শনিবার রাতে বিহারের কিষাণগঞ্জ জেলায় ভারত-নেপাল সীমান্তের 'নো ম্যানস ল্যান্ড'এ নেপাল আর্মড পুলিশ ফোর্স বা এনএপিএফ তিন ভারতীয় নাগরিককে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ। সেই গুলির আঘাতে এক ভারতীয় নাগরিক গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত ওই ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

২৫ বছর বয়সী জিতেন্দ্র কুমার, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার সময় তাঁর দুই বন্ধু অঙ্কিত কুমার সিং এবং গুলশান কুমার সিং-কে নিয়ে ভারত-নেপাল সীমান্তে অবস্থিত তোলা মাফি গ্রামে গিয়েছিলেন তাঁর গবাদি পশুর খোঁজে। তিনজন গ্রামের বাইরে একটি খামার লক্ষ্য করে যখন হাঁটছিলেন, সেই সময়ই তখন ভারত-নেপাল সীমান্তে মোতায়েন করা নেপাল পুলিশ তাদের লক্ষ্য করে অতর্কিতে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। অঙ্কিত এবং গুলশান বেঁচে গেলেও গুলি এসে লাগে জিতেন্দ্র-র গায়ে। গুরুতর আহত হন তিনি।

এরপরি বিষয়টি জানানো হয় স্থানীয় পুলিশ এবং সশস্ত্র সীমা বল (এসএসবি) এর দ্বাদশ ব্যাটালিয়নকে। নেপালি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলার পর এসএসবিএস দ্বাদশ ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্ট ললিত কুমার বলেছেন, গরু পাচারকারী সন্দেহেই নেপাল সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী গুলি চালিয়েছিল। লকডাউন চলাকালীন নো ম্যান্স ল্যান্ডে সকলের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তারপরও ওই ভারতী. নাগরিকরা সেখানে যাওয়ায় নেপালি বাহিনী গুলি চালায়।

তবে, ভারত-নেপাল সম্পর্কের উত্তেজনা য়ে ক্রমে বাড়ছে, এই বিষয়ে সন্দেহ নেই। গত ১২ জুন, বিহারের সীতামারী জেলায় ভারত-নেপাল সীমান্তে নেপালি সসশস্ত্র পুলিশের গুলিতে এক ভারতীয় নাগরিক নিহত ও আরও দুজন আহত হয়েছিলেন। সম্প্রতি লিপুলেখ, কালাপানি-র মতো বিতর্কিত এলাকাকে জুড়ে নেপাল সরকার নতুন রাজনৈতিক মানচিত্র প্রকাশ করেছে। যা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে দিল্লি।

মনে করা হচ্ছে নিজের শাসন পাকা করার জন্যই নেপালি জাতীয়তাবাদকে দিল্লির বিরুদ্ধে  উসকে দিচ্ছেন কে পি শর্মা ওলি। আর তাঁকে মদত দিচ্ছে বেজিং।