স্ত্রীর উপরে সন্দেহ। আর তা থেকেই নৃশংস কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলল স্বামী। অন্য পুরুষের সঙ্গে স্ত্রীর সম্পর্ক রয়েছে, এই আশঙ্কা থেকে স্ত্রী মাথা কেটে খুন  করল ওই ব্যক্তি। ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশার পুরী জেলায়। 

স্ত্রীর মুণ্ডু কেটেই অবশ্য ক্ষান্ত হয়নি অভিযুক্ত। সেই কাটা মাথা নিয়েই সটান থানায় গিয়ে হাজির হয় সে। 

একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি দৈনিকের খবর অনুযায়ী, পুরীর রবিবার রাতে পুরীর রাইবেরুয়ান গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। তার আগে ওই দম্পতির মধ্যে বচসাও হয়। 

অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম গণেশ বরুয়া। চল্লিশ বছরের গণেশ কর্মসূত্রে চেন্নাইতে থাকে। সম্প্রতি পুরীর বাড়িতে ফিরেছিল সে। 

পুলিশ জানিয়েছে, গণেশের সন্দেহ ছিল যে তাঁর ৩৪ বছর বয়সি স্ত্রী বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। তা নিয়েই মাঝেমধ্যে বচসা হতো দু' জনের মধ্যে। রবিবার রাতেও এরকমই গণ্ডগোল চলার মাঝে আচমকাই ধারাল অস্ত্র দিয়ে নিজের স্ত্রীর মাথা কেটে ফেলে ওই ব্যক্তি। এর পরে সেই কাটা মাথা নিয়েই স্থানীয় অষ্টরঙ্গ থানায় গিয়ে গোটা ঘটনা পুলিশকে জানায় অভিযুক্ত। 

মৃতার পরিবারের অবশ্য অভিযোগ, চেন্নাইতে তার কাছে থাকার সময়ই নিজের স্ত্রীর উপরে অত্যাচার চালাত গণেশ। সেই কারণেই সেখান থেকে পুরী ফিরে এসেছিলেন অন্নপূর্ণ নামে ওই মহিলা। অভিযুক্ত গণেশকে গ্রেফতার করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।