ভিটামিন ডি একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান এবং শরীরের অ্যাক্টিভ ক্রিয়াকলাপের জন্য প্রয়োজনীয়। মায়ের ভিটামিন ডি জরায়ুতে তার শিশুর কাছে পৌঁছায় এবং মস্তিষ্কের বিকাশ সহ শারীরিক গঠন নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। জার্নাল অফ নিউট্রিশনে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে গর্ভাবস্থায় মায়ের ভিটামিন ডি স্তর তার সন্তানের বুদ্ধিমত্তার বা আইকিউ এর সঙ্গে সম্পর্কিত।

আরও পড়ুন- ২০২০ সালের শেষ চন্দ্রগ্রহণ, জেনে নিন কবে কটায় দেখা যাবে এই মহাজাগতিক দৃশ্য
ভিটামিন ডি গর্ভাবস্থায় বাচ্চাদের আরও বুদ্ধিমান করে তোলে

বিজ্ঞানীরা বলেছেন যে গর্ভাবস্থায় উচ্চতর ভিটামিন ডি স্তর মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়তা করে এবং শিশুর বুদ্ধি বাড়িয়ে তুলতে পারে। এর অর্থ হল গর্ভাবস্থায় ভিটামিন ডি এর মাত্রা যত বেশি হয় বাচ্চাদের বুদ্ধি বৃদ্ধির পরিমাণ তত বেশি। গবেষণা আরও উল্লেখ করে যে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি সাধারণ জনসংখ্যার পাশাপাশি গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যেবেশি দেখা যায়। তবে কৃষ্ণাঙ্গ মহিলারা বেশি ঝুঁকিতে থাকে কারণ ত্বকের প্রাকৃতিক রঙ্গক মেলানিন পিগমেন্টস এই ভিটামিনের উত্পাদন হ্রাস করে।

আরও পড়ুন- পানীয়ের দুধটি কি খাঁটি, সহজ উপায়ে জেনে নিন ভেজাল দুধ চেনার উপায়

মেলানিন রঙ্গকটি রৌদ্রের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে ত্বককে সুরক্ষিত করে বলে করা হয়। গবেষণা অনুসারে, কৃষ্ণাঙ্গ গর্ভবতী মহিলাদের ভিটামিন ডি-এর মাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ঘাটতি লক্ষ্য করা গেছে। বিজ্ঞানীরা দেখতে পেয়েছেন যে গর্ভবতী ৪৬ শতাংশ বিশেষত কৃষ্ণাঙ্গ মহিলাদের মধ্যে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি ধরা পড়েছিল।

ভিটামিন ডি সংক্রান্ত অনেক বিষয় মাথায় রেখে বিজ্ঞানীরা পর্যবেক্ষণের সময় দেখতে পেয়েছেন গর্ভাবস্থায় মহিলাদের মধ্যে উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন ডি এবং ৪-৬ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে উচ্চ বুদ্ধির মধ্যে একটি সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মত, ভিটামিন ডি এর ঘাটতি কাটিয়ে উঠা সম্ভব এবং পরিপূরক ব্যবহার করাই এর একমাত্র সহজ সমাধান। এ ছাড়া মাছ, ডিম এবং  দুধ থেকেও ভিটামিন ডি শরীরের অঙ্গ হতে পারে। তবে গর্ভাবস্থায় আদর্শ পরিমাণে ভিটামিন ডি সম্পর্কে আরও গবেষণা করা দরকার।