চুলেও এবার করোনা ভাইরাস! তবে সংক্রমণের কোনও আশঙ্কা নেই, বরং চুলের অভিনব ছাঁটে নজর কাড়তে পারেন আপনিও। বিশ্বাস না হলে চলে যেতে পারেন হাওড়ায়। স্বাস্থ্য বিধি মেনে ক্রেতাদের চাহিদা মেটাচ্ছেন হেয়ার ড্রেসার রবিন দাস।

আরও পড়ুন: দেশকে ভালবেসে নিলেন জীবনের ঝুঁকি, করোনার প্রতিষেধকের প্রয়োগে ডাক পেলেন এই স্কুলশিক্ষক

আনলক পর্বে সংক্রমণ ছড়িয়ে আরও। যতদিন যাচ্ছে, আক্রান্তের সংখ্যা ততই বাড়ছে রাজ্যের সর্বত্রই। পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ যে, খাস কলকাতায় একাধিক জায়গাকে 'কন্টেনমেন্ট জোন' হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন, ফের জারি করা হয়েছে পুরোদস্তুর লকডাউন। করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি মিলবে কবে? আশার কথা শুনিয়েছেন ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ বা আইসিএমআর-এর বিজ্ঞানীরা। সংস্থার তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কোভিড-১৯-এর টিকার তৈরির পথে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে হায়দরাবাদের একটি ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা। এমনকী, মানবদেহে ওই টিকাটি পরীক্ষার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগস্টে বাজারে চল আসবে করোনার টিকা কোভ্যাক্সিন। 

আরও পড়ুন: করোনায় প্রাণ গেল আরও এক তৃণমূল নেতার, শোকের ছায়া দাদপুরে

আর সেই খুশিতে আইসিএমআর বিজ্ঞানীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে চুলের এক অভিনব ছাঁট বানিয়ে ফেলেছেন হেয়ার ড্রেসার বরিন দাস। হাওড়ার কালীবাবুর বাজার এলাকায় একটি সেলুন চালান তিনি। রবিনবাবু বলেন, 'প্রতিদিনই দিন আক্রান্তের সংখ্য়া বাড়ছে। আর কিছুদিনের মধ্যে হয়তো করোনা সংক্রমণের নিরিখে ভারত বিশ্বের এক নম্বর স্থানে চলে যাবে। মানুষের শরীরে কোভ্যাক্সিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করে দিয়েছেন আইসিএমআর-এর বিজ্ঞানীরা। তাঁদের শুভকামনা জানাতে ও সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেই আমি হেয়ার কাটিং করছি।' এখানেই শেষ নয়। সেলুনে যাঁরা চুল কাটতে আসছেন, তাঁদের পা থেকে মাথা পর্যন্ত স্যানিটাইজড করারও ব্যবস্থা করেছেন রবিন দাস। দেওয়া হচ্ছে পিপিইও! ওই হেয়ার ড্রেসার নিজেই তো বটেই, সেলুনের কর্মচারীরাও মুখে  মাস্ক ও হাতে গ্লাভস পরে কাজ করছেন।