বেশ ছোট বয়সেই তাকে চেন্নাই-এর পার্ক টাউন স্টেশমনে ছেড়ে রেখে গিয়েছিল তার মালিক। তারপর থেকে পার্ক টাউন স্টেশনেই বড় হয়েছে। আর সারমেয় হলেও এখন সেই এই স্টেশনে আরপিএফ বা রেল পুলিশ বাহিনীর বড় ভরসা। যে কাজ রেল পুলিশ করে থাকে, সেই কাজটাই এই কুকুরটি করে থাকে। আর এভাবে যাত্রীদের মধ্যে সে এক মিনি সেলিব্রিটি হয়ে উঠেছে।

যেমন ধরুণ কেউ ওভারব্রিজ বা সাবওয়ে ব্যবহার না করে সরাসরি রেল লাইনে নেমে পার হওয়ার চেষ্টা করল, সঙ্গে সঙ্গে কুকুরটি চেচিয়ে তাকে সাবধান করবে। চলন্ত ট্রেনে ওঠা নামা করতে গেলেও কুকুরটি চিৎকার করে দোষীদের সতর্ক করে দেয়। নতুন যাত্রীরা এতে অবক হয়ে গেলেও নিত্য যাত্রীদের কাছে এ অত্যন্ত পরিচিত দৃশ্য। অনেকে বলেছেন, কুকুরটির উদ্যোগে রেল সুরক্ষা নিয়ে তাঁরা অনেকেই আগের থেকে সচেতন হয়েছেন। আগে পুলিশের কথায় খুব একটা কাজ হয়নি।

এক নিত্য যাত্রী জানিয়েছেন, শুধু বেআইনিভাবে রেল লাইন পার করা বা চলন্ত ট্রেনে নামা-ওঠা করা দেখলেই নয়, কাউকে রেলের দরজায় ঝুলে যেতে দেখলেও কুকুরটি চেচামেচি করে থাকে। তবে কোনওদিন কোনও যাত্রীর কোনও ক্ষতি করেনি সে। যাত্রীর কথায় জনসাধারণের জন্য কুকুরটি খুবই ভালো কাজ করছে।

নিত্যযাত্রীরা আরও জানিয়েছে রেল সুরক্ষা বাহিনির যেসব সদস্যরা প্ল্যাটফর্মে থেকে যাত্রীদের বেআইনি কাজ না করার বিষয়ে সতর্ক করেন, তাঁদের সঙ্গে সঙ্গেই থাকে   কুকুরটি। এমনকী তাদের সঙ্গে প্ল্যাটফর্মে টহল দিতেও বের হয়। পার্ক টাউন স্টেশনের আরপিএফ-কর্মীরা জানিয়েছেন, কুকুরটিকে তাঁরা সকলেই খুব ভালবাসেন। তাঁরা ওকে যখন যেমন পারেন খেতেও দেন।