CAA-এর মাধ্যমে সেই শরণার্থীরা উপকৃত হবে যাদের প্রয়োজনীয় নথিপত্র নেই। দীর্ঘমেয়াদী ভিসার জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যক আবেদন ইতিমধ্যেই জমা পড়েছে পাকিস্তান থেকে। 

বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন আগামী মাস থেকে কার্যকর হতে পারে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেন্দ্রীয় সরকারের এক কর্তা তেমনই জানিয়েছেন। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের মাধ্যমে পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আসা ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। সূত্রের খবর যে অনলাইন পোর্টালটি ইতিমধ্যেই নাম নথিভুক্ত করার জন্য প্রস্তুত। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ইতিমধ্যেই পোটার্লটি ড্রাই রান করছে, অর্থাৎ সেটি ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সূত্রের খবর CAA-এর মাধ্যমে সেই শরণার্থীরা উপকৃত হবে যাদের প্রয়োজনীয় নথিপত্র নেই। দীর্ঘমেয়াদী ভিসার জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যক আবেদন ইতিমধ্যেই জমা পড়েছে পাকিস্তান থেকে। দীর্ঘমেয়াদী ভিসার আবেদন মঞ্জুর করার কি CAAকেই ছাড়পত্র দেবে কিনা তা জেলা কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

গত দুই বছরে ৯টি রাজ্যের ৩০ টিরও বেশি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে নাগরিকত্ব আইন ১৯৫৫-র অধীনে আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন , পার্সি ও খ্রিস্টানদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২১-এর ১ এপ্রিল থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তানের মোট অমুসলিম সংখ্যালঘুকে ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছিল।

যদিও ২০১৯ সালে এই সংশোধনী আইন পাশ হয়েছিল। সেই সময় এই আইনের প্রতিবাদে সরব হয়েছেন এই দেশের সংখ্যালঘুরা। এই দেশে বসবাসকারীদের দাবি এই আইনের মাধ্যমে এই দেশের মানুষের মধ্যে বৈষম্য করা হবে। সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষ নীতি লঙ্ঘন করা হবে।