Drunk Bengaluru Women:বেঙ্গালুরুতে গভীর রাতে মদ্যপ অবস্থায় রাস্তায় তাণ্ডব দুই মহিলার। এমন অভিযোগে বাগিচার শহরে চাঞ্চল্য ছড়াল। অভিযোগ, বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করে ফেরার পথে একটি বাইকে থাকা দুই মহিলা পিছন দিক থেকে একটি ক্যাবকে ধাক্কা মারেন।
Drunk Bengaluru Women:বেঙ্গালুরুতে গভীর রাতে মদ্যপ অবস্থায় রাস্তায় তাণ্ডব দুই মহিলার। এমন অভিযোগে বাগিচার শহরে চাঞ্চল্য ছড়াল। অভিযোগ, বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করে ফেরার পথে একটি বাইকে থাকা দুই মহিলা পিছন দিক থেকে একটি ক্যাবকে ধাক্কা মারেন। সামান্য দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করেই মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। ক্যাব চালক আহমেদ জানান, ধাক্কার পর তিনি স্বাভাবিকভাবেই দুর্ঘটনার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি জানতে চাইলে দুই মহিলা ক্ষিপ্ত হয়ে তার ওপর আক্রমণ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এরপরই দুই মহিলা অশালীন ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন এবং আচমকা চালকের উপর চড়াও হন। অভিযোগ, এক মহিলা ধাতব চেন ও হেলমেট দিয়ে আহমেদকে আঘাত করেন। রাস্তায় প্রকাশ্যেই শুরু হয় মারধর ও অশান্তি। এই ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
মত্ত অবস্থায় দুই মহিলা অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন
বেঙ্গালুরু পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত দুই মহিলা লিসা (জেপি নগর) ও ম্যাথিউ (কোরামঙ্গল) বন্ধুদের সঙ্গে একটি বেসরকারি হোটেলে অনুষ্ঠান সেরে রাতে বাইকে ফিরছিলেন। সেই সময় তাঁদের বাইকটি পিছন দিক থেকে একটি ক্যাবকে ধাক্কা মারে। ক্যাব চালক আহমেদ গাড়ির ক্ষয়ক্ষতি ও দায় নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, দুই মহিলা অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন এবং ঘটনাস্থল ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের আটকাতে গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই দুই মহিলা হাতে ধাতব চেন পেঁচিয়ে ক্যাব চালকের উপর চড়াও হন। মারধরে আহত হন আহমেদ। ঘটনার সময় অভিযুক্তরা শুধু চালককেই নয়, উপস্থিত জনতাকেও অশালীন অঙ্গভঙ্গি ও কটূক্তি করেন বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনার ভিডিও স্থানীয়দের মোবাইলে ধরা পড়ে, যা ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে।
দুই মহিলার বিরুদ্ধে মামলা রুজু
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হুলিমাভু থানার পুলিশ। আহত ক্যাব চালককে সাহায্য করার পাশাপাশি অভিযুক্ত দুই মহিলার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ঘটনার সময় অভিযুক্তরা মদ্যপ ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে মাদকের প্রভাব প্রমাণিত হলে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো ও জনশৃঙ্খলা ভঙ্গের ধারাও যুক্ত হতে পারে।


