মঙ্গলবার পুলিশের সদর দপ্তরের বাইরে পুলিশকর্মীদের নজিরবিহীন ১১ ঘন্টার অবস্থান বিক্ষোভ দেখেছিল রাজধানী। ঠিক তার পরের দিন রোহিনী ও সাকেত-এর জেলা দায়রা আদালতের বাইরে জড়োহয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন আইনজীবীরা। এমনকী, রোহিনীর আদালত ভবনের সুউচ্চ বাড়ির উপর থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার হুমকিও দেন।   

এরফলে দারুণ সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। অনেকেই এদিন মামলার কাজ নিয়ে এসেছিলেন দুই জেলা আদালতে। কিন্তু গেট বন্ধ করে ভিতরে আইনজীবীরা স্লোগান দিতে থাকায় তাঁরা আদালত চত্ত্বরে ঢোকার সুযোগই পাননি।

গত সোমবার থেকেই আইনজীবীরা ধর্মঘটে করছেন। বার কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার তরফ থেকে তাঁদে কাজে যোগ দেওয়ার অনুরোধ জানানো হলেও তাঁরা তাতে কান দেননি। মঙ্গলবার দিল্লির অল বার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় বুধবারও আইনজীবীরা ধর্মঘট চালিয়েযাবেন। সেই মতোই এদিনও কাজে য়োগ দেননি কোনও আইনজীবীই।

মঙ্গলবার পুলিশ কর্মীরা তাদের উপর আইনজীবীদের হামলার প্রতিবাদ করে বিক্ষোভ দেখান। এই আন্দোলনের সমালোচনাই করেছে আইনজীবীদের সংগঠন। তাদের বক্তব্য, নিজেদের দোষ ঢাকতেই পুলিশ এইসব করছে। তাঁরা সাফ জানিয়েছেন তাঁদের আন্দোলন দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে নয়। সোমবার সাকেট কোর্টে যে ঘটনা ঘটেছে, তার ন্যায় বিচার চাইছেন তাঁরা।

সংগঠনের পক্ষে মহাবীর শর্মা জানিয়েছেন, যতক্ষণ না দোষী পুলিশকর্মীদের শাস্তি হচ্ছে, ততক্ষণ তাঁরা ধর্মঘট চালিয়ে যাবেন। তাঁর দাবি মামলাকারীদের আদালতে প্রবেশ করতে কোনও বাধা দেওয়া হচ্ছে না। কিন্তু, শুনানিতে কোনও আইনজীবী উপস্থিত থাকবেন না।