে।

এই ট্রি হাউস এবং টেন্টগুলিতে রাতে থাকতে পারবেন পর্যটকরা। সঙ্গে থাকছে মন মাতানো স্থানীয় খাবারের সম্ভার। জয়পুরের বিডিও-র উদ্যোগে তৈরি হয়েছে এই প্রকল্প। খুব শিগগিরই তা একটি বেসরকারি সংস্থাকে লিজে দিয়ে দেওয়া হবে। পরিষেবার দায়িত্বে থাকবে তারাই।

এই ট্রি হাউস এবং টেন্টগুলিতে রাতে থাকতে পারবেন পর্যটকরা। সঙ্গে থাকছে মন মাতানো স্থানীয় খাবারের সম্ভার। জয়পুরের বিডিও-র উদ্যোগে তৈরি হয়েছে এই প্রকল্প। খুব শিগগিরই তা একটি বেসরকারি সংস্থাকে লিজে দিয়ে দেওয়া হবে। পরিষেবার দায়িত্বে থাকবে তারাই।

এই ট্রি হাউস এবং টেন্টগুলিতে রাতে থাকতে পারবেন পর্যটকরা। সঙ্গে থাকছে মন মাতানো স্থানীয় খাবারের সম্ভার। যদিও এই কটেজগুলিতে থাকতে কেমন খরচ পড়বে তা এখনও ঠিক করতে পারেনি জেলা প্রশাসন। তবে পরিষেবা চালু হলে অনলাইনে বুকিং শুরু হবে।

এই ট্রি হাউস এবং টেন্টগুলিতে রাতে থাকতে পারবেন পর্যটকরা। সঙ্গে থাকছে মন মাতানো স্থানীয় খাবারের সম্ভার। যদিও এই কটেজগুলিতে থাকতে কেমন খরচ পড়বে তা এখনও ঠিক করতে পারেনি জেলা প্রশাসন। তবে পরিষেবা চালু হলে অনলাইনে বুকিং শুরু হবে।

loader