গত ৬ অগাস্ট হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান দেশের প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। বর্ষীয়ান এই বিজেপি নেত্রী তথা জনপ্রিয় এই রাজনীতিবিদের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ হয়ে পড়ে তামাম রাজনৈতিক মহল। শোকের ছায়া গোটা বলিউড, টলিউডের সীমানা পেরিয়ে গিয়ে নেমে এসেছিল সুদূর পাকিস্তানেও। 

সুষমা স্বরাজের মৃত্যু শোক কাটতে না কাটতেই আরও একবার বড় ধাক্কা পেল বিজেপি-সহ গোটা রাজনৈতিক মহল। আরও এক নক্ষত্রপতন হল। দীর্ঘ দু'সপ্তাহের লড়াইয়ের পর অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেলেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। দীর্ঘ পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভুগছিলেন তিনি, যদিও এই বিষয়ে খুব একটা বেশি কথা বলতেন না তিনি। কিন্তু জানেন কি সুষমা স্বরাজের প্রয়াণে ঠিক কী প্রতিক্রিয়া ছিল তাঁর?

দলীয় রাজনীতির বাইরে এক অন্য অরুণ, একজন 'আল্টিমেট ব্যাকরুম স্ট্র্যাটেজিস্ট'

গত ৬ অগাস্ট রাতে সুষমা স্বরাজের আচমকা প্রয়াণের খবর টেলিভিশনের মাধ্যমেই প্রথম জানতে পেরেছিলেন জেটলি। সেদিন রাতে, সুষমা স্বরাজের আকস্মিক মৃত্যতে গভীর ধাক্কা পেয়েছিলেন অরুণ জেটলি। সুষমার মৃত্যুর খবর শুনে হাউ হাউ করে কেঁদেছিলেন তিনি। তখনই অবশ্য তাঁর শারীরিক অবস্থা ধীরে ধীরে অবণতির দিকেই এগোচ্ছিল। তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে চিকিৎসকরা তাঁর বাড়ির লোকদের পরামর্শ দিয়েছিল যে, তাঁর আবেগে আঘাত লাগে এমন খবর যেন তাঁকে না দেওয়া হয়। 

চলে গেলেন জেটলি, রেখে গেলেন ১১ মাইলস্টোন

একদিকে সুষমা স্বরাজের মৃত্যুশোক অন্যদিকে প্রবল শারীরিক অসুস্থতা- লড়াই করে টিকে থাকা আর হল না জেটলির। সুষমার প্রয়াণের তিন দিনের মাথায় অর্থাৎ ৯ অগাস্ট তারিখে, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্য়া নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন প্রাক্তন  অর্থমন্ত্রী। দীর্ঘ দুই সপ্তাহ দিল্লির এইমস-এ ভর্তি থাকার পর আজ বেলা ১২টা বেজে ৭ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বর্ষীয়ান এই বিজেপি নেতা।