Vijay Divorce News: তারকা অভিনেতা থেকে নেতা হওয়া বিজয় বড় সমস্য়ায় পড়লেন। আর কদিন পরেই তামিলনাড়ুতে ভোটের দিন ঘোষণা হবে, ঠিক তার আগে বিজয়কে ডিভোর্স দিতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হলেন তাঁর স্ত্রী সঙ্গীতা স্বর্ণালিঙ্গম।

Vijay Divorce News: তামিলনাড়ু রাজনীতিতে ঝড় তুলে নিজের দল খুলে ভোটে লড়তে চলা তারকা অভিনেতা বিজয় বড় সমস্য়ায় পড়লেন। আর কদিন পরেই তামিলনাড়ুতে ভোটের দিন ঘোষণা হবে, ঠিক তার আগে বিজয়কে ডিভোর্স দিতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হলেন তাঁর স্ত্রী সঙ্গীতা স্বর্ণালিঙ্গম। বিয়ের ২৫ বছর পর বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বিজয়-সঙ্গীতার। তাঁদের দুই সন্তান আছে, জেসন সঞ্জয় ও দিব্যা সাশা। বিবাহবিচ্ছেদের আবেদনে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। আদালত ইতিমধ্যে বিজয়কে নোটিস পাঠিয়েছে এবং আগামী ২০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে। সঙ্গীতার অভিযোগ, তাঁর স্বামী বিজয়ের সঙ্গে নাকি এক সহ অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। মানসিক হেনস্তার শিকার হচ্ছেন। আর তাই তিনি আর বিজয়ের সঙ্গে সংসার করতে চান না। আদালতে এমন কথাই বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদনে জানিয়েছে বিজয়-পত্নী সঙ্গীতা। সিনেমার কেরিয়ারে মধ্যগগণে সেলুলয়েডের পর্দা থেকে অবসর নিয়ে নিজের রাজনৈতিক দল খোলেন ৫১ বছরের বিজয়। দলের নাম রাখেন তামিলাগা ভেত্রি কাঝাঘাম (TVK)।

২০২১ সালে বিজয়ের সঙ্গে তার এক সহ-অভিনেত্রীর সম্পর্কের কথা জানাতে পারেন স্ত্রী

চেন্নাইয়ের সংলগ্ন এলাকায় চেঙ্গালপট্টু পারিবারিক আদালতে সম্প্রতি এই আবেদন দাখিল করেছেন সঙ্গীতা। আদালত সূত্রে খবর, বিবাহবিচ্ছেদের মূল অভিযোগ হিসেবে ব্যভিচার ও মানসিক নির্যাতনের কথা উল্লেখ করেছেন সঙ্গীতা। আবেদনপত্রে দাবি করা হয়েছে, অভিনেতার এক সহ-অভিনেত্রীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। ২০২১ সালে বিষয়টি প্রথম জানতে পারেন তিনি। সেই সময় সম্পর্ক ছিন্ন করার আশ্বাস মিললেও তা বজায় থাকেনি বলেই অভিযোগ। সঙ্গীতা নাকি দাম্পত্য বসবাসের অধিকার ও স্থায়ী ভরণপোষণের আবেদনও জানিয়েছেন। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বিজয় বা তাঁর প্রতিনিধিদের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি সামনে আসেনি।

১৯৯৯ সালের বিয়ে হয় বিজয়-সঙ্গীতার

১৯৯৯ সালের অগস্ট মাসে সঙ্গীতাকে বিয়ে করেন দক্ষিণের চলচ্চিত্রমহলের বড় নাম বিজয়। পারিবারিকভাবে স্থিতিশীল ইমেজের জন্য পরিচিত বিজয়ের জীবনে এই ঘটনা অনেকের কাছেই অপ্রত্যাশিত বলে মনে করা হচ্ছে। ভোটের মুখে স্ত্রীর ডিভোর্সের মামলায় বিজয়কে নিশ্চিতভাবেই চাপে ফেলল। ডিএমকে ও বিজেপির সঙ্গে সম দূরত্ব বজায় রেখে তামিলনাড়ুর ২৩৪টি আসনেই একা লড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন বিজয়। তাঁর জনসমাবেশে রেকর্ড ভিড়, পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনায় জাতীয় সংবাদমাধ্যমগুলিতে বিজয়কে নিয়ে আলাদা আগ্রহ তৈরি হয়েছে।