করোনা আতঙ্কে ভরসা কই মাছ, ভোল পালটে গিয়েছে সুসজ্জিত ওয়াটার পার্কের

First Published 3, Sep 2020, 3:47 PM

করোনার আতঙ্ক।  সপ্তাহে দু'দিন করে যখন পুরোদস্তুর লকডাউন চলছে, তখন বিনোদন পার্কে আর কে সময় কাটাতে আসবে!  সুসজ্জিত ওয়াটার পার্কের জলে কই মাছের চাষ করছেন কর্মীরা। বাদ নেই সবজি চাষও! অবাক লাগছে তো? এটাই কিন্তু ঘোরতর বাস্তব।
 

<p>সুদিন কবে ফিরবে! করোনা আতঙ্কে ঘরবন্দি জীবন। ইচ্ছা থাকলেও প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেরোনোর উপায় নেই। ওয়ার্ক ফ্রম হোম মুডে চলে গিয়েছেন চাকুরীজীবীরাও।<br />
&nbsp;</p>

সুদিন কবে ফিরবে! করোনা আতঙ্কে ঘরবন্দি জীবন। ইচ্ছা থাকলেও প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেরোনোর উপায় নেই। ওয়ার্ক ফ্রম হোম মুডে চলে গিয়েছেন চাকুরীজীবীরাও।
 

<p>আগের থেকে সুস্থতার হার বেড়েছে অনেকটাই। কিন্তু করোনা সংক্রমণকে বাগে আনা যাচ্ছে কই! যতদিন যাচ্ছে, আক্রান্তের সংখ্যা ততই বাড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সপ্তাহে দু'দিন করে পুরোদস্তুর লকডাউন জারি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।<br />
&nbsp;</p>

আগের থেকে সুস্থতার হার বেড়েছে অনেকটাই। কিন্তু করোনা সংক্রমণকে বাগে আনা যাচ্ছে কই! যতদিন যাচ্ছে, আক্রান্তের সংখ্যা ততই বাড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সপ্তাহে দু'দিন করে পুরোদস্তুর লকডাউন জারি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
 

<p>জমায়েত এড়াতে বিনোদনপার্কগুলিতে তালা ঝুলছে রাজ্যের সর্বত্রই। কিন্তু পার্কের রক্ষণাবেক্ষণের খরচ তো কম নয়। তার উপর নিয়মিত বেতন দিতে হচ্ছে কর্মীদের।<br />
&nbsp;</p>

জমায়েত এড়াতে বিনোদনপার্কগুলিতে তালা ঝুলছে রাজ্যের সর্বত্রই। কিন্তু পার্কের রক্ষণাবেক্ষণের খরচ তো কম নয়। তার উপর নিয়মিত বেতন দিতে হচ্ছে কর্মীদের।
 

<p>এই বিপুল পরিমাণ টাকা আসবে কোথা থাকে? দুর্গাপুর শহরের সুসজ্জিত ওয়াটার পার্কে জলে কই মাছ চাষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। এমনকী, হাইড্রোপনিক পদ্ধতি অর্থাৎ মাটি ছাড়া সবজি চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।<br />
&nbsp;</p>

এই বিপুল পরিমাণ টাকা আসবে কোথা থাকে? দুর্গাপুর শহরের সুসজ্জিত ওয়াটার পার্কে জলে কই মাছ চাষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। এমনকী, হাইড্রোপনিক পদ্ধতি অর্থাৎ মাটি ছাড়া সবজি চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
 

<p>আগামীদিনে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর যখন ফের লোকজনের আনাগোনা শুরু হবে, তখন দর্শনার্থীদের পার্কটি আরও আকর্ষণী হয়ে উঠবে। তেমনটাই আশা কর্তৃপক্ষের।&nbsp;<br />
&nbsp;</p>

আগামীদিনে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর যখন ফের লোকজনের আনাগোনা শুরু হবে, তখন দর্শনার্থীদের পার্কটি আরও আকর্ষণী হয়ে উঠবে। তেমনটাই আশা কর্তৃপক্ষের। 
 

loader