আগামী এক বছরের মধ্যেই তীব্র পানীয় জলের সংকটে পড়তে চলেছেন ভারতের প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ। বলা হচ্ছে, ভারতের ইতিহাসে নাকি এত বড় জলকষ্ট এর আগে কখনও দেখা যায়নি। 

সম্প্রতি নীতি আয়োগের একটি রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, ২০২০ সালের মধ্যে দিল্লি, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, হায়দরাবাদ-সহ ভারতের ২১টি রাজ্যের ভূগর্ভস্থ পানীয় জলের পরিমাণ একেবারে তলানিতে এসে ঠেকবে। যার ফলস্বরূপ ভারতের প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ তীব্র জলকষ্টের মধ্যে পড়বেন। সূত্রের খবর, প্রতি বছর প্রায় ২০০,০০০ মানুষ মারা যাচ্ছেন কেবলমাত্র পর্যাপ্ত পানীয় জলের অভাবে এবং দূষিত ও অবিশুদ্ধ পানীয় জল পান করে। 

কর্পোরেট ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট ইনডেক্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এইভাবে পানীয় জলের সংকট দেখা দিলে আগামী ২০১৩০-এর মধ্যে ভারতীয়দের কাছে এক বিন্দু পানীয় জলও আর পাওয়া যাবে না। এইভাবে, ২০৫০ সালের মধ্যে সাধারণ মানুষের পানীয় জলের চাহিদা যেভাবে বাড়বে তাতে সেই মুহূর্তে যে পরিমাণ বিশুদ্ধ জল পাওয়া যাবে, তা দিয়ে গোটা দেশের মানুষের জলের চাহিদা কোনওভাবেই মেটানো সম্ভব হবে না।  

ধেয়ে এল ধুলোঝড়, মৃত্যু ২৬ জনের, আতঙ্ক ছড়াচ্ছে উত্তরপ্রদেশে

চলতি বছরে অন্ধ্র প্রদেশ, ছত্তিশগড় এবং তামিলনাড়ু জেলায় ইতিমধ্যেই জলকষ্ট প্রকট আকার ধারণ করেছে। এর অন্যতম কারণ হিসাবে দায়ি করা হচ্ছে বৃষ্টিপাতকেও। বলা হচ্ছে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ার কারণে এই সমস্যা আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। সমস্যা এড়াতে রাজ্যগুলিকে অবিলম্বেই ভূগর্ভস্থ পানীয় জল সংগ্রহ করার দিকে নজর দিতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।