ক্রেতাকে  ক্যারিব্যাগের দাম দিতে বাধ্য করার জন্য জরিমানার মুখে পড়তে হল আদিত্য বিড়লার গ্রুপ লিমিটেডের হায়দরাবাদ শাখাকে। এক পড়ুয়াকে বাধ্য করা হয় নয় টাকার  ক্যারিব্যাগের দাম দেওয়ার জন্য।  যার জেরে জেলার ক্রেতা সুরক্ষা আদালত আদিত্য বিড়লা গ্রুপের ওই শাখার আট হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করেছে। 

আরও পড়ুন বাইক-স্কুটার নাই বা থাক, অফিসে হেলমেট পরতেই হবে, এটাই অলিখিত নিয়ম


আইনের ছাত্র কোলান শ্রীনিবাস ক্রেতা সুরক্ষা আদালতে আদিত্য বিড়লা গ্রুপ লিমিটেডের ওই শাখার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি বলেন, জিনিস কেনাকাটার পর বিল দিতে গিয়ে দেখি আমার ২১৭২ টাকা হয়েছে। তার মধ্যে নয় টাকার  ক্যারিব্যাগের দাম যুক্ত করা হয়েছে। ওই  ক্যারিব্যাগের দাম আমি কোনওভাবেই দিতে চাইনি। আমার তীব্র আপত্তির পরেও স্টোরটি  আমাকে  ক্যারিব্যাগের দাম দিতে বাধ্য করায়। কোলান ক্রেতা সুরক্ষা আদালতে  নিজের অভিযোগ জানাতে আরও বলেন, ওই  ক্যারিব্যাগের মাধ্যমে সংস্থাটি নিজেদের প্রচার করছিল। সেই কারণে ওই  ক্যারিব্যাগটি আমাকে নিতে বাধ্য করছিল। রেড্ডি অভিযোগ করেছেন, সংস্থার লাভের জন্য বা প্রচারের জন্য ওই  ক্যারিব্যাগটি গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। 

আরও পড়ুন অর্ধ্বস্তন মহিলা কর্মীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক, চাকরি খোয়ালেন ম্যাক ডোনাল্ডসে সিইও

ক্রেতা সুরক্ষা আদালতের তরফে  আদিত্য বিড়সা গ্রুপ লিমিটেডের ওই শাখাকে  ক্যারিব্যাগের জন্য নেওয়া নয় টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি শাখাটিকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে আট হাজার টাকা ক্রেতাকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।  ক্রেতাদের যাতে আর হয়রানি না করা হয়, সেই বিষয়ে ক্রেতা সুরক্ষা আদালত সংস্থাটির ওই শাখাটিকে সজাগ করেছেন। শুধু আদিত্য বিড়লা গ্রুপ লিমিটেড নয়, অনেক সংস্থাই রয়েছে, যার ক্রেতাদের জোর করে ক্যারিব্যাগ নিতে বাধ্য করা হয়। তার জন্য অতিরিক্ত অর্থও তাদের দিতে হয়। কিন্তু আইন ঠিক করে না জানার কারণে, বেশিরভাগ ক্রেতাই এগুলো সহ্য করে নেয়। তবে এই ঘটনার পর ক্রেতারা অনেকটাই সচেতন হবে বলে মনে করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ক্রেতাদের  ক্যারিব্যাগ জোর করে দেওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন স্টোরের কর্তৃপক্ষ সজাগ হবেন বলে মনে করা হচ্ছে।