রিপাব্লিক টিভির এডিটর অর্ণব গোস্বীর পাশে দাঁড়িয়ে কংগ্রেসের তীব্র সমালোচনা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, অর্ণব গোস্বামীকে গ্রেফতার সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপের সামিল। তিনি আরও বলেন ব্যক্তি স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের চতু্র্থ স্তম্ভের ওপর আঘাত করা হয়েছে, যা মনে করিয়ে দিচ্ছে জরুরি অবস্থার কথা। অমিত শাহ বলেছেন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অপব্যবহার করেছে কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা। আর এইজন্যই তিনি কংগ্রেস ও তার মিত্র শক্তিগুলিকেই নিশানা করেছেন। তিনি বলেন কংগ্রেস ও তাঁর মিত্র শক্তিরা আবারও লজ্জা দিয়েছে গণতন্ত্রকে। 

ইন্টিরিয়ার ডিজাইনার অন্বয় নায়েককে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে ভোররাতে বাড়িতে ঢুকে রিপাব্লিক টিভির এডিটর অর্ণব গোস্বামীকে গ্রেফতার করে মুম্বই পুলিশ। ২০১৮ সালে আত্মহত্যা করেছিলেন অন্বয় ও তাঁর মা। তার আগে অবশ্য সুইসাইড নোটে তাঁরা দুজনেই দায়ি করেন অর্ণবসহ তিন জনকে।  অন্বয়, রিপাব্লিকান টিভির সঙ্গে কাজ করতেন। বিলের টাকা না মেটানোর অভিযোগ উঠেছিল অর্ণব গোস্বামীর বিরুদ্ধে। ২০১৯ সালে মহারাষ্ট্র পুলিশ এই মামলাটি বন্ধ করে দিয়েছিল। কিন্তু চলতি বছর অন্বয়ের মেয়ে মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অনিল দেশমুখের দ্বারস্থ হন। তারপরই  আবারও শুরু হয় তদন্ত। পুরনো সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই মুম্বই পুলিশ অর্ণব গোস্বামীকে গ্রেফতার করে। 

 

অর্ণব গোস্বামীর এই গ্রেফতারের প্রতিবাদে সরব হয়েছেন বিজেপি নেত্রী তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি ও প্রকাশ জাভড়কর। তাঁরা দুজনেই এই ঘটনাকে সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের সঙ্গে তুলনা করেছেন। মহারাষ্ট্রে উদ্ধব ঠাকরে সরকার একের পর এক প্রতিবন্দকতা তৈরি করেছে অর্ণবের সামনে। পালঘর গণপ্রহার মামলা থেকে শুরু করে টেলিভিশন ব়্যাঙ্কিংকাণ্ডেও অভিযোগ দায়ের করেছে। সবমিলিয়ে মহারাষ্ট্রে সরকার বদল হওয়ার পর কিছুটা হলেও কোনঠাসা হয়ে পড়েছেন রিপাব্লিক টিভির এডিটর তথা সাংবাদিক অর্ণব গোস্বামী।