বিজিতের ওপর কঠোর শর্ত আরোপ করে দেশের আর্থিক উন্নয়ন করা যায় না। প্রধানমন্ত্রীকে প্রথমে এই সত্যি কথাটা বুঝতে হবে। দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের জিডিপি প্রকাশের পরই রাহুর  গান্ধী সুর চড়িয়ে আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জমানায় দেশ প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে আর্থিক মন্দার মুখ দেখতে চলেছে। তিনি আরও বলেন এখনও পর্যন্ত তিন কোটি মানুষ মনরেগা প্রকল্পের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। সেখান থেকেই কর্মসংস্থানের আশায় তাঁরা দিন গুজরান করছে। 


এদিনই দেশের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের অর্থার্থ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসের জিডিপি প্রকাশিত হয়েছে। এপ্রিল মে মাসে জিডিপি সংকোচনের হার থিল ২৩.৯স শতাংশ। সেখানে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসে জিডিপি সংকোচনের হার ৭.৫ শতাংশ। জিডিপি ইস্যুতে রাহুল গান্ধী আরও একবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সমালোচনায় সরব হন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২০-২১ সালের অর্থবর্ষে প্রথম ত্রৈমাসিকে জিডিপি নামতে থাকে। সেই সময় বলা হয়েছিল করোনাভাইরাসের মহামারি রুখতেই কঠোর লকডাউন আরোপ করা হয়েছিল। আর সেই কারণে আর্থিকগতিবিধি প্রায় স্তব্ধ ছিল দেশে। সেই কারণে নিচের দিকে ছিল জিডিপি। কিন্তু পরবর্তীকালে ধীরে ধীরে লকডাউের শিথিল করা হয়। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার চেষ্টা শুরু করে দেশ। কিন্তু তার তেমন কোনও প্রভাব পড়েনি দেশের অর্থনীতিতে। এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে রাহুল গান্ধী আরও একবার স্মরণ করিয়ে দেন সেই কথা। 

তবে এটাই প্রথমবার নয়। এর আগেও দেশের অর্থনীতির প্রসঙ্গে তুলে একাধিকবার রাহুল গান্ধী কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করেন। করোনাভাইরাস ভারতে মহামারির আকার নেওয়ার আগেও রাহুল গান্ধী বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে দেশের আর্থিক পরিস্থিতি বেহাল হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন।