নাগরিকত্ব আইন নিয়ে আলোচনা করতে চাইলে যে কাউকেই স্বাগত। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজে সেক্ষেত্রে যে কারও সঙ্গেই আলোচনা করতে রাজি খোদ  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিন দিনের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সময় দেবেন তিনি। 

দিল্লিতে একটি অনুষ্ঠানে এমনই দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'নাগরিকত্ব আইন নিয়ে আলোচনা করতে চাইলে যে কেউ আমার অফিস থেকে সময় চাইতে পারেন। তিন দিনের মধ্যে আমি তাঁকে সময় দেব।'

অমিত শাহ স্বীকার করে নেন, দিল্লি নির্বাচন নিয়ে তাঁর অনুমান ভুল প্রমাণিত হয়েছে ঠিকই। কিন্তু তাঁর মানে এই নয় যে এই রায় নাগরিকত্ব আইন এবং এনআরসি-র বিরুদ্ধে। 

দিল্লি নির্বাচনের প্রচারপর্বে বার বার শাহিনবাগ আন্দোলনকে বিতর্কিত আক্রমণ করেছেন বিজেপি-র মন্ত্রী, সাংসদরা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর শাহিনবাগের আন্দোলনকারীদের গুলি মারার নিদান দিয়েছিলেন। আবার বিজেপি সাংসদ প্রবেশ শর্মা আবার দিল্লির নির্বাচনের সঙ্গে ভারত পাকিস্তান ম্যাচের তুলনা টেনেছিলেন। বিজেপি প্রার্থী কপিল মিশ্র আবার শাহিনবাগকে মিনি পাকিস্তান বলেছিলেন। 

এ দিন অবশ্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে সবারই আন্দোলন করার অধিকার রয়েছে। শাহিনবাগে নাগরিকত্ব আইন বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে মৌলবাদী সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া-র কোনও যোগ আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।