ভোটের ফল বের হওয়ার পর থেকেই শিবসেনা মুখ্যমন্ত্রী পদে ৫০-৫০ রফাসূত্রের কথা বলে আসছে। কিন্তু, মঙ্গলবার সরাসরি সেই ধরণের কোনও সূত্র ঠিক হওয়ার কথা অস্বীকার করলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। তাঁর দাবি পরের পাঁচ বছরের জন্য তিনিই মুখ্যমন্ত্রী হবেন, এই নিয়ে কোনও সংশয়ই নেই। অমিত শাহ-এর সঙ্গেও শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের ৫০-৫০ সূত্রের কোনও আলোচনাই হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি।

এদিন ফড়নবিশ সাংবাদিকদের জানান, দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ-এর সঙ্গে তাঁর এই বিষয়ে কথা হয়েছে। তাঁকে অমিত জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী পদে ৫০-৫০ ফর্মুলা নিয়ে কোনও কথাই হয়নি।

ফড়নবিশ এই কথা বলার পরই ফের বিজেপি-কে একহাত নিয়েছেন শিবসেনা নেতা সঞ্জয় রাউত। তিনি বলেন, যদি ১৪৫ জয় বিধায়কের সমর্থন পান তাহলে ফড়নবিশ নিশ্চয়ই সরকার গড়বেন। গত সপ্তাহে মহারাষ্ট্র বিধানসভা ২০১৯-এরর ফল বের হতে দেখা যায়, বিজেপি ১০৫টি আসনে জয়ী হয়েছে, আর শিবসেনা ৫৬টি আসনে। ফলে জোটের সরকার গড়ার পথে বাধা ছিল না। কিন্তু মুখ্য়মন্ত্রী পদ নিয়ে বিজেপির শিবেনা নির্ভরতা বাড়তেই শিবসেনাও দর কষাকষি শুরু করেছে।

উদ্ধব ঠাকরে দাবি করেছেন অমিত শাহ-এর সঙ্গে লোকসভা ভোটের আগেই তাঁর আলোচনা হয়েছিল। আড়াই বছর করে বিজেপি ও শিবসেনা দুই দল থেকেই দুইজন মুখ্যমন্ত্রী হবেন বলে ঠিক হয়েছিল। ভোটের ফল বের হওযার পর থেকেই শিবসেনার বিভিন্ন নেতা আদিত্য ঠাকরে-কে মুখ্যমন্ত্রী করার দাবি জানিয়েছেন। এমনকি প্রয়োজনে কংগ্রেস এনসিপির সঙ্গে হাত মেলানোরপ হুমকিও দিয়েছে তারা। সোমবারই সঞ্জয় রাউত বলেছিলেন বিজেপি তাঁদের কংগ্রেস এনসিপির সঙ্গে হাত মেলানোর অপরাধ করতে বাধ্য করছে।  

একইসঙ্গে নির্বাচন হয়েছিল হরিয়ানায়। সেখানে জেজেপির সমর্থন নিয়ে বিজেপি সরকার গঠন করে ফেলেছে। কিন্তু পুরোনো সঙ্গী শিবসেনার সঙ্গে এখনও কোনও সমাধানসূত্রে পৌঁছতে পারছে না বিজেপি ও শিবসেনা।