রাজস্থানের থর মরুভূমির বুক চিরে একসময়ে বয়ে যেত নদী! এক লক্ষের বেশি সময় পর বিকানের-এর কাছে হারিয়ে যাওয়া সেই নদীর খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের দাবি, প্রস্তর যুগে মরুপ্রান্তরে এই নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠেছিল জনবসতি।  শুধু তাই নয়, এই নদীটি ছিল মানুষের যাতায়াতের প্রধান পথও।

আরও পড়ুন: বায়ুদূষণ রোধে চাই 'রাজনৈতিক সদিচ্ছা', দুই বিকল্প সমাধান দিলেন কেজরিওয়াল

যেদিকে চোখে যায়, শুধু ধূ ধূ বালির প্রান্তর। রাজস্থানের থর মরুভূমিতে এবার নদীর অস্তিত্বের প্রমাণ মিলল। আজ থেকে আশি হাজার বছর কেমন ছিল এলাকাটি? তা নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছেন জার্মানি, চেন্নাই-এর আন্না বিশ্ববিদ্যালয় ও কলকাতার ইন্ডিয়ান সায়েন্স এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ ইন্সস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা। ২০১৪ ও ২০১৯ সালে স্থানীয় নুলি গ্রামের কাছে মাটি খুঁড়ে নদীর বালু ও নুড়ির সন্ধান পান তাঁরা। গবেষকদের দাবি, এলাকাটি এখন মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। একসময়ে যে এখান দিয়ে বয়ে যেত, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। নাল গ্রামের মাটির নীচে থাকা নদীর বালুর ও নুড়ি আপনা থেকে বাইরে বেরিয়ে এসেছে।

আরও পড়ুন: ষষ্ঠী থেকে সপ্তমীতে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ৫৪ হাজারের বেশি মানুষ, কোথায় দাঁড়িয়ে পরিসংখ্যান

উল্লেখ্য, এর আগে থর মরুভূমির লুনি উপত্যকাতেও নদীর অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল। এখনএ পর্যন্ত সেই নদীটিকে সবচেয়ে পুরানো বলে মনে করা হয়। কিন্তু নুলি গ্রামে যে নদীটির সন্ধান মিলেছে, সেটির বয়সও আরও বেশি। গবেষকদের দাবি, থর মরুভূমির বেশ কয়েকটি জায়গায় একাধিক চ্যানেল দেখতে পাওয়া গিয়েছে।