দিন কয়েক আগেই কাশ্মীর সফর সেরে এসেছেন অমিত শাহ। কথা বলেছেন সেখানকার রাজ্যপাল সত্যপাল মালিকের সঙ্গে। অমিত শাহ এই জরুরি বৈঠক সেরে ফেরার পরেই রমজান এবং অমরনাথ যাত্রার সময়ে নিরাপত্তার কথা ভেবে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার কথা আলোচনার মধ্যে উঠে আসে। সীমান্তবাসীদের জন্যে সংরক্ষণের বিষয়েও মুখ খুলেছিলেন অমিত শাহ।  এবার সেই ব্যাপারেই পাকাপাকি শিলমোহর দিতে রাজ্যসভার দারস্থ হলেন শাহ।এদিন অমিত শাহ রাজ্যসভায় বলেন, যেহেতু কাশ্মীরে এখনও বিধানসভা নেই তাই কাশ্মীর বিষয়ক যে কোনও সিদ্ধান্তই নির্ভর করছে সংসদের দুই কক্ষের অনুমোদনের ওপর।

আরও পড়ুনঃ কাশ্মীরে অশান্তি নেহেরুর দায়, সংসদ থেকে তোপ অমিত শাহর
তিন দশকে এই প্রথম, অমিত শাহের কাশ্মীর সফরে হল না বনধ
 

এরপরেই অমিত শাহ তাঁর প্রস্তাবনা প্রকাশ করেন। অমিত শাহ বলেন- 'বর্ডারের কাছে তিন জেলায় বহু মানুষ অনিশ্চতায় ভুগছেন কয়েক দশক ধরে। এই কারণে একটি অধ্যাদেশ আনা হয়েছে। আমার প্রস্তাব, সীমান্ত সংলগ্ন তিনটি জেলায় ৩ শতাংশ সংরক্ষণ করা হবে চাকরি ও শিক্ষার ক্ষেত্রে। মোট ৪৩৫ গ্রামের ৩ লক্ষের বেশি লোক এই সুবিধে পাবে।' 

এরপরেই অমিত শাহ রাখেন দ্বিতীয় দফার প্রস্তাব। রাষ্ট্রপতির শাসন আরও ৬ মাস বাড়িয়ে দেওয়া হোক। আমিত শাহ বলেন, '২ জুলাই এই শাসনকাল সমাপ্ত হওয়ার কথা। ২১ নভেম্বর ২০১৮ তে দেখা যায় ওখানে রাজ্যপালের শাসন চললেও শান্তি ফিরছে না। তাই বিধানসভা ভেঙে দেওয়া হয়। এর পরেই ওখানে ৩৫৬ ধারা চালু হয়। আমরা চাইছি ওখানে আগামী ছয় মাস বাড়ানো হোক রাষ্ট্রপতির শাসন।'

অমিত শাহর মূল মাথাব্যথা রমজান ও অমরনাথ যাত্রা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই দিন বলেন, নির্বাচন কমিশন চায় ভোট হোক এই বছরের শেষে। এই মুহূর্তে রমজান, অমরনাথ যাত্রা রয়েছে। নিরাপত্তার কথা ভেবেই তিনি মনে করছেন, অন্য কোনও রাস্তা নেই নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া ছাড়া। এদিন তিনি মনে করিয়ে দেন, নির্বাচন কমিশনও প্রস্তাবনা দিয়েছ ভোট পিছিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে।